যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের ‘সহকারী উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা’ পদে নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির। পরীক্ষা স্থগিত হওয়ায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে সংগঠনটির কেন্দ্রীয় নেতারা নিরপেক্ষ তদন্ত ও ৪ দফা দাবি পেশ করেছেন।
এক যৌথ বিবৃতিতে ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি নূরুল ইসলাম ও সেক্রেটারি জেনারেল সিবগাতুল্লাহ বলেন, দীর্ঘদিন ধরে প্রস্তুত নেওয়া চাকরিপ্রার্থীদের জন্য পরীক্ষার ঠিক আগমুহূর্তে প্রশ্নফাঁস ও পরীক্ষা স্থগিতের খবর অত্যন্ত হতাশাজনক। এ ধরনের অসাধু কর্মকাণ্ড মেধাভিত্তিক রাষ্ট্র গঠনের মূল চেতনার পরিপন্থী এবং তরুণ সমাজের ভবিষ্যৎকে অনিশ্চয়তার দিকে ঠেলে দেয়।
শিবির নেতারা অভিযোগ করেন, দেশের সরকারি নিয়োগ পরীক্ষায় প্রশ্নফাঁস ও দলীয়করণের পুরনো সংস্কৃতি এখনো বন্ধ হয়নি। যোগ্যতার ভিত্তিতে কাজ পাওয়ার পরিবর্তে জালিয়াতির ঘটনা রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থার ওপর সাধারণ মানুষের আস্থা কমিয়ে দিচ্ছে। কোনো রাজনৈতিক পরিচয় বা অনৈতিক প্রভাব নয়, বরং মেধাকেই নিয়োগের একমাত্র মাপকাঠি করার আহ্বান জানান তারা।
পরিস্থিতি বিচারে চার দফা দাবি তুলে ধরে শিবিরের পক্ষ থেকে জানানো হয়, অবিলম্বে প্রশ্নফাঁসে জড়িতদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে। এছাড়া প্রশাসনিক ব্যর্থতার দায় নিয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তরের শীর্ষ কর্মকর্তাদের অব্যাহতি দিয়ে নিরপেক্ষ তদন্ত কমিটি গঠন, পরীক্ষার্থীদের যাতায়াত খরচের ক্ষতিপূরণ প্রদান এবং আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর নিরাপত্তাব্যবস্থা চালু করে প্রশ্নফাঁস পুরোপুরি বন্ধের কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।


























