Dhaka ০২:৩৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন মজুরি কাঠামো চূড়ান্ত, শ্রমিকদের বেতন জানুয়ারি থেকে কার্যকর বড়দিন উদযাপনে খ্রিষ্টান কল্যাণ ট্রাস্টকে ৩ কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী কারখানা বন্ধের চক্রান্ত ও উসকানিকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ পোশাকশিল্পে টানা অস্থিতিশীলতায় চরম উদ্বিগ্ন উদ্যোক্তারা দেশে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর ৮৪ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত: বিশ্বব্যাংক ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাঁড়াল ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা ডলারের বিনিময় হারে ঊর্ধ্বগতি, ব্যাংকের এমডিদের সতর্ক করলেন গভর্নর উদ্যোক্তাদের অনীহায় বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি কমে ৪.১৭ শতাংশে চার মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৪.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নবায়নযোগ্য জ্বালানি এখন আর শুধু সম্ভাবনা নয়, অনিবার্য বাস্তবতা: প্রধানমন্ত্রী

৭ থেকে ১৫ নভেম্বরের মধ্যে এইচএসসি ও সমমানের ফল প্রকাশের প্রস্তুতি

  • সর্বশেষ হালনাগাদ : ১২:১২:১৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৩৩ বার দেখা হয়েছে

চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল আগামী ৭ থেকে ১৫ নভেম্বরের মধ্যে প্রকাশের প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। ইতোমধ্যে পরীক্ষার ফলাফল তৈরির কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে বলে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান জানান, নভেম্বরের ৭ থেকে ১৫ তারিখের মধ্যে ফল প্রকাশের লক্ষ্য নিয়ে যাবতীয় প্রস্তুতি চলমান রয়েছে। প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের লিখিত পরীক্ষা শেষ হতে কিছুটা সময় বেশি লেগেছিল। তবে নির্ধারিত সম্ভাব্য সময়ের মধ্যেই যাতে সামগ্রিক ফল প্রকাশ করা সম্ভব হয়, সে জন্য চট্টগ্রাম বোর্ডের উত্তরপত্র মূল্যায়নে অতিরিক্ত পরীক্ষক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে এবং দ্রুততার সঙ্গে কাজ এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।

চলতি বছর গত ২ জুলাই সারাদেশের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরু হয়ে ৮ আগস্ট পর্যন্ত লিখিত পরীক্ষা পরিচালিত হয়। এরপর ১৫ আগস্টের মধ্যে ব্যবহারিক পরীক্ষা সম্পন্ন করার সময়সূচি ছিল। তবে প্রাকৃতিক দুর্যোগের প্রভাবে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের কয়েকটি বিষয়ের লিখিত পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছিল, যা পরবর্তীতে অনুষ্ঠিত হয়ে ৯ সেপ্টেম্বর শেষ হয়। ওই বোর্ডের পরীক্ষা শেষ হওয়ার পরপরই সমন্বিতভাবে ফল প্রস্তুতির কাজ জোরদার করা হয়।

এ বছর দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে মোট ৯ হাজার ৪৩৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে ১২ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৩ জন শিক্ষার্থী এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছেন। শিক্ষার্থীদের সুবিধার্থে সারাদেশে ২ হাজার ৬৯৭টি পরীক্ষাকেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছিল। এর মধ্যে নয়টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ১০ লাখ ৬৯ হাজার ৭১৪ জন পরীক্ষার্থী ১ হাজার ৬২৬টি কেন্দ্রে পরীক্ষায় বসেন। এছাড়া মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ৪৬১টি কেন্দ্রে ৯২ হাজার ৯০৫ জন এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ৬১০টি কেন্দ্রে ১ লাখ ৭ হাজার ৯৬৪ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেন।

বোর্ডভিত্তিক পরীক্ষার্থীর পরিসংখ্যানে দেখা যায়, এবার সবচেয়ে বেশি শিক্ষার্থী অংশ নিয়েছেন ঢাকা শিক্ষা বোর্ড থেকে, যার সংখ্যা ৩ লাখ ৩৯৩ জন এবং তাদের জন্য কেন্দ্র ছিল ৩১০টি। অন্যান্য বোর্ডের মধ্যে রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডে ১ লাখ ৪০ হাজার ৮৩০ জন, যশোর শিক্ষা বোর্ডে ১ লাখ ১৭ হাজার ২১০ জন, দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডে ১ লাখ ১৩ হাজার ৪৭৯ জন, চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডে ৯৯ হাজার ৬৮৮ জন এবং কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডে ৯৪ হাজার ৮০২ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেন। এছাড়া ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ডে ৭৩ হাজার ৩৭ জন, সিলেট শিক্ষা বোর্ডে ৭১ হাজার ৭১১১ জন এবং বরিশাল শিক্ষা বোর্ডে ৫৮ হাজার ৬৬৪ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছেন।

জনপ্রিয়

বিভাজনের রাজনীতি নয়, ঐক্য ও বাস্তবসম্মত সমাধান চায় মার্কিন জনগণ: বারাক ওবামা

৭ থেকে ১৫ নভেম্বরের মধ্যে এইচএসসি ও সমমানের ফল প্রকাশের প্রস্তুতি

সর্বশেষ হালনাগাদ : ১২:১২:১৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল আগামী ৭ থেকে ১৫ নভেম্বরের মধ্যে প্রকাশের প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। ইতোমধ্যে পরীক্ষার ফলাফল তৈরির কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে বলে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান জানান, নভেম্বরের ৭ থেকে ১৫ তারিখের মধ্যে ফল প্রকাশের লক্ষ্য নিয়ে যাবতীয় প্রস্তুতি চলমান রয়েছে। প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের লিখিত পরীক্ষা শেষ হতে কিছুটা সময় বেশি লেগেছিল। তবে নির্ধারিত সম্ভাব্য সময়ের মধ্যেই যাতে সামগ্রিক ফল প্রকাশ করা সম্ভব হয়, সে জন্য চট্টগ্রাম বোর্ডের উত্তরপত্র মূল্যায়নে অতিরিক্ত পরীক্ষক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে এবং দ্রুততার সঙ্গে কাজ এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।

চলতি বছর গত ২ জুলাই সারাদেশের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরু হয়ে ৮ আগস্ট পর্যন্ত লিখিত পরীক্ষা পরিচালিত হয়। এরপর ১৫ আগস্টের মধ্যে ব্যবহারিক পরীক্ষা সম্পন্ন করার সময়সূচি ছিল। তবে প্রাকৃতিক দুর্যোগের প্রভাবে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের কয়েকটি বিষয়ের লিখিত পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছিল, যা পরবর্তীতে অনুষ্ঠিত হয়ে ৯ সেপ্টেম্বর শেষ হয়। ওই বোর্ডের পরীক্ষা শেষ হওয়ার পরপরই সমন্বিতভাবে ফল প্রস্তুতির কাজ জোরদার করা হয়।

এ বছর দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে মোট ৯ হাজার ৪৩৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে ১২ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৩ জন শিক্ষার্থী এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছেন। শিক্ষার্থীদের সুবিধার্থে সারাদেশে ২ হাজার ৬৯৭টি পরীক্ষাকেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছিল। এর মধ্যে নয়টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ১০ লাখ ৬৯ হাজার ৭১৪ জন পরীক্ষার্থী ১ হাজার ৬২৬টি কেন্দ্রে পরীক্ষায় বসেন। এছাড়া মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ৪৬১টি কেন্দ্রে ৯২ হাজার ৯০৫ জন এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ৬১০টি কেন্দ্রে ১ লাখ ৭ হাজার ৯৬৪ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেন।

বোর্ডভিত্তিক পরীক্ষার্থীর পরিসংখ্যানে দেখা যায়, এবার সবচেয়ে বেশি শিক্ষার্থী অংশ নিয়েছেন ঢাকা শিক্ষা বোর্ড থেকে, যার সংখ্যা ৩ লাখ ৩৯৩ জন এবং তাদের জন্য কেন্দ্র ছিল ৩১০টি। অন্যান্য বোর্ডের মধ্যে রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডে ১ লাখ ৪০ হাজার ৮৩০ জন, যশোর শিক্ষা বোর্ডে ১ লাখ ১৭ হাজার ২১০ জন, দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডে ১ লাখ ১৩ হাজার ৪৭৯ জন, চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডে ৯৯ হাজার ৬৮৮ জন এবং কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডে ৯৪ হাজার ৮০২ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেন। এছাড়া ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ডে ৭৩ হাজার ৩৭ জন, সিলেট শিক্ষা বোর্ডে ৭১ হাজার ৭১১১ জন এবং বরিশাল শিক্ষা বোর্ডে ৫৮ হাজার ৬৬৪ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছেন।