চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় ২৯৩টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে কোনো শিক্ষার্থীই পাস করতে পারেনি। গত বছরের তুলনায় এমন শতভাগ অকৃতকার্য প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ৯১টি বেড়েছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের এই ফলাফলের কারণ খতিয়ে দেখতে শোকজ, পাঠদানের অনুমতি বাতিল এবং এমপিও বন্ধের মতো কঠোর শাস্তিমূলক পদক্ষেপ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিচ্ছে শিক্ষা প্রশাসন।
পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এ বছর ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের ১৮১টি, মাদ্রাসা বোর্ডের ৫৫টি এবং কারিগরি বোর্ডের ৫৭টি প্রতিষ্ঠানের সব পরীক্ষার্থী ফেল করেছে। ময়মনসিংহ বোর্ডের ১৯টি, দিনাজপুর বোর্ডের ৪৯টি এবং রাজশাহী বোর্ডের ৩৯টি প্রতিষ্ঠানে পাসের হার শূন্য। সামগ্রিকভাবে সারা দেশে গড় পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৫২ দশমিক ১২ শতাংশ, যা গত ২২ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন।
ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান এবং আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সভাপতি অধ্যাপক সৈয়দ আখতারুজ্জামান জানান, গত পাঁচ বছরের ফলাফল পর্যালোচনা করে ধারাবাহিক ব্যর্থতার ওপর ভিত্তি করে এসব প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এক বছর শূন্য পাস করলে শোকজ, দুবার হলে স্বীকৃতি বাতিল এবং তিনবার শতভাগ ফেল করলে এমপিও বন্ধ বা শিক্ষকদের স্থানান্তরের সুপারিশ করা হবে। ইতিমধ্যে ঢাকা বোর্ডের অধীন শূন্য পাস করা ২৫টি প্রতিষ্ঠানকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

























