দেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলো থেকে দলীয়করণের সংস্কৃতি এখনো পুরোপুরি দূর হয়নি। উপাচার্য ও প্রশাসনিক গুরুত্বপূর্ণ পদসহ নতুন শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে মেধার চেয়ে রাজনৈতিক পরিচয়কে প্রাধান্য দেওয়ার প্রবণতা অব্যাহত রয়েছে। এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে শিক্ষার্থীদের নিয়মিত ক্লাস-পরীক্ষাসহ সামগ্রিক শিক্ষা কার্যক্রমে।
বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে নতুন উপাচার্য ও অন্যান্য পদগুলোতে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় দলীয় বিবেচনার বিষয়টি বারবার সামনে আসছে। এর ফলে শিক্ষকদের একাংশ পেশাদারিত্ব হারাচ্ছেন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। সম্প্রতি চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (চুয়েট) অল্প সময়ের ব্যবধানে উপাচার্য পরিবর্তন নিয়ে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনকে এই নিয়োগ বিতর্কের সর্বশেষ উদাহরণ হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা।
মেধার পরিবর্তে রাজনৈতিক লেজুড়বৃত্তিকে যোগ্যতার মাপকাঠি হিসেবে ধরে নেওয়ায় মানহীন শিক্ষকরা অনেক সময় সহজেই পার পেয়ে যাচ্ছেন। প্রায় সব পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়েই কমবেশি একই পরিস্থিতি বিরাজ করায় কার্যকর শিক্ষক মূল্যায়ন ব্যবস্থা চালুর দাবি জোরালো হচ্ছে।
বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক এসএমএ ফায়েজ শিক্ষকদের দলীয়করণের প্রভাবমুক্ত রাখার ওপর জোর দিয়ে বলেন, শিক্ষকদের নিজস্ব রাজনৈতিক চিন্তাভাবনা থাকতেই পারে, তবে তার প্রভাব কোনোভাবেই যেন শিক্ষার্থীদের ওপর না পড়ে। এজন্য সবার আগে মেধার ভিত্তিতে শিক্ষক নিয়োগ নিশ্চিত করতে হবে।


























