Dhaka ০৩:০০ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন মজুরি কাঠামো চূড়ান্ত, শ্রমিকদের বেতন জানুয়ারি থেকে কার্যকর বড়দিন উদযাপনে খ্রিষ্টান কল্যাণ ট্রাস্টকে ৩ কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী কারখানা বন্ধের চক্রান্ত ও উসকানিকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ পোশাকশিল্পে টানা অস্থিতিশীলতায় চরম উদ্বিগ্ন উদ্যোক্তারা দেশে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর ৮৪ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত: বিশ্বব্যাংক ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাঁড়াল ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা ডলারের বিনিময় হারে ঊর্ধ্বগতি, ব্যাংকের এমডিদের সতর্ক করলেন গভর্নর উদ্যোক্তাদের অনীহায় বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি কমে ৪.১৭ শতাংশে চার মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৪.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নবায়নযোগ্য জ্বালানি এখন আর শুধু সম্ভাবনা নয়, অনিবার্য বাস্তবতা: প্রধানমন্ত্রী

দিনাজপুরের বোচাগঞ্জে দুই বাড়িতে অভিযান, ১৯৪ বস্তা সার জব্দ

  • সর্বশেষ হালনাগাদ : ০২:২৭:৫০ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ নভেম্বর ২০২৬
  • ২ বার দেখা হয়েছে

দিনাজপুর জেলার বোচাগঞ্জ উপজেলার দুটি ভিন্ন গ্রামে সুনির্দিষ্ট গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আকস্মিক অভিযান চালিয়ে অবৈধভাবে মজুত করা সর্বমোট ১৯৪ বস্তা বিভিন্ন ধরনের রাসায়নিক সার জব্দ করেছে একটি ভ্রাম্যমাণ আদালত।

গত মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) রাতে প্রায় ১১টার দিকে উপজেলার ২ নম্বর ইশানিয়া ইউনিয়নের বর্থ এবং উত্তর কৃষ্ণপুর গ্রামের দুটি পৃথক বসতবাড়িতে এই সাঁড়াশি অভিযান পরিচালনা করা হয়। ভ্রাম্যমাণ আদালতের এই অভিযান পরিচালনা করেন বোচাগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মারুফ হাসান। অভিযানকালে তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা অতিরিক্ত কৃষি অফিসার খুরশীদ হাসান এবং বোচাগঞ্জ থানার একদল আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য।

অভিযান চলাকালে বর্থ গ্রামের বাসিন্দা নুরুল হকের ছেলে মুক্তা আলমের বসতবাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে টিএসপি, এমওপি, ডিএপি ও ইউরিয়াসহ মোট ১৪০ বস্তা বিভিন্ন ধরনের সার অবৈধভাবে মজুত অবস্থায় জব্দ করা হয়। তবে অভিযানের সময় অভিযুক্ত মুক্তা আলমকে বাড়িতে উপস্থিত পাওয়া যায়নি। এই পরিস্থিতিতে তাঁর বিরুদ্ধে অবিলম্বে একটি নিয়মিত মামলা দায়ের করার জন্য সংশ্লিষ্ট উপজেলা কৃষি অফিসারকে কঠোর নির্দেশ প্রদান করেন ভ্রাম্যমাণ আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট। এ সময় জব্দকৃত এই বিপুল পরিমাণ সার উপজেলা কৃষি অফিসারের নিজস্ব জিম্মায় নিরাপদ হেফাজতে রাখা হয় এবং পরবর্তীতে বিজ্ঞ আদালতের সুনির্দিষ্ট আদেশ প্রাপ্তি সাপেক্ষে আইনানুগ পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানানো হয়েছে।

অন্যদিকে, একই উপজেলার উত্তর কৃষ্ণপুর গ্রামের আবেদ আলীর ছেলে বেলাল হোসেনের বাড়ি থেকে আরও ৫৪ বস্তা বিভিন্ন ধরনের সার জব্দ করা হয়। অবৈধভাবে সার মজুত ও সংরক্ষণের অপরাধে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে অভিযুক্ত বেলাল হোসেনকে নগদ ১৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়। এছাড়া জব্দকৃত ওই ৫৪ বস্তা সার সরকারি নির্ধারিত মূল্যে উন্মুক্ত বাজারে দ্রুত বিক্রি করে বিক্রয়লব্ধ সমুদয় অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা প্রদান করার জন্য উপজেলা কৃষি কর্মকর্তাকে সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বোচাগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মারুফ হাসান বুধবার গণমাধ্যমকে জানান যে, সম্পূর্ণ গোপন সংবাদের ভিক্তিতেই এই ঝটিকা অভিযান পরিচালনা করা হয়েছিল। কৃষকদের অধিকার রক্ষা এবং সারের কৃত্রিম সংকট রোধে এ ধরনের জনকল্যাণমুখী অভিযান ভবিষ্যতেও নিয়মিতভাবে অব্যাহত থাকবে।

জনপ্রিয়

মোংলা বন্দরে দুটি আধুনিক কন্টেইনার জেটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী

দিনাজপুরের বোচাগঞ্জে দুই বাড়িতে অভিযান, ১৯৪ বস্তা সার জব্দ

সর্বশেষ হালনাগাদ : ০২:২৭:৫০ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ নভেম্বর ২০২৬

দিনাজপুর জেলার বোচাগঞ্জ উপজেলার দুটি ভিন্ন গ্রামে সুনির্দিষ্ট গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আকস্মিক অভিযান চালিয়ে অবৈধভাবে মজুত করা সর্বমোট ১৯৪ বস্তা বিভিন্ন ধরনের রাসায়নিক সার জব্দ করেছে একটি ভ্রাম্যমাণ আদালত।

গত মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) রাতে প্রায় ১১টার দিকে উপজেলার ২ নম্বর ইশানিয়া ইউনিয়নের বর্থ এবং উত্তর কৃষ্ণপুর গ্রামের দুটি পৃথক বসতবাড়িতে এই সাঁড়াশি অভিযান পরিচালনা করা হয়। ভ্রাম্যমাণ আদালতের এই অভিযান পরিচালনা করেন বোচাগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মারুফ হাসান। অভিযানকালে তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা অতিরিক্ত কৃষি অফিসার খুরশীদ হাসান এবং বোচাগঞ্জ থানার একদল আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য।

অভিযান চলাকালে বর্থ গ্রামের বাসিন্দা নুরুল হকের ছেলে মুক্তা আলমের বসতবাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে টিএসপি, এমওপি, ডিএপি ও ইউরিয়াসহ মোট ১৪০ বস্তা বিভিন্ন ধরনের সার অবৈধভাবে মজুত অবস্থায় জব্দ করা হয়। তবে অভিযানের সময় অভিযুক্ত মুক্তা আলমকে বাড়িতে উপস্থিত পাওয়া যায়নি। এই পরিস্থিতিতে তাঁর বিরুদ্ধে অবিলম্বে একটি নিয়মিত মামলা দায়ের করার জন্য সংশ্লিষ্ট উপজেলা কৃষি অফিসারকে কঠোর নির্দেশ প্রদান করেন ভ্রাম্যমাণ আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট। এ সময় জব্দকৃত এই বিপুল পরিমাণ সার উপজেলা কৃষি অফিসারের নিজস্ব জিম্মায় নিরাপদ হেফাজতে রাখা হয় এবং পরবর্তীতে বিজ্ঞ আদালতের সুনির্দিষ্ট আদেশ প্রাপ্তি সাপেক্ষে আইনানুগ পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানানো হয়েছে।

অন্যদিকে, একই উপজেলার উত্তর কৃষ্ণপুর গ্রামের আবেদ আলীর ছেলে বেলাল হোসেনের বাড়ি থেকে আরও ৫৪ বস্তা বিভিন্ন ধরনের সার জব্দ করা হয়। অবৈধভাবে সার মজুত ও সংরক্ষণের অপরাধে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে অভিযুক্ত বেলাল হোসেনকে নগদ ১৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়। এছাড়া জব্দকৃত ওই ৫৪ বস্তা সার সরকারি নির্ধারিত মূল্যে উন্মুক্ত বাজারে দ্রুত বিক্রি করে বিক্রয়লব্ধ সমুদয় অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা প্রদান করার জন্য উপজেলা কৃষি কর্মকর্তাকে সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বোচাগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মারুফ হাসান বুধবার গণমাধ্যমকে জানান যে, সম্পূর্ণ গোপন সংবাদের ভিক্তিতেই এই ঝটিকা অভিযান পরিচালনা করা হয়েছিল। কৃষকদের অধিকার রক্ষা এবং সারের কৃত্রিম সংকট রোধে এ ধরনের জনকল্যাণমুখী অভিযান ভবিষ্যতেও নিয়মিতভাবে অব্যাহত থাকবে।