Dhaka ০৩:০৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন মজুরি কাঠামো চূড়ান্ত, শ্রমিকদের বেতন জানুয়ারি থেকে কার্যকর বড়দিন উদযাপনে খ্রিষ্টান কল্যাণ ট্রাস্টকে ৩ কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী কারখানা বন্ধের চক্রান্ত ও উসকানিকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ পোশাকশিল্পে টানা অস্থিতিশীলতায় চরম উদ্বিগ্ন উদ্যোক্তারা দেশে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর ৮৪ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত: বিশ্বব্যাংক ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাঁড়াল ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা ডলারের বিনিময় হারে ঊর্ধ্বগতি, ব্যাংকের এমডিদের সতর্ক করলেন গভর্নর উদ্যোক্তাদের অনীহায় বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি কমে ৪.১৭ শতাংশে চার মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৪.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নবায়নযোগ্য জ্বালানি এখন আর শুধু সম্ভাবনা নয়, অনিবার্য বাস্তবতা: প্রধানমন্ত্রী

মোংলা বন্দরে দুটি আধুনিক কন্টেইনার জেটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী

  • সর্বশেষ হালনাগাদ : ০২:৩৪:৩৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ নভেম্বর ২০২৬
  • ১ বার দেখা হয়েছে

দেশের দক্ষিণ-পশ্চিম এবং উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলকে কেন্দ্র করে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের চাকা আরও গতিশীল করতে মোংলা বন্দরে এক বিশাল অবকাঠামোগত উন্নয়নের কর্মযজ্ঞ শুরু হতে যাচ্ছে। বন্দরটির সক্ষমতা বহুগুণ বাড়িয়ে আন্তর্জাতিক মানের বাণিজ্যিক হাব হিসেবে গড়ে তুলতে আগামীকাল ৫ নভেম্বর মোংলা বন্দরের আধুনিকায়ন ও সম্প্রসারণ প্রকল্পের আওতায় নতুন দুটি আধুনিক কন্টেইনার জেটি নির্মাণকাজের শুভ ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করতে বাগেরহাটে আসছেন প্রধানমন্ত্রী।

প্রকল্পের নানা দিক এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরে মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার এডমিরাল আরিফ আহমেদ মোস্তফা জানান, প্রায় ৪০৬৮ কোটি টাকা ব্যয়সংবলিত এই মেগা প্রকল্পটি সফলভাবে বাস্তবায়িত হলে মোংলা বন্দরের পণ্য হ্যান্ডেলিংয়ের সক্ষমতা এক অভূতপূর্ব উচ্চতায় পৌঁছাবে। এই বিশাল প্রকল্পের অধীনে ৩৬৮ মিটার দীর্ঘ দুটি আধুনিক কন্টেইনার টার্মিনাল, বিশাল আয়তনের কন্টেইনার ইয়ার্ড এবং সর্বাধুনিক টার্মিনাল অপারেটিং সিস্টেমসহ প্রয়োজনীয় কার্গো হ্যান্ডেলিং ইকুইপমেন্ট যুক্ত করা হবে। এর ফলে বন্দরের পণ্য খালাস ও লোড করার গতি আগের তুলনায় বহুগুণ বৃদ্ধি পাবে। প্রকল্পটির কাজ সম্পূর্ণ হলে মোংলা বন্দর প্রতি ঘণ্টায় ৩০টিরও বেশি এবং বছরে প্রায় ৪ লাখ টিইইউএস (TEUs) কন্টেইনার হ্যান্ডেল করার নতুন রেকর্ড ও সক্ষমতা অর্জন করবে। বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যানের মতে, এই প্রকল্প শুধু বন্দর ব্যবহারকারী ব্যবসায়ীদেরই উপকৃত করবে না, বরং ব্যাপক কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে জাতীয় অর্থনীতি এবং দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের সামগ্রিক আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে এক যুগান্তকারী ও সুদূরপ্রসারী ভূমিকা পালন করবে।

প্রধানমন্ত্রীর এই ঐতিহাসিক সফর ও সার্বিক কর্মসূচির বিস্তারিত বিবরণ দিয়ে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন প্রতিমন্ত্রী ড. শেখ ফরিদুর ইসলাম জানান, সফরকালে মোংলা বন্দরের আধুনিক অবকাঠামোর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের মাহেন্দ্রক্ষণে ‘ইনভেস্ট বাংলাদেশ’ এবং বিশ্বখ্যাত ‘চায়না রেলওয়ে কনস্ট্রাকশন কর্পোরেশন’-এর মধ্যকার একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি স্বাক্ষরিত হবে। এই চুক্তির সফল বাস্তবায়নের ফলে মোংলা বন্দরের সঙ্গে সরাসরি রেল যোগাযোগ স্থাপন করা সম্ভব হবে। যার মাধ্যমে ঢাকার কমলাপুর আইসিডি থেকে ছেড়ে আসা কন্টেইনারবাহী ট্রেন সরাসরি মোংলা বন্দরের ভেতরে গিয়ে থামবে এবং সেখান থেকেই সরাসরি জাহাজে পণ্য লোড-আনলোড করা যাবে। এর ফলে পণ্য পরিবহনের খরচ এবং ব্যয়িত সময় অনেকাংশে হ্রাস পাবে, যা দেশি-বিদেশি ব্যবসায়ী ও বিনিয়োগকারীদের মোংলা বন্দর ব্যবহারে দারুণভাবে উৎসাহিত ও আকৃষ্ট করবে।

প্রতিমন্ত্রী ড. শেখ ফরিদুর ইসলাম প্রধানমন্ত্রীর সফরের পরবর্তী ব্যস্ত সূচি সম্পর্কে আরও জানান যে, মোংলা বন্দরের নির্ধারিত কর্মসূচি সফলভাবে শেষ করে প্রধানমন্ত্রী সড়কপথে বাগেরহাটের ঐতিহাসিক হযরত খানজাহান আলী (রহ.)-এর পবিত্র মাজার প্রাঙ্গণে উপস্থিত হয়ে মাজার জিয়ারত করবেন। পরবর্তীতে তিনি সড়কপথে খুলনার উদ্দেশে রওনা হয়ে স্থানীয় সার্কিট হাউজে মধ্যাহ্নবিরতি সম্পন্ন করবেন। এরপর বিকেলে খুলনা জেলা স্টেডিয়ামে বর্ণাঢ্য আয়োজনে অনুষ্ঠিত বিভাগীয় ‘নতুন কুঁড়ি’-এর দ্বিতীয় পর্বের শুভ উদ্বোধন করবেন এবং নির্ধারিত সকল কর্মসূচি শেষ করে বিমানযোগে ঢাকায় প্রত্যাবর্তন করবেন।

প্রধানমন্ত্রীর এই আগমন ও সফরকে কেন্দ্র করে বাগেরহাট জেলা বিএনপির সভাপতি এ টি এম আকরাম হোসেন তালিম জানিয়েছেন যে, দলীয় প্রধান তথা বর্তমান প্রধানমন্ত্রীকে উষ্ণ অভ্যর্থনা ও বরণ করে নিতে স্থানীয় নেতাকর্মীরা সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছেন। সাধারণ মানুষের মাঝেও দলের প্রধানের এই সফরকে কেন্দ্র করে ব্যাপক আগ্রহ ও স্বতঃস্ফূর্ত উচ্ছ্বাস লক্ষ্য করা যাচ্ছে, যা এই অঞ্চলের সার্বিক রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে দারুণ গতি আনবে।

অন্যদিকে প্রধানমন্ত্রীর এই সফরকে সম্পূর্ণরূপে নির্বিঘ্ন ও নিরাপদ রাখার স্বার্থে বাগেরহাটের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জামিরুল ইসলাম জানিয়েছেন যে, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তার এক বিশাল বেষ্টনী গড়ে তোলা হয়েছে। প্রতিটি কর্মসূচি শান্তিপূর্ণ ও সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন করার লক্ষে চার স্তরের অত্যন্ত কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থার পাশাপাশি স্থানীয় প্রশাসন ও পুলিশ সদস্যরা সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন।

এই মেগা প্রকল্পের ঐতিহাসিক বাস্তবায়ন এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর আকস্মিক এই আগমনকে কেন্দ্র করে বন্দর এলাকার শিপিং এজেন্ট, স্টিভেডোর কোম্পানি এবং স্থানীয় সাধারণ ব্যবসায়ী মহলে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা ও উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়েছে।

জনপ্রিয়

মোংলা বন্দরে দুটি আধুনিক কন্টেইনার জেটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী

মোংলা বন্দরে দুটি আধুনিক কন্টেইনার জেটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী

সর্বশেষ হালনাগাদ : ০২:৩৪:৩৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ নভেম্বর ২০২৬

দেশের দক্ষিণ-পশ্চিম এবং উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলকে কেন্দ্র করে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের চাকা আরও গতিশীল করতে মোংলা বন্দরে এক বিশাল অবকাঠামোগত উন্নয়নের কর্মযজ্ঞ শুরু হতে যাচ্ছে। বন্দরটির সক্ষমতা বহুগুণ বাড়িয়ে আন্তর্জাতিক মানের বাণিজ্যিক হাব হিসেবে গড়ে তুলতে আগামীকাল ৫ নভেম্বর মোংলা বন্দরের আধুনিকায়ন ও সম্প্রসারণ প্রকল্পের আওতায় নতুন দুটি আধুনিক কন্টেইনার জেটি নির্মাণকাজের শুভ ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করতে বাগেরহাটে আসছেন প্রধানমন্ত্রী।

প্রকল্পের নানা দিক এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরে মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার এডমিরাল আরিফ আহমেদ মোস্তফা জানান, প্রায় ৪০৬৮ কোটি টাকা ব্যয়সংবলিত এই মেগা প্রকল্পটি সফলভাবে বাস্তবায়িত হলে মোংলা বন্দরের পণ্য হ্যান্ডেলিংয়ের সক্ষমতা এক অভূতপূর্ব উচ্চতায় পৌঁছাবে। এই বিশাল প্রকল্পের অধীনে ৩৬৮ মিটার দীর্ঘ দুটি আধুনিক কন্টেইনার টার্মিনাল, বিশাল আয়তনের কন্টেইনার ইয়ার্ড এবং সর্বাধুনিক টার্মিনাল অপারেটিং সিস্টেমসহ প্রয়োজনীয় কার্গো হ্যান্ডেলিং ইকুইপমেন্ট যুক্ত করা হবে। এর ফলে বন্দরের পণ্য খালাস ও লোড করার গতি আগের তুলনায় বহুগুণ বৃদ্ধি পাবে। প্রকল্পটির কাজ সম্পূর্ণ হলে মোংলা বন্দর প্রতি ঘণ্টায় ৩০টিরও বেশি এবং বছরে প্রায় ৪ লাখ টিইইউএস (TEUs) কন্টেইনার হ্যান্ডেল করার নতুন রেকর্ড ও সক্ষমতা অর্জন করবে। বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যানের মতে, এই প্রকল্প শুধু বন্দর ব্যবহারকারী ব্যবসায়ীদেরই উপকৃত করবে না, বরং ব্যাপক কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে জাতীয় অর্থনীতি এবং দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের সামগ্রিক আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে এক যুগান্তকারী ও সুদূরপ্রসারী ভূমিকা পালন করবে।

প্রধানমন্ত্রীর এই ঐতিহাসিক সফর ও সার্বিক কর্মসূচির বিস্তারিত বিবরণ দিয়ে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন প্রতিমন্ত্রী ড. শেখ ফরিদুর ইসলাম জানান, সফরকালে মোংলা বন্দরের আধুনিক অবকাঠামোর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের মাহেন্দ্রক্ষণে ‘ইনভেস্ট বাংলাদেশ’ এবং বিশ্বখ্যাত ‘চায়না রেলওয়ে কনস্ট্রাকশন কর্পোরেশন’-এর মধ্যকার একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি স্বাক্ষরিত হবে। এই চুক্তির সফল বাস্তবায়নের ফলে মোংলা বন্দরের সঙ্গে সরাসরি রেল যোগাযোগ স্থাপন করা সম্ভব হবে। যার মাধ্যমে ঢাকার কমলাপুর আইসিডি থেকে ছেড়ে আসা কন্টেইনারবাহী ট্রেন সরাসরি মোংলা বন্দরের ভেতরে গিয়ে থামবে এবং সেখান থেকেই সরাসরি জাহাজে পণ্য লোড-আনলোড করা যাবে। এর ফলে পণ্য পরিবহনের খরচ এবং ব্যয়িত সময় অনেকাংশে হ্রাস পাবে, যা দেশি-বিদেশি ব্যবসায়ী ও বিনিয়োগকারীদের মোংলা বন্দর ব্যবহারে দারুণভাবে উৎসাহিত ও আকৃষ্ট করবে।

প্রতিমন্ত্রী ড. শেখ ফরিদুর ইসলাম প্রধানমন্ত্রীর সফরের পরবর্তী ব্যস্ত সূচি সম্পর্কে আরও জানান যে, মোংলা বন্দরের নির্ধারিত কর্মসূচি সফলভাবে শেষ করে প্রধানমন্ত্রী সড়কপথে বাগেরহাটের ঐতিহাসিক হযরত খানজাহান আলী (রহ.)-এর পবিত্র মাজার প্রাঙ্গণে উপস্থিত হয়ে মাজার জিয়ারত করবেন। পরবর্তীতে তিনি সড়কপথে খুলনার উদ্দেশে রওনা হয়ে স্থানীয় সার্কিট হাউজে মধ্যাহ্নবিরতি সম্পন্ন করবেন। এরপর বিকেলে খুলনা জেলা স্টেডিয়ামে বর্ণাঢ্য আয়োজনে অনুষ্ঠিত বিভাগীয় ‘নতুন কুঁড়ি’-এর দ্বিতীয় পর্বের শুভ উদ্বোধন করবেন এবং নির্ধারিত সকল কর্মসূচি শেষ করে বিমানযোগে ঢাকায় প্রত্যাবর্তন করবেন।

প্রধানমন্ত্রীর এই আগমন ও সফরকে কেন্দ্র করে বাগেরহাট জেলা বিএনপির সভাপতি এ টি এম আকরাম হোসেন তালিম জানিয়েছেন যে, দলীয় প্রধান তথা বর্তমান প্রধানমন্ত্রীকে উষ্ণ অভ্যর্থনা ও বরণ করে নিতে স্থানীয় নেতাকর্মীরা সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছেন। সাধারণ মানুষের মাঝেও দলের প্রধানের এই সফরকে কেন্দ্র করে ব্যাপক আগ্রহ ও স্বতঃস্ফূর্ত উচ্ছ্বাস লক্ষ্য করা যাচ্ছে, যা এই অঞ্চলের সার্বিক রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে দারুণ গতি আনবে।

অন্যদিকে প্রধানমন্ত্রীর এই সফরকে সম্পূর্ণরূপে নির্বিঘ্ন ও নিরাপদ রাখার স্বার্থে বাগেরহাটের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জামিরুল ইসলাম জানিয়েছেন যে, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তার এক বিশাল বেষ্টনী গড়ে তোলা হয়েছে। প্রতিটি কর্মসূচি শান্তিপূর্ণ ও সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন করার লক্ষে চার স্তরের অত্যন্ত কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থার পাশাপাশি স্থানীয় প্রশাসন ও পুলিশ সদস্যরা সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন।

এই মেগা প্রকল্পের ঐতিহাসিক বাস্তবায়ন এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর আকস্মিক এই আগমনকে কেন্দ্র করে বন্দর এলাকার শিপিং এজেন্ট, স্টিভেডোর কোম্পানি এবং স্থানীয় সাধারণ ব্যবসায়ী মহলে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা ও উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়েছে।