ঝিনাইদহের হরিণাকুণ্ডু উপজেলার পারফলসি দাখিল মাদরাসায় এক অভাবনীয় অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। মাদরাসার মূল জমিদাতা ও প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি খলিলুর রহমান ২০১১ সালে মৃত্যুবরণ করলেও, তার মৃত্যুর দীর্ঘ পাঁচ বছর পর নথিপত্রে তার স্বাক্ষর জাল করে নিয়োগ বাণিজ্যের আশ্রয় নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে মাদরাসার কথিত সুপার ইয়ারুল ইসলামের বিরুদ্ধে। অভিযোগ রয়েছে, ইয়ারুল ইসলাম ২০১৬ সালে প্রতিষ্ঠানে এসে জালিয়াতির মাধ্যমে নিজেকে ২০০৪ সাল থেকে কর্মরত দেখান এবং মৃত সভাপতির স্বাক্ষর হুবহু জাল করে এই অবৈধ নিয়োগ বৈধ করার চেষ্টা করেন। ২০২২ সালে মাদরাসাটি এমপিওভুক্ত হওয়ার পর তিনি ব্যাকডেটে অন্তত আটজন শিক্ষক-কর্মচারীকে অবৈধভাবে নিয়োগ দেন এবং এই পদগুলোর বিপরীতে প্রায় ৮০ লাখ টাকা ঘুস লেনদেন করেন। স্থানীয় এক সচেতন নাগরিকের পক্ষে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) ঝিনাইদহ সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে এ বিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। তবে অভিযুক্ত ইয়ারুল ইসলাম বিষয়টি এড়িয়ে গিয়ে মাদরাসার ক্ষতি রোধে আলোচনার ওপর জোর দিয়েছেন।
ব্রেকিং নিউজ :


























