Dhaka ০৪:৩৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন মজুরি কাঠামো চূড়ান্ত, শ্রমিকদের বেতন জানুয়ারি থেকে কার্যকর বড়দিন উদযাপনে খ্রিষ্টান কল্যাণ ট্রাস্টকে ৩ কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী কারখানা বন্ধের চক্রান্ত ও উসকানিকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ পোশাকশিল্পে টানা অস্থিতিশীলতায় চরম উদ্বিগ্ন উদ্যোক্তারা দেশে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর ৮৪ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত: বিশ্বব্যাংক ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাঁড়াল ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা ডলারের বিনিময় হারে ঊর্ধ্বগতি, ব্যাংকের এমডিদের সতর্ক করলেন গভর্নর উদ্যোক্তাদের অনীহায় বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি কমে ৪.১৭ শতাংশে চার মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৪.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নবায়নযোগ্য জ্বালানি এখন আর শুধু সম্ভাবনা নয়, অনিবার্য বাস্তবতা: প্রধানমন্ত্রী

প্রাথমিক শিক্ষকদের গ্রেড ও পদোন্নতির দাবিতে সংগঠনগুলোর মধ্যে মতপার্থক্য

  • সর্বশেষ হালনাগাদ : ১১:০১:২১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬
  • ১০ বার দেখা হয়েছে

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকদের পদমর্যাদা বৃদ্ধি, নির্দিষ্ট মেয়াদে উচ্চতর গ্রেড প্রদান এবং পদোন্নতির দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষক সংগঠনগুলোর মধ্যে মতপার্থক্য ও বিভক্তি দেখা দিয়েছে। শিক্ষকদের একটি পক্ষ ১০ম গ্রেড বাস্তবায়নের দাবিতে সোচ্চার হলেও অন্য পক্ষটি ১১তম গ্রেডের দাবিতে কর্মসূচি পালন করছে। দাবির পাশাপাশি আন্দোলনের রূপরেখা ও কৌশল নিয়েও সংগঠনগুলোর মধ্যে ভিন্ন অবস্থান রয়েছে।

বাংলাদেশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির একাংশের সভাপতি মোয়াজ্জেম হোসেন শাহীন ও সাধারণ সম্পাদক খায়রুন নাহার লিপির নেতৃত্বে তিন দফা দাবি নিয়ে আন্দোলন কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে। তাঁদের প্রধান দাবির মধ্যে রয়েছে সহকারী শিক্ষকদের ১১তম বেতন গ্রেড দেওয়া, চাকরির অষ্টম ও চতুর্দশ বছর পূর্তিতে দুটি উচ্চতর গ্রেড এবং জ্যেষ্ঠতার ভিত্তিতে সহকারী শিক্ষক থেকে প্রধান শিক্ষক পদে শতভাগ পদোন্নতি নিশ্চিত করা। একই সঙ্গে হয়রানিমূলক বদলি বাতিল ও বিভাগীয় মামলা প্রত্যাহারের আহ্বান জানানো হয়েছে। দাবির বাস্তবায়নে জেলা প্রশাসক ও বিভাগীয় কমিশনারদের কাছে স্মারকলিপি প্রদান এবং মহাসমাবেশের মতো কর্মসূচি রয়েছে তাঁদের।

অন্যদিকে, প্রাথমিক শিক্ষক অধিকার বাস্তবায়ন পরিষদ ও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সহকারী শিক্ষক ১০ম গ্রেড বাস্তবায়ন সমন্বয় পরিষদের সভাপতি মাহবুবর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক বিজয় কর্মকারের নেতৃত্বাধীন অংশটি সহকারী শিক্ষকদের পদমর্যাদা ১৩তম গ্রেড থেকে ১০ম গ্রেডে উন্নীত করার দাবি জানিয়ে আসছে। তাঁরা চাকরির ১০ ও ১৬ বছর পূর্তিতে উচ্চতর গ্রেডের জটিলতা নিরসন এবং সহকারী শিক্ষক থেকে প্রধান শিক্ষক পদে শতভাগ পদোন্নতির পক্ষে জোর দাবি তুলে ধরেছেন।

সংগঠন দুটির নেতাদের মধ্যে কর্মসূচির যৌক্তিকতা এবং রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা নিয়ে পাল্টাপাল্টি বক্তব্য এলেও সংশ্লিষ্টরা নিজেদের পেশাগত দাবির বিষয়টিকে মূল লক্ষ্য হিসেবে বর্ণনা করেছেন। আন্দোলনের বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো সমাধান না আসায় শিক্ষকদের মধ্যে অনিশ্চয়তা কাটছে না।

এদিকে বর্তমানে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে প্রধান শিক্ষকের বড় ধরনের পদ শূন্য রয়েছে। শুমারির তথ্য অনুযায়ী, দেশের ৬৫ হাজার ৪৫৭টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে ৩৪ হাজার ১৫৯টিতেই প্রধান শিক্ষকের পদ খালি। এর মধ্যে ১৩ হাজার ৬৭৫ জন সহকারী শিক্ষককে প্রধান শিক্ষকের চলতি দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। শিক্ষক সংগঠনগুলোর পাল্টাপাল্টি দাবির মুখে সমস্যার স্থায়ী সমাধানের জন্য সরকারের কার্যকর সিদ্ধান্তের প্রহর গুনছেন শিক্ষকরা।

জনপ্রিয়

মোংলা বন্দরে দুটি আধুনিক কন্টেইনার জেটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী

প্রাথমিক শিক্ষকদের গ্রেড ও পদোন্নতির দাবিতে সংগঠনগুলোর মধ্যে মতপার্থক্য

সর্বশেষ হালনাগাদ : ১১:০১:২১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকদের পদমর্যাদা বৃদ্ধি, নির্দিষ্ট মেয়াদে উচ্চতর গ্রেড প্রদান এবং পদোন্নতির দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষক সংগঠনগুলোর মধ্যে মতপার্থক্য ও বিভক্তি দেখা দিয়েছে। শিক্ষকদের একটি পক্ষ ১০ম গ্রেড বাস্তবায়নের দাবিতে সোচ্চার হলেও অন্য পক্ষটি ১১তম গ্রেডের দাবিতে কর্মসূচি পালন করছে। দাবির পাশাপাশি আন্দোলনের রূপরেখা ও কৌশল নিয়েও সংগঠনগুলোর মধ্যে ভিন্ন অবস্থান রয়েছে।

বাংলাদেশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির একাংশের সভাপতি মোয়াজ্জেম হোসেন শাহীন ও সাধারণ সম্পাদক খায়রুন নাহার লিপির নেতৃত্বে তিন দফা দাবি নিয়ে আন্দোলন কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে। তাঁদের প্রধান দাবির মধ্যে রয়েছে সহকারী শিক্ষকদের ১১তম বেতন গ্রেড দেওয়া, চাকরির অষ্টম ও চতুর্দশ বছর পূর্তিতে দুটি উচ্চতর গ্রেড এবং জ্যেষ্ঠতার ভিত্তিতে সহকারী শিক্ষক থেকে প্রধান শিক্ষক পদে শতভাগ পদোন্নতি নিশ্চিত করা। একই সঙ্গে হয়রানিমূলক বদলি বাতিল ও বিভাগীয় মামলা প্রত্যাহারের আহ্বান জানানো হয়েছে। দাবির বাস্তবায়নে জেলা প্রশাসক ও বিভাগীয় কমিশনারদের কাছে স্মারকলিপি প্রদান এবং মহাসমাবেশের মতো কর্মসূচি রয়েছে তাঁদের।

অন্যদিকে, প্রাথমিক শিক্ষক অধিকার বাস্তবায়ন পরিষদ ও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সহকারী শিক্ষক ১০ম গ্রেড বাস্তবায়ন সমন্বয় পরিষদের সভাপতি মাহবুবর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক বিজয় কর্মকারের নেতৃত্বাধীন অংশটি সহকারী শিক্ষকদের পদমর্যাদা ১৩তম গ্রেড থেকে ১০ম গ্রেডে উন্নীত করার দাবি জানিয়ে আসছে। তাঁরা চাকরির ১০ ও ১৬ বছর পূর্তিতে উচ্চতর গ্রেডের জটিলতা নিরসন এবং সহকারী শিক্ষক থেকে প্রধান শিক্ষক পদে শতভাগ পদোন্নতির পক্ষে জোর দাবি তুলে ধরেছেন।

সংগঠন দুটির নেতাদের মধ্যে কর্মসূচির যৌক্তিকতা এবং রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা নিয়ে পাল্টাপাল্টি বক্তব্য এলেও সংশ্লিষ্টরা নিজেদের পেশাগত দাবির বিষয়টিকে মূল লক্ষ্য হিসেবে বর্ণনা করেছেন। আন্দোলনের বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো সমাধান না আসায় শিক্ষকদের মধ্যে অনিশ্চয়তা কাটছে না।

এদিকে বর্তমানে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে প্রধান শিক্ষকের বড় ধরনের পদ শূন্য রয়েছে। শুমারির তথ্য অনুযায়ী, দেশের ৬৫ হাজার ৪৫৭টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে ৩৪ হাজার ১৫৯টিতেই প্রধান শিক্ষকের পদ খালি। এর মধ্যে ১৩ হাজার ৬৭৫ জন সহকারী শিক্ষককে প্রধান শিক্ষকের চলতি দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। শিক্ষক সংগঠনগুলোর পাল্টাপাল্টি দাবির মুখে সমস্যার স্থায়ী সমাধানের জন্য সরকারের কার্যকর সিদ্ধান্তের প্রহর গুনছেন শিক্ষকরা।