Dhaka ০৫:০৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন মজুরি কাঠামো চূড়ান্ত, শ্রমিকদের বেতন জানুয়ারি থেকে কার্যকর বড়দিন উদযাপনে খ্রিষ্টান কল্যাণ ট্রাস্টকে ৩ কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী কারখানা বন্ধের চক্রান্ত ও উসকানিকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ পোশাকশিল্পে টানা অস্থিতিশীলতায় চরম উদ্বিগ্ন উদ্যোক্তারা দেশে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর ৮৪ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত: বিশ্বব্যাংক ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাঁড়াল ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা ডলারের বিনিময় হারে ঊর্ধ্বগতি, ব্যাংকের এমডিদের সতর্ক করলেন গভর্নর উদ্যোক্তাদের অনীহায় বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি কমে ৪.১৭ শতাংশে চার মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৪.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নবায়নযোগ্য জ্বালানি এখন আর শুধু সম্ভাবনা নয়, অনিবার্য বাস্তবতা: প্রধানমন্ত্রী

রাজনৈতিক প্রভাবে শিক্ষকরা হেনস্তার শিকার হচ্ছেন: অধ্যাপক নিয়াজ আহমেদ খান

  • সর্বশেষ হালনাগাদ : ১০:৩৫:৫০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৪ অক্টোবর ২০২৬
  • ৯ বার দেখা হয়েছে

দলীয় রাজনৈতিক প্রভাবের কারণে দেশের শিক্ষকরা প্রতিনিয়ত নানাভাবে হেনস্তার শিকার হচ্ছেন বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক নিয়াজ আহমেদ খান। তিনি জোর দিয়ে বলেন, রাজনৈতিক ব্যক্তিরা যাতে শিক্ষকদের যথাযথ সম্মান প্রদর্শন করেন, সেই অনুকূল পরিবেশ শিক্ষকদের নিজেদেরই তৈরি করতে হবে।

শনিবার বিকেলে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে (ডিআরইউ) বিশ্ব শিক্ষক দিবস উপলক্ষে আয়োজিত ‘শিক্ষকদের সামাজিক সুরক্ষা ও প্রভাবমুক্ত শিক্ষাঙ্গন গড়তে করণীয়’ শীর্ষক এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সহযোগী সংগঠন বেসরকারি শিক্ষক অ্যালায়েন্স (বিএসএ) এই সভার আয়োজন করে।

রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের কাছ থেকে কাঙ্ক্ষিত সম্মান পেতে তিনটি বিষয়ের ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন অধ্যাপক নিয়াজ আহমেদ খান। তিনি বলেন, শিক্ষকদের নিজেদের মধ্যে পারস্পরিক ঐক্য বজায় রাখতে হবে, পেশাগত উৎকর্ষ বাড়াতে নিয়মিত পড়াশোনা ও অনলাইনভিত্তিক কোর্স করতে হবে এবং শিক্ষকদের নিজ নিজ দক্ষতার ভিত্তিতে দায়িত্ব দিয়ে পেশাকে আরও বহুমুখী করে তুলতে হবে।

তিনি আরও বলেন, রাজনীতি আমাদের বারবার আশাহত করেছে এবং দলীয় রাজনীতির বাইরে থাকা ব্যক্তিরা রাজনীতির ওপর বিরক্ত। তবে এর সমাধান বিরাজনীতিকরণ নয়। ক্ষমতার অপব্যবহার করে অন্যকে ভয় দেখানোর যে মানসিকতা সমাজে তৈরি হয়েছে, তার একমাত্র মোকাবিলা হলো শিক্ষকদের ঐক্যবদ্ধ থাকা।

আলোচনা সভায় এনসিপির সদস্যসচিব ও সংসদ সদস্য আখতার হোসেন বলেন, অধিকাংশ শিক্ষক যে পরিমাণ বেতন পান, তা দিয়ে জীবনযাপন করা কঠিন। বিশেষ করে অবসরে যাওয়ার পর তাদের সেই সীমিত আর্থিক নিরাপত্তাও থাকে না, যা এক চরম দুরবস্থার সৃষ্টি করে। তিনি শিক্ষকদের অবসরের তিন থেকে চার মাসের মধ্যে পেনশনের সমুদয় অর্থ পরিশোধের দাবি জানান এবং প্রাথমিকে সহকারী শিক্ষক নিয়োগে ভেরিফিকেশনের নামে হয়রানির সমালোচনা করেন।

জনপ্রিয়

মোংলা বন্দরে দুটি আধুনিক কন্টেইনার জেটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী

রাজনৈতিক প্রভাবে শিক্ষকরা হেনস্তার শিকার হচ্ছেন: অধ্যাপক নিয়াজ আহমেদ খান

সর্বশেষ হালনাগাদ : ১০:৩৫:৫০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৪ অক্টোবর ২০২৬

দলীয় রাজনৈতিক প্রভাবের কারণে দেশের শিক্ষকরা প্রতিনিয়ত নানাভাবে হেনস্তার শিকার হচ্ছেন বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক নিয়াজ আহমেদ খান। তিনি জোর দিয়ে বলেন, রাজনৈতিক ব্যক্তিরা যাতে শিক্ষকদের যথাযথ সম্মান প্রদর্শন করেন, সেই অনুকূল পরিবেশ শিক্ষকদের নিজেদেরই তৈরি করতে হবে।

শনিবার বিকেলে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে (ডিআরইউ) বিশ্ব শিক্ষক দিবস উপলক্ষে আয়োজিত ‘শিক্ষকদের সামাজিক সুরক্ষা ও প্রভাবমুক্ত শিক্ষাঙ্গন গড়তে করণীয়’ শীর্ষক এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সহযোগী সংগঠন বেসরকারি শিক্ষক অ্যালায়েন্স (বিএসএ) এই সভার আয়োজন করে।

রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের কাছ থেকে কাঙ্ক্ষিত সম্মান পেতে তিনটি বিষয়ের ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন অধ্যাপক নিয়াজ আহমেদ খান। তিনি বলেন, শিক্ষকদের নিজেদের মধ্যে পারস্পরিক ঐক্য বজায় রাখতে হবে, পেশাগত উৎকর্ষ বাড়াতে নিয়মিত পড়াশোনা ও অনলাইনভিত্তিক কোর্স করতে হবে এবং শিক্ষকদের নিজ নিজ দক্ষতার ভিত্তিতে দায়িত্ব দিয়ে পেশাকে আরও বহুমুখী করে তুলতে হবে।

তিনি আরও বলেন, রাজনীতি আমাদের বারবার আশাহত করেছে এবং দলীয় রাজনীতির বাইরে থাকা ব্যক্তিরা রাজনীতির ওপর বিরক্ত। তবে এর সমাধান বিরাজনীতিকরণ নয়। ক্ষমতার অপব্যবহার করে অন্যকে ভয় দেখানোর যে মানসিকতা সমাজে তৈরি হয়েছে, তার একমাত্র মোকাবিলা হলো শিক্ষকদের ঐক্যবদ্ধ থাকা।

আলোচনা সভায় এনসিপির সদস্যসচিব ও সংসদ সদস্য আখতার হোসেন বলেন, অধিকাংশ শিক্ষক যে পরিমাণ বেতন পান, তা দিয়ে জীবনযাপন করা কঠিন। বিশেষ করে অবসরে যাওয়ার পর তাদের সেই সীমিত আর্থিক নিরাপত্তাও থাকে না, যা এক চরম দুরবস্থার সৃষ্টি করে। তিনি শিক্ষকদের অবসরের তিন থেকে চার মাসের মধ্যে পেনশনের সমুদয় অর্থ পরিশোধের দাবি জানান এবং প্রাথমিকে সহকারী শিক্ষক নিয়োগে ভেরিফিকেশনের নামে হয়রানির সমালোচনা করেন।