Dhaka ০৮:১২ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন মজুরি কাঠামো চূড়ান্ত, শ্রমিকদের বেতন জানুয়ারি থেকে কার্যকর বড়দিন উদযাপনে খ্রিষ্টান কল্যাণ ট্রাস্টকে ৩ কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী কারখানা বন্ধের চক্রান্ত ও উসকানিকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ পোশাকশিল্পে টানা অস্থিতিশীলতায় চরম উদ্বিগ্ন উদ্যোক্তারা দেশে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর ৮৪ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত: বিশ্বব্যাংক ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাঁড়াল ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা ডলারের বিনিময় হারে ঊর্ধ্বগতি, ব্যাংকের এমডিদের সতর্ক করলেন গভর্নর উদ্যোক্তাদের অনীহায় বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি কমে ৪.১৭ শতাংশে চার মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৪.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নবায়নযোগ্য জ্বালানি এখন আর শুধু সম্ভাবনা নয়, অনিবার্য বাস্তবতা: প্রধানমন্ত্রী

হাবিপ্রবির হলে শেখ রাসেল কর্নার সরিয়ে ছাত্রদলের লোগো: নতুন বিতর্কের জন্ম

  • সর্বশেষ হালনাগাদ : ০৪:৫১:৫৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর ২০২৬
  • ৬ বার দেখা হয়েছে

হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (হাবিপ্রবি) ছাত্ররাজনীতি খাতা-কলমে নিষিদ্ধ থাকলেও শহীদ নূর হোসেন হলের কমন রুমে ছাত্রদলের লোগো লাগানো হয়েছে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, শহীদ নূর হোসেন হলের কমন রুমের দেয়ালের এক অংশে ছাত্রদলের দলীয় লোগো লাগানো হয়েছে। বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে ছাত্রলীগের হাবিপ্রবি শাখার নেতাকর্মীরা দেয়ালের ওই অংশকে ‘শেখ রাসেল কর্নার’ হিসেবে নামকরণ করেছিল। গত ৫ আগস্টের পর শিক্ষার্থীরা ছাত্রলীগের এই কর্নার সরিয়ে ফেলেন। তবে সম্প্রতি একই স্থানে ছাত্রদলের দলীয় লোগো লাগানোয় পুরোনো ধাঁচের রাজনীতি নতুন করে শুরু হলো কি না, তা নিয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিতর্ক ও আলোচনা চলছে।

এ বিষয়ে শহীদ নূর হোসেন হলের কয়েকজন আবাসিক শিক্ষার্থীর সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তারা কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। তবে বিষয়টির তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা শিবির। সংগঠনের অনেক নেতাকর্মী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট দিয়ে এর সমালোচনা করেছেন।

এ বিষয়ে নূর হোসেন হলের হল সুপার অধ্যাপক ড. হাফিজুর রহমান হাফিজ বলেন, লোগো লাগানোর বিষয়ে আমি এখনো জানি না এবং কেউ আমাকে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানায়নি। যেহেতু ক্যাম্পাসে রাজনৈতিক ছাত্রসংগঠনগুলোর মধ্যে সহাবস্থান রয়েছে, সেহেতু বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির কোনো সুযোগ নেই।

তবে হলে প্রভাব বিস্তারের আশঙ্কার কথা নাকচ করে দিয়েছেন হাবিপ্রবি ছাত্রদলের সভাপতি এহসানুল কবির অর্ণব। বিষয়টিকে স্বাভাবিকভাবে দেখার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, দলীয় লোগোটি ছোট ভাইয়েরা লাগিয়েছে, যারা দলকে ভালোবাসে এবং ধারণ করে। আমরা সেখানে ছবি তুলি। শিবিরও চাইলে তাদের লোগো লাগাতে পারে। ক্যাম্পাস মুক্ত রাজনৈতিক চর্চার জায়গা। এর পেছনে অন্য কোনো উদ্দেশ্য নেই।

অন্যদিকে, হাবিপ্রবি শাখা ছাত্রশিবিরের সভাপতি রেজওয়ানুল হক বলেন, হলের টিভি রুমে হাবিপ্রবি ছাত্রদলের দলীয় লোগো লাগানোর বিষয়টি অত্যন্ত নিন্দনীয়। হলের টিভি রুম সাধারণ শিক্ষার্থীদের জন্য একটি উন্মুক্ত ও সাধারণ স্থান, কোনো রাজনৈতিক দলের কার্যালয় নয়। অতীতে বিভিন্ন সময়ে আবাসিক হল ও কমন স্পেসকে দলীয় প্রভাব ও রাজনৈতিক নিয়ন্ত্রণের আওতায় নেওয়ার যে সংস্কৃতি আমরা দেখেছি, শিক্ষার্থীরা সেই ধরনের কর্মকাণ্ডের পুনরাবৃত্তি দেখতে চায় না।

জনপ্রিয়

মোংলা বন্দরে দুটি আধুনিক কন্টেইনার জেটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী

হাবিপ্রবির হলে শেখ রাসেল কর্নার সরিয়ে ছাত্রদলের লোগো: নতুন বিতর্কের জন্ম

সর্বশেষ হালনাগাদ : ০৪:৫১:৫৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর ২০২৬

হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (হাবিপ্রবি) ছাত্ররাজনীতি খাতা-কলমে নিষিদ্ধ থাকলেও শহীদ নূর হোসেন হলের কমন রুমে ছাত্রদলের লোগো লাগানো হয়েছে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, শহীদ নূর হোসেন হলের কমন রুমের দেয়ালের এক অংশে ছাত্রদলের দলীয় লোগো লাগানো হয়েছে। বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে ছাত্রলীগের হাবিপ্রবি শাখার নেতাকর্মীরা দেয়ালের ওই অংশকে ‘শেখ রাসেল কর্নার’ হিসেবে নামকরণ করেছিল। গত ৫ আগস্টের পর শিক্ষার্থীরা ছাত্রলীগের এই কর্নার সরিয়ে ফেলেন। তবে সম্প্রতি একই স্থানে ছাত্রদলের দলীয় লোগো লাগানোয় পুরোনো ধাঁচের রাজনীতি নতুন করে শুরু হলো কি না, তা নিয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিতর্ক ও আলোচনা চলছে।

এ বিষয়ে শহীদ নূর হোসেন হলের কয়েকজন আবাসিক শিক্ষার্থীর সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তারা কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। তবে বিষয়টির তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা শিবির। সংগঠনের অনেক নেতাকর্মী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট দিয়ে এর সমালোচনা করেছেন।

এ বিষয়ে নূর হোসেন হলের হল সুপার অধ্যাপক ড. হাফিজুর রহমান হাফিজ বলেন, লোগো লাগানোর বিষয়ে আমি এখনো জানি না এবং কেউ আমাকে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানায়নি। যেহেতু ক্যাম্পাসে রাজনৈতিক ছাত্রসংগঠনগুলোর মধ্যে সহাবস্থান রয়েছে, সেহেতু বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির কোনো সুযোগ নেই।

তবে হলে প্রভাব বিস্তারের আশঙ্কার কথা নাকচ করে দিয়েছেন হাবিপ্রবি ছাত্রদলের সভাপতি এহসানুল কবির অর্ণব। বিষয়টিকে স্বাভাবিকভাবে দেখার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, দলীয় লোগোটি ছোট ভাইয়েরা লাগিয়েছে, যারা দলকে ভালোবাসে এবং ধারণ করে। আমরা সেখানে ছবি তুলি। শিবিরও চাইলে তাদের লোগো লাগাতে পারে। ক্যাম্পাস মুক্ত রাজনৈতিক চর্চার জায়গা। এর পেছনে অন্য কোনো উদ্দেশ্য নেই।

অন্যদিকে, হাবিপ্রবি শাখা ছাত্রশিবিরের সভাপতি রেজওয়ানুল হক বলেন, হলের টিভি রুমে হাবিপ্রবি ছাত্রদলের দলীয় লোগো লাগানোর বিষয়টি অত্যন্ত নিন্দনীয়। হলের টিভি রুম সাধারণ শিক্ষার্থীদের জন্য একটি উন্মুক্ত ও সাধারণ স্থান, কোনো রাজনৈতিক দলের কার্যালয় নয়। অতীতে বিভিন্ন সময়ে আবাসিক হল ও কমন স্পেসকে দলীয় প্রভাব ও রাজনৈতিক নিয়ন্ত্রণের আওতায় নেওয়ার যে সংস্কৃতি আমরা দেখেছি, শিক্ষার্থীরা সেই ধরনের কর্মকাণ্ডের পুনরাবৃত্তি দেখতে চায় না।