Dhaka ০৫:৪৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন মজুরি কাঠামো চূড়ান্ত, শ্রমিকদের বেতন জানুয়ারি থেকে কার্যকর বড়দিন উদযাপনে খ্রিষ্টান কল্যাণ ট্রাস্টকে ৩ কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী কারখানা বন্ধের চক্রান্ত ও উসকানিকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ পোশাকশিল্পে টানা অস্থিতিশীলতায় চরম উদ্বিগ্ন উদ্যোক্তারা দেশে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর ৮৪ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত: বিশ্বব্যাংক ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাঁড়াল ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা ডলারের বিনিময় হারে ঊর্ধ্বগতি, ব্যাংকের এমডিদের সতর্ক করলেন গভর্নর উদ্যোক্তাদের অনীহায় বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি কমে ৪.১৭ শতাংশে চার মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৪.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নবায়নযোগ্য জ্বালানি এখন আর শুধু সম্ভাবনা নয়, অনিবার্য বাস্তবতা: প্রধানমন্ত্রী

নেত্রকোণায় নিখোঁজের ৭ দিন পর নারীর লাশ উদ্ধার, সাবেক স্বামী আটক

  • সর্বশেষ হালনাগাদ : ০৭:৫৩:০৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ১৮ বার দেখা হয়েছে

নেত্রকোণা সদর উপজেলায় নিখোঁজ হওয়ার সাত দিন পর নদীর তীর থেকে মাটি খুঁড়ে নাজু আক্তার (৩৪) নামে এক নারীর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে তার সাবেক স্বামী নুরুল আমীনকে (৪০) আটক করা হয়েছে। শুক্রবার সন্ধ্যায় সদর উপজেলার মৌগাতি ইউনিয়নের নগুয়া গ্রামে নদীর তীর থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়।

মৃত নাজু আক্তার নেত্রকোণা পৌর শহরের কাটলী এলাকার মৃত ইসলাম উদ্দিনের মেয়ে। আটক নুরুল আমীন মৌগাতি ইউনিয়নের নগুয়া গ্রামের ইসলাম উদ্দিনের ছেলে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রায় এক বছর আগে নুরুল আমীন ও নাজু আক্তারের বিবাহবিচ্ছেদ হয়। বিচ্ছেদের পর আদালতে তাদের একটি ধর্ষণ মামলা বিচারাধীন রয়েছে। এছাড়া অপর এক মামলার রায়ে নুরুল আমীন তার স্ত্রীকে খোরপোষ দিয়ে আসছিলেন।

তবে গত তিন মাস ধরে খোরপোষের টাকা না দেওয়ায় গত ১৮ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় নাজু আক্তার টাকার জন্য নুরুল আমীনকে ফোন করেন। তখন টাকা দেওয়ার কথা বলে নেত্রকোণা শহর থেকে নাজু আক্তারকে নগুয়া গ্রামে নিয়ে যান নুরুল।

গ্রামে পৌঁছে নদীর তীরে নাজু আক্তারের গলায় ওড়না পেঁচিয়ে শ্বাসরোধে হত্যা করে লাশ মাটিতে পুঁতে রাখেন তিনি। পরবর্তীতে নাজু আক্তারের সঙ্গে থাকা মোবাইল ফোন ও ভ্যানিটি ব্যাগসহ অন্যান্য মালামাল গ্রামের একটি শ্মশানের পাশে মাটিতে পুঁতে ফেলেন।

নেত্রকোণা মডেল থানার ওসি আবুল খায়ের জানান, নাজু আক্তার নিখোঁজ হওয়ার পর গত ২২ সেপ্টেম্বর তার ভাই শুভ মিয়া থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। জিডির সূত্র ধরে তদন্তে নেমে পুলিশ শুক্রবার দুপুরে নুরুল আমীনকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করে।

একপর্যায়ে নুরুল আমীন হত্যার কথা স্বীকার করেন। পরবর্তীতে তার দেওয়া স্বীকারোক্তি অনুযায়ী তাকে সঙ্গে নিয়ে ঘটনাস্থলে অভিযান চালিয়ে পুঁতে রাখা লাশ উদ্ধার এবং হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত আলামত জব্দ করা হয়। লাশ নেত্রকোণা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় নিহতের ভাই বাদী হয়ে থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

জনপ্রিয়

মোংলা বন্দরে দুটি আধুনিক কন্টেইনার জেটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী

নেত্রকোণায় নিখোঁজের ৭ দিন পর নারীর লাশ উদ্ধার, সাবেক স্বামী আটক

সর্বশেষ হালনাগাদ : ০৭:৫৩:০৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

নেত্রকোণা সদর উপজেলায় নিখোঁজ হওয়ার সাত দিন পর নদীর তীর থেকে মাটি খুঁড়ে নাজু আক্তার (৩৪) নামে এক নারীর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে তার সাবেক স্বামী নুরুল আমীনকে (৪০) আটক করা হয়েছে। শুক্রবার সন্ধ্যায় সদর উপজেলার মৌগাতি ইউনিয়নের নগুয়া গ্রামে নদীর তীর থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়।

মৃত নাজু আক্তার নেত্রকোণা পৌর শহরের কাটলী এলাকার মৃত ইসলাম উদ্দিনের মেয়ে। আটক নুরুল আমীন মৌগাতি ইউনিয়নের নগুয়া গ্রামের ইসলাম উদ্দিনের ছেলে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রায় এক বছর আগে নুরুল আমীন ও নাজু আক্তারের বিবাহবিচ্ছেদ হয়। বিচ্ছেদের পর আদালতে তাদের একটি ধর্ষণ মামলা বিচারাধীন রয়েছে। এছাড়া অপর এক মামলার রায়ে নুরুল আমীন তার স্ত্রীকে খোরপোষ দিয়ে আসছিলেন।

তবে গত তিন মাস ধরে খোরপোষের টাকা না দেওয়ায় গত ১৮ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় নাজু আক্তার টাকার জন্য নুরুল আমীনকে ফোন করেন। তখন টাকা দেওয়ার কথা বলে নেত্রকোণা শহর থেকে নাজু আক্তারকে নগুয়া গ্রামে নিয়ে যান নুরুল।

গ্রামে পৌঁছে নদীর তীরে নাজু আক্তারের গলায় ওড়না পেঁচিয়ে শ্বাসরোধে হত্যা করে লাশ মাটিতে পুঁতে রাখেন তিনি। পরবর্তীতে নাজু আক্তারের সঙ্গে থাকা মোবাইল ফোন ও ভ্যানিটি ব্যাগসহ অন্যান্য মালামাল গ্রামের একটি শ্মশানের পাশে মাটিতে পুঁতে ফেলেন।

নেত্রকোণা মডেল থানার ওসি আবুল খায়ের জানান, নাজু আক্তার নিখোঁজ হওয়ার পর গত ২২ সেপ্টেম্বর তার ভাই শুভ মিয়া থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। জিডির সূত্র ধরে তদন্তে নেমে পুলিশ শুক্রবার দুপুরে নুরুল আমীনকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করে।

একপর্যায়ে নুরুল আমীন হত্যার কথা স্বীকার করেন। পরবর্তীতে তার দেওয়া স্বীকারোক্তি অনুযায়ী তাকে সঙ্গে নিয়ে ঘটনাস্থলে অভিযান চালিয়ে পুঁতে রাখা লাশ উদ্ধার এবং হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত আলামত জব্দ করা হয়। লাশ নেত্রকোণা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় নিহতের ভাই বাদী হয়ে থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নিচ্ছেন।