কিশোরগঞ্জের মিঠামইনে মাছ ধরা ও নিষিদ্ধ রিং জাল চুরির ঘটনাকে কেন্দ্র করে বর্তমান ও সাবেক দুই ইউপি সদস্যের অনুসারীদের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। উভয়পক্ষের লোকজনের মধ্যে চলা এই সংঘর্ষে অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছেন। শুক্রবার সকাল ১০টার দিকে উপজেলার বৈরাটি ইউনিয়নের ইমামনগর গ্রামে এই অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, হাওরে মাছ ধরা এবং রিং জাল চুরি নিয়ে ইমামনগর গ্রামের বর্তমান ইউপি সদস্য হান্নান মিয়া ও সাবেক ইউপি সদস্য আবদুল লতিফ গ্রুপের লোকজনের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। এই দীর্ঘমেয়াদী দ্বন্দ্ব মীমাংসার উদ্দেশ্যে শুক্রবার সকালে বৈরাটি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান তাজুল ইসলাম এবং এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে একটি সালিশ বৈঠকের আয়োজন করা হয়েছিল।
তবে নির্ধারিত সালিশ শুরু হওয়ার আগেই গ্রামসংলগ্ন খোলা মাঠে হঠাৎ করেই দুই পক্ষের লোকজন দা, বল্লম ও টেঁটাসহ বিভিন্ন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে একে অপরের ওপর চড়াও হন এবং সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ৩০ জন আহত হন। পরে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এসে আহতদের উদ্ধার করে দ্রুত বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যান।
এ বিষয়ে বৈরাটি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান তাজুল ইসলাম বলেন, দুই পক্ষের মধ্যকার বিরোধ শান্তিপূর্ণভাবে মীমাংসা করার জন্যই তিনি গ্রামে উপস্থিত হয়েছিলেন। কিন্তু সবার উপস্থিতিতেই দুই পক্ষ হঠাৎ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। পরবর্তীতে স্থানীয়দের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় পরিস্থিতি শান্ত করা হয়। এদিকে অষ্টগ্রাম সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মো. দিদারুল ইসলাম জানান, খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে এবং বর্তমানে এলাকার পরিস্থিতি সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।


























