দেশের ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির কার্যক্রমের অংশ হিসেবে দ্বিতীয় ধাপে অনলাইন আবেদন গ্রহণের আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের গত ১৭ সেপ্টেম্বরের স্মারকের সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা অনুযায়ী এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আগামী ২৭ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হয়ে এই ধাপের আবেদন প্রক্রিয়া ২৮ সেপ্টেম্বর রাত আটটায় আনুষ্ঠানিকভাবে সম্পন্ন হবে। যেসব শিক্ষার্থী এর আগে কোনো আবেদন করেনি, আবেদন করেও কোনো কলেজ বরাদ্দ পায়নি, অথবা চূড়ান্ত মনোনয়ন পাওয়ার পরও বিভিন্ন কারণে ভর্তি নিশ্চায়ন কিংবা কলেজে ভর্তি হতে পারেনি, তারা সবাই এই দ্বিতীয় ধাপে নতুন করে আবেদন করার সুযোগ পাবে। এমনকি ভুলভাবে কোটা নির্ধারিত হওয়ার কারণে যারা পূর্বে চূড়ান্ত মনোনয়ন পেয়েও ভর্তি হতে ব্যর্থ হয়েছিল, তারাও এই সুযেোগের আওতায় থাকবে। শিক্ষার্থীদের বর্তমান আসনসংখ্যা সার্বিক বিবেচনায় রেখে সর্বনিম্ন পাঁচটি এবং সর্বোচ্চ দশটি কলেজে আবেদন করার সুনির্দিষ্ট পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী, দ্বিতীয় ধাপে অনলাইনে আবেদন গ্রহণ শেষ হওয়ার পর নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের প্রাথমিক ফলাফল আগামী ১ অক্টোবর রাত আটটায় প্রকাশ করা হবে। ফল প্রকাশের পরপরই অর্থাৎ ১ অক্টোবর থেকে ৩ অক্টোবর রাত আটটা পর্যন্ত নির্বাচিত শিক্ষার্থীরা তাদের আসন নির্বাচন সফলভাবে নিশ্চায়ন করতে পারবে। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কেউ এই নিশ্চায়ন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে ব্যর্থ হলে তার প্রার্থিতা ও আবেদন স্বয়ংক্রয়ভাবে বাতিল বলে গণ্য হবে। এরপর পছন্দক্রম অনুযায়ী দ্বিতীয় মাইগ্রেশনের ফলাফল প্রকাশিত হবে আগামী ৪ অক্টোবর রাত আটটায়। পরবর্তীতে দ্বিতীয় ধাপে নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের মূল কলেজভিত্তিক ভর্তি কার্যক্রম আগামী ৫ অক্টোবর থেকে শুরু হয়ে ৭ অক্টোবর পর্যন্ত একটানা চলবে।
বিশেষ নির্দেশনা অনুযায়ী, প্রথম ধাপে আবেদন করেও যারা কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নির্বাচিত হতে পারেনি, দ্বিতীয় ধাপে নতুন করে আবেদনের ক্ষেত্রে তাদের কোনো প্রকার অনলাইন আবেদন ফি বা ২২০ টাকা জমা দিতে হবে না। এই বিশেষ ক্যাটাগরির শিক্ষার্থীদের শুধু ভর্তি-সংক্রান্ত অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে লগইন করে প্রয়োজনীয় কলেজ সিলেকশন বা পছন্দক্রম এডিট সম্পন্ন করতে হবে। পাশাপাশি, দ্বিতীয় ধাপে আবেদন ফরম পূরণের সময় শিক্ষার্থীদের নিজেদের কোটার যোগ্যতা অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে যাচাই করে সঠিকভাবে কোটা নির্ধারণের ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে। ফল প্রকাশের পর কোনো ধরনের বিলম্ব না করে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আবশ্যিকভাবে নিশ্চায়ন ফি জমা দেওয়ার জন্য শিক্ষার্থী এবং তাদের অভিভাবকদের প্রতি সনির্বন্ধ অনুরোধ জানানো হয়েছে।


























