Dhaka ০২:৩৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন মজুরি কাঠামো চূড়ান্ত, শ্রমিকদের বেতন জানুয়ারি থেকে কার্যকর বড়দিন উদযাপনে খ্রিষ্টান কল্যাণ ট্রাস্টকে ৩ কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী কারখানা বন্ধের চক্রান্ত ও উসকানিকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ পোশাকশিল্পে টানা অস্থিতিশীলতায় চরম উদ্বিগ্ন উদ্যোক্তারা দেশে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর ৮৪ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত: বিশ্বব্যাংক ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাঁড়াল ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা ডলারের বিনিময় হারে ঊর্ধ্বগতি, ব্যাংকের এমডিদের সতর্ক করলেন গভর্নর উদ্যোক্তাদের অনীহায় বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি কমে ৪.১৭ শতাংশে চার মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৪.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নবায়নযোগ্য জ্বালানি এখন আর শুধু সম্ভাবনা নয়, অনিবার্য বাস্তবতা: প্রধানমন্ত্রী

একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির সময় যেসব কাগজপত্র সঙ্গে রাখতে হবে

  • সর্বশেষ হালনাগাদ : ১০:৫১:৪৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৩২ বার দেখা হয়েছে

দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষের একাদশ শ্রেণিতে শিক্ষার্থীদের চূড়ান্ত ভর্তি কার্যক্রম আজ রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে। নির্বাচিত শিক্ষার্থীরা নির্ধারিত ফি ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সরাসরি স্ব স্ব কলেজে গিয়ে জমা দিয়ে এই ভর্তি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে পারবে, যা আগামী ২২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চলমান থাকবে।

গত শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) রাতে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির কেন্দ্রীয় অনলাইন পোর্টালের মাধ্যমে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়। একই সঙ্গে মাইগ্রেশন বা বিভাগ পরিবর্তনের ফলাফলও প্রকাশ করা হয়েছে, যার মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা নির্দিষ্টভাবে জানতে পেরেছে তারা কোন কলেজে ভর্তির চূড়ান্ত সুযোগ লাভ করেছে।

একাদশে ভর্তির জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র: এবার কলেজে ভর্তির এই চূড়ান্ত ধাপে শিক্ষার্থীদের নির্দিষ্ট কিছু প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নিজেদের সঙ্গে রাখতে হবে। এর মধ্যে রয়েছে—এসএসসি বা সমমানের পরীক্ষার নম্বরপত্র (মার্কসশিপ) ও মূল সনদের কপি, পরীক্ষার প্রবেশপত্র (অ্যাডমিট কার্ড), সম্প্রতি তোলা দুই থেকে চার কপি পাসপোর্ট সাইজের রঙিন ছবি, অনলাইন আবেদন নিশ্চিতকরণের প্রিন্ট কপি এবং শিক্ষার্থী ও অভিভাবকের সচল মোবাইল ফোন নম্বর।

কলেজভেদে নির্ধারিত ভর্তি ফি: শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রণীত ভর্তি নীতিমালা অনুযায়ী, এবার একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানভেদে সর্বনিম্ন ১ হাজার ৫০০ টাকা থেকে শুরু করে সর্বোচ্চ ৮ হাজার ৫০০ টাকা পর্যন্ত ফি ধার্য করা হয়েছে। এমপিওভুক্ত, নন-এমপিও, বাংলা মাধ্যম বনাম ইংরেজি ভার্সন এবং বিভাগীয় শহর ও মফস্বল অঞ্চলের তারতম্য অনুযায়ী এই ফি কম-বেশি হয়ে থাকে।

ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকার এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বাংলা ও ইংরেজি উভয় ভার্সনের জন্য সর্বোচ্চ ফি ৫ হাজার টাকা নির্ধারিত রয়েছে। অন্যদিকে ঢাকা বাদে দেশের অন্যান্য মেট্রোপলিটন এলাকা কিংবা বিভাগীয় শহরের কলেজগুলোতে ভর্তি ফি সর্বোচ্চ ৩ হাজার টাকা। এছাড়া জেলা পর্যায়ের এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানে সর্বোচ্চ ২ হাজার টাকা এবং উপজেলা বা মফস্বল অঞ্চলের এমপিওভুক্ত কলেজে এ ফি সর্বোচ্চ ১ হাজার ৫০০ টাকা পর্যন্ত নেওয়া যাবে।

নন-এমপিও কিংবা আংশিক এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকায় বাংলা ভার্সনের জন্য সর্বোচ্চ ৭ হাজার ৫০০ টাকা এবং ইংরেজি ভার্সনের জন্য সর্বোচ্চ ৮ হাজার ৫০০ টাকা ফি দিতে হবে। জেলা সদর এলাকার কলেজগুলোর জন্য বাংলা ভার্সনে ৩ হাজার এবং ইংরেজি ভার্সনে ৪ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। আর উপজেলা ও মফস্বল অঞ্চলের নন-এমপিও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বাংলা ভার্সনে ২ হাজার ৫০০ টাকা এবং ইংরেজি ভার্সনে ৩ হাজার টাকা ফি প্রযোজ্য হবে।

কোটা পদ্ধতি: প্রকাশিত নীতিমালা অনুযায়ী, দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মোট আসনের ৯৩ শতাংশ সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে যা সম্পূর্ণ মেধার ভিত্তিতে পূরণ করা হবে। এসএসসি বা সমমানের পরীক্ষার ফলাফলের ওপর ভিত্তি করে এই মেধাতালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে এবং সে অনুযায়ী শিক্ষার্থীরা কলেজ মনোনয়ন পেয়েছে।

বাকি ৭ শতাংশ কোটার মধ্যে ৫ শতাংশ আসন বীর মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের সন্তান-সন্ততিদের জন্য এবং ২ শতাংশ শিক্ষা মন্ত্রণালয় বা এর আওতাধীন বিভিন্ন দপ্তর ও সংস্থার কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সন্তানদের জন্য নির্দিষ্ট রাখা হয়েছে। উল্লেখ্য, এই বিশেষ কোটা ব্যবস্থা কেবল ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষের জন্যই কার্যকর থাকবে।

গত ১৬ সেপ্টেম্বর একাদশ শ্রেণির ভর্তির প্রাথমিক ফল প্রকাশ করা হয়েছিল। প্রকাশিত সেই পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এবার মোট ৯ লাখ ৯৫ হাজার ২৩৪ জন শিক্ষার্থী একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির জন্য আবেদন করেছিল। এর মধ্যে প্রথম ধাপে মোট ৯ লাখ ৮০ হাজার ৮১৫ জন শিক্ষার্থী বিভিন্ন কলেজে ভর্তির জন্য নির্বাচিত বা মনোনীত হয়েছিল।

পরবর্তীতে নির্বাচিতদের তাদের মনোনয়ন নিশ্চায়ন করতে বলা হয়। নির্দিষ্ট সময়ের ভেতরে ৮ লাখ ৫৩ হাজার ৪৪১ জন শিক্ষার্থী সফলভাবে সেই নিশ্চায়ন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে। তবে বাকি ১ লাখ ২৭ হাজার ৩৭৪ জন শিক্ষার্থী নির্ধারিত সময়ে নিশ্চায়ন না করায় তারা প্রথম ধাপের ভর্তি প্রক্রিয়া থেকে ছিটকে পড়েছে।

এ বিষয়ে বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি এবং ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. সৈয়দ আক্তারুজ্জামান সংবাদমাধ্যমকে জানান, যারা নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে নিশ্চায়ন সম্পন্ন করেনি, তাদের প্রাথমিক মনোনয়ন বাতিল বলে গণ্য হবে। বর্তমান ধাপে নির্বাচিত ৮ লাখ ৫৩ হাজার ৪৪১ জন শিক্ষার্থীর ভর্তি কার্যক্রম শেষ হওয়ার পর কর্তৃপক্ষ পুনরায় নতুন করে আবেদন গ্রহণ করবে। সে সময় বাদ পড়া শিক্ষার্থীরা পুনরায় আবেদন করে ভর্তির সুযোগ অর্জন করতে পারবে।

জনপ্রিয়

বিভাজনের রাজনীতি নয়, ঐক্য ও বাস্তবসম্মত সমাধান চায় মার্কিন জনগণ: বারাক ওবামা

একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির সময় যেসব কাগজপত্র সঙ্গে রাখতে হবে

সর্বশেষ হালনাগাদ : ১০:৫১:৪৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষের একাদশ শ্রেণিতে শিক্ষার্থীদের চূড়ান্ত ভর্তি কার্যক্রম আজ রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে। নির্বাচিত শিক্ষার্থীরা নির্ধারিত ফি ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সরাসরি স্ব স্ব কলেজে গিয়ে জমা দিয়ে এই ভর্তি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে পারবে, যা আগামী ২২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চলমান থাকবে।

গত শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) রাতে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির কেন্দ্রীয় অনলাইন পোর্টালের মাধ্যমে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়। একই সঙ্গে মাইগ্রেশন বা বিভাগ পরিবর্তনের ফলাফলও প্রকাশ করা হয়েছে, যার মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা নির্দিষ্টভাবে জানতে পেরেছে তারা কোন কলেজে ভর্তির চূড়ান্ত সুযোগ লাভ করেছে।

একাদশে ভর্তির জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র: এবার কলেজে ভর্তির এই চূড়ান্ত ধাপে শিক্ষার্থীদের নির্দিষ্ট কিছু প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নিজেদের সঙ্গে রাখতে হবে। এর মধ্যে রয়েছে—এসএসসি বা সমমানের পরীক্ষার নম্বরপত্র (মার্কসশিপ) ও মূল সনদের কপি, পরীক্ষার প্রবেশপত্র (অ্যাডমিট কার্ড), সম্প্রতি তোলা দুই থেকে চার কপি পাসপোর্ট সাইজের রঙিন ছবি, অনলাইন আবেদন নিশ্চিতকরণের প্রিন্ট কপি এবং শিক্ষার্থী ও অভিভাবকের সচল মোবাইল ফোন নম্বর।

কলেজভেদে নির্ধারিত ভর্তি ফি: শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রণীত ভর্তি নীতিমালা অনুযায়ী, এবার একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানভেদে সর্বনিম্ন ১ হাজার ৫০০ টাকা থেকে শুরু করে সর্বোচ্চ ৮ হাজার ৫০০ টাকা পর্যন্ত ফি ধার্য করা হয়েছে। এমপিওভুক্ত, নন-এমপিও, বাংলা মাধ্যম বনাম ইংরেজি ভার্সন এবং বিভাগীয় শহর ও মফস্বল অঞ্চলের তারতম্য অনুযায়ী এই ফি কম-বেশি হয়ে থাকে।

ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকার এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বাংলা ও ইংরেজি উভয় ভার্সনের জন্য সর্বোচ্চ ফি ৫ হাজার টাকা নির্ধারিত রয়েছে। অন্যদিকে ঢাকা বাদে দেশের অন্যান্য মেট্রোপলিটন এলাকা কিংবা বিভাগীয় শহরের কলেজগুলোতে ভর্তি ফি সর্বোচ্চ ৩ হাজার টাকা। এছাড়া জেলা পর্যায়ের এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানে সর্বোচ্চ ২ হাজার টাকা এবং উপজেলা বা মফস্বল অঞ্চলের এমপিওভুক্ত কলেজে এ ফি সর্বোচ্চ ১ হাজার ৫০০ টাকা পর্যন্ত নেওয়া যাবে।

নন-এমপিও কিংবা আংশিক এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকায় বাংলা ভার্সনের জন্য সর্বোচ্চ ৭ হাজার ৫০০ টাকা এবং ইংরেজি ভার্সনের জন্য সর্বোচ্চ ৮ হাজার ৫০০ টাকা ফি দিতে হবে। জেলা সদর এলাকার কলেজগুলোর জন্য বাংলা ভার্সনে ৩ হাজার এবং ইংরেজি ভার্সনে ৪ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। আর উপজেলা ও মফস্বল অঞ্চলের নন-এমপিও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বাংলা ভার্সনে ২ হাজার ৫০০ টাকা এবং ইংরেজি ভার্সনে ৩ হাজার টাকা ফি প্রযোজ্য হবে।

কোটা পদ্ধতি: প্রকাশিত নীতিমালা অনুযায়ী, দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মোট আসনের ৯৩ শতাংশ সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে যা সম্পূর্ণ মেধার ভিত্তিতে পূরণ করা হবে। এসএসসি বা সমমানের পরীক্ষার ফলাফলের ওপর ভিত্তি করে এই মেধাতালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে এবং সে অনুযায়ী শিক্ষার্থীরা কলেজ মনোনয়ন পেয়েছে।

বাকি ৭ শতাংশ কোটার মধ্যে ৫ শতাংশ আসন বীর মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের সন্তান-সন্ততিদের জন্য এবং ২ শতাংশ শিক্ষা মন্ত্রণালয় বা এর আওতাধীন বিভিন্ন দপ্তর ও সংস্থার কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সন্তানদের জন্য নির্দিষ্ট রাখা হয়েছে। উল্লেখ্য, এই বিশেষ কোটা ব্যবস্থা কেবল ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষের জন্যই কার্যকর থাকবে।

গত ১৬ সেপ্টেম্বর একাদশ শ্রেণির ভর্তির প্রাথমিক ফল প্রকাশ করা হয়েছিল। প্রকাশিত সেই পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এবার মোট ৯ লাখ ৯৫ হাজার ২৩৪ জন শিক্ষার্থী একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির জন্য আবেদন করেছিল। এর মধ্যে প্রথম ধাপে মোট ৯ লাখ ৮০ হাজার ৮১৫ জন শিক্ষার্থী বিভিন্ন কলেজে ভর্তির জন্য নির্বাচিত বা মনোনীত হয়েছিল।

পরবর্তীতে নির্বাচিতদের তাদের মনোনয়ন নিশ্চায়ন করতে বলা হয়। নির্দিষ্ট সময়ের ভেতরে ৮ লাখ ৫৩ হাজার ৪৪১ জন শিক্ষার্থী সফলভাবে সেই নিশ্চায়ন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে। তবে বাকি ১ লাখ ২৭ হাজার ৩৭৪ জন শিক্ষার্থী নির্ধারিত সময়ে নিশ্চায়ন না করায় তারা প্রথম ধাপের ভর্তি প্রক্রিয়া থেকে ছিটকে পড়েছে।

এ বিষয়ে বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি এবং ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. সৈয়দ আক্তারুজ্জামান সংবাদমাধ্যমকে জানান, যারা নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে নিশ্চায়ন সম্পন্ন করেনি, তাদের প্রাথমিক মনোনয়ন বাতিল বলে গণ্য হবে। বর্তমান ধাপে নির্বাচিত ৮ লাখ ৫৩ হাজার ৪৪১ জন শিক্ষার্থীর ভর্তি কার্যক্রম শেষ হওয়ার পর কর্তৃপক্ষ পুনরায় নতুন করে আবেদন গ্রহণ করবে। সে সময় বাদ পড়া শিক্ষার্থীরা পুনরায় আবেদন করে ভর্তির সুযোগ অর্জন করতে পারবে।