Dhaka ০২:২২ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন মজুরি কাঠামো চূড়ান্ত, শ্রমিকদের বেতন জানুয়ারি থেকে কার্যকর বড়দিন উদযাপনে খ্রিষ্টান কল্যাণ ট্রাস্টকে ৩ কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী কারখানা বন্ধের চক্রান্ত ও উসকানিকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ পোশাকশিল্পে টানা অস্থিতিশীলতায় চরম উদ্বিগ্ন উদ্যোক্তারা দেশে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর ৮৪ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত: বিশ্বব্যাংক ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাঁড়াল ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা ডলারের বিনিময় হারে ঊর্ধ্বগতি, ব্যাংকের এমডিদের সতর্ক করলেন গভর্নর উদ্যোক্তাদের অনীহায় বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি কমে ৪.১৭ শতাংশে চার মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৪.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নবায়নযোগ্য জ্বালানি এখন আর শুধু সম্ভাবনা নয়, অনিবার্য বাস্তবতা: প্রধানমন্ত্রী

এল নিনোর ভয়াবহ প্রভাবে বলিভিয়ায় জরুরি অবস্থা ঘোষণা

  • সর্বশেষ হালনাগাদ : ১১:০৮:৩৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১ নভেম্বর ২০২৬
  • ১১ বার দেখা হয়েছে

এল নিনো আবহাওয়াজনিত প্রাকৃতিক ঘটনার প্রভাব মোকাবিলায় বলিভিয়াজুড়ে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয়েছে। বন্যা ও খরার ভয়াবহ প্রভাব মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় সম্পদ ব্যবহারের সুযোগ তৈরি করতে দেশটির সরকার এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। একই সঙ্গে দুর্যোগে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতে উদ্ধারকারী দল মোতায়েন বাড়ানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

গত শনিবার জরুরি অবস্থার ঘোষণা দিয়ে একটি ডিক্রিতে সই করেন বলিভিয়ার প্রেসিডেন্ট রদ্রিগো পাজ। তিনি বলেন, এল নিনোর কারণে খরা ও বন্যার ‘খুব ভয়াবহ প্রভাব’ পড়তে পারে। এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় সব প্রতিষ্ঠানের সহযোগিতা প্রয়োজন।

সরকারের চলতি সপ্তাহের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বলিভিয়ার ৯টি বিভাগের মধ্যে ৬টিতে খরার প্রভাব পড়েছে। এতে ৭৮ হাজার পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং ৭৫ হাজারের বেশি গবাদি পশু মারা গেছে।

বলিভিয়ায় বন্যার ঝুঁকিও রয়েছে। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে দেশটির সান্তা ক্রুজ অঞ্চলে বন্যায় অসংখ্য মানুষের মৃত্যু হয়েছিল।

এদিকে প্রতিবেশী চিলির রাজধানী সান্তিয়াগোতে এ বছরের অক্টোবরে রেকর্ড পরিমাণ বৃষ্টিপাত হয়েছে। অন্যদিকে, গত মাসে পেরুতে দাবানলে অন্তত ১২ জনের মৃত্যু হয়েছে।

এল নিনো বৈশ্বিক জলবায়ুর একটি প্রাকৃতিক ঘটনা, যা সাধারণত প্রতি দুই থেকে সাত বছর পরপর দেখা যায়। এ সময় প্রশান্ত মহাসাগরের পানির তাপমাত্রা বেড়ে যায় এবং এর প্রভাবে বিশ্বজুড়ে বায়ুপ্রবাহ, বায়ুচাপ ও বৃষ্টিপাতের ধরনে পরিবর্তন আসে। ফলে বিভিন্ন অঞ্চলে চরম আবহাওয়ার পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে।

এল নিনোর তীব্রতা সব সময় এক রকম থাকে না এবং ভৌগোলিক অবস্থান অনুযায়ী এর প্রভাবও ভিন্ন হয়। তবে চলতি চক্রটি ইতিহাসের সবচেয়ে শক্তিশালী এল নিনো হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। ২০২৬ সালের শেষ দিকে এর প্রভাব সবচেয়ে বেশি হওয়ার কথা, যা ২০২৭ সালজুড়েও অব্যাহত থাকতে পারে।

বিজ্ঞানীদের পূর্বাভাস অনুযায়ী, এল নিনোর কারণে বিশ্বজুড়ে ৪ লাখ ৫০ হাজারের বেশি মানুষের মৃত্যু হতে পারে। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে দরিদ্র দেশগুলোর।

এর আগে গত সেপ্টেম্বরের শুরুতে বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা (ডব্লিউএমও) জানিয়েছিল, ২০২৭ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত এল নিনোর প্রভাব অব্যাহত থাকার সম্ভাবনা প্রায় শতভাগ।

জনপ্রিয়

বাংলাদেশে পরিবেশবান্ধব হাইব্রিড গাড়ি সংযোজন কারখানা স্থাপনের পরিকল্পনা করছে টয়োটা

এল নিনোর ভয়াবহ প্রভাবে বলিভিয়ায় জরুরি অবস্থা ঘোষণা

সর্বশেষ হালনাগাদ : ১১:০৮:৩৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১ নভেম্বর ২০২৬

এল নিনো আবহাওয়াজনিত প্রাকৃতিক ঘটনার প্রভাব মোকাবিলায় বলিভিয়াজুড়ে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয়েছে। বন্যা ও খরার ভয়াবহ প্রভাব মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় সম্পদ ব্যবহারের সুযোগ তৈরি করতে দেশটির সরকার এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। একই সঙ্গে দুর্যোগে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতে উদ্ধারকারী দল মোতায়েন বাড়ানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

গত শনিবার জরুরি অবস্থার ঘোষণা দিয়ে একটি ডিক্রিতে সই করেন বলিভিয়ার প্রেসিডেন্ট রদ্রিগো পাজ। তিনি বলেন, এল নিনোর কারণে খরা ও বন্যার ‘খুব ভয়াবহ প্রভাব’ পড়তে পারে। এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় সব প্রতিষ্ঠানের সহযোগিতা প্রয়োজন।

সরকারের চলতি সপ্তাহের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বলিভিয়ার ৯টি বিভাগের মধ্যে ৬টিতে খরার প্রভাব পড়েছে। এতে ৭৮ হাজার পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং ৭৫ হাজারের বেশি গবাদি পশু মারা গেছে।

বলিভিয়ায় বন্যার ঝুঁকিও রয়েছে। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে দেশটির সান্তা ক্রুজ অঞ্চলে বন্যায় অসংখ্য মানুষের মৃত্যু হয়েছিল।

এদিকে প্রতিবেশী চিলির রাজধানী সান্তিয়াগোতে এ বছরের অক্টোবরে রেকর্ড পরিমাণ বৃষ্টিপাত হয়েছে। অন্যদিকে, গত মাসে পেরুতে দাবানলে অন্তত ১২ জনের মৃত্যু হয়েছে।

এল নিনো বৈশ্বিক জলবায়ুর একটি প্রাকৃতিক ঘটনা, যা সাধারণত প্রতি দুই থেকে সাত বছর পরপর দেখা যায়। এ সময় প্রশান্ত মহাসাগরের পানির তাপমাত্রা বেড়ে যায় এবং এর প্রভাবে বিশ্বজুড়ে বায়ুপ্রবাহ, বায়ুচাপ ও বৃষ্টিপাতের ধরনে পরিবর্তন আসে। ফলে বিভিন্ন অঞ্চলে চরম আবহাওয়ার পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে।

এল নিনোর তীব্রতা সব সময় এক রকম থাকে না এবং ভৌগোলিক অবস্থান অনুযায়ী এর প্রভাবও ভিন্ন হয়। তবে চলতি চক্রটি ইতিহাসের সবচেয়ে শক্তিশালী এল নিনো হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। ২০২৬ সালের শেষ দিকে এর প্রভাব সবচেয়ে বেশি হওয়ার কথা, যা ২০২৭ সালজুড়েও অব্যাহত থাকতে পারে।

বিজ্ঞানীদের পূর্বাভাস অনুযায়ী, এল নিনোর কারণে বিশ্বজুড়ে ৪ লাখ ৫০ হাজারের বেশি মানুষের মৃত্যু হতে পারে। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে দরিদ্র দেশগুলোর।

এর আগে গত সেপ্টেম্বরের শুরুতে বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা (ডব্লিউএমও) জানিয়েছিল, ২০২৭ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত এল নিনোর প্রভাব অব্যাহত থাকার সম্ভাবনা প্রায় শতভাগ।