Dhaka ০৬:৩৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন মজুরি কাঠামো চূড়ান্ত, শ্রমিকদের বেতন জানুয়ারি থেকে কার্যকর বড়দিন উদযাপনে খ্রিষ্টান কল্যাণ ট্রাস্টকে ৩ কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী কারখানা বন্ধের চক্রান্ত ও উসকানিকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ পোশাকশিল্পে টানা অস্থিতিশীলতায় চরম উদ্বিগ্ন উদ্যোক্তারা দেশে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর ৮৪ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত: বিশ্বব্যাংক ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাঁড়াল ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা ডলারের বিনিময় হারে ঊর্ধ্বগতি, ব্যাংকের এমডিদের সতর্ক করলেন গভর্নর উদ্যোক্তাদের অনীহায় বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি কমে ৪.১৭ শতাংশে চার মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৪.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নবায়নযোগ্য জ্বালানি এখন আর শুধু সম্ভাবনা নয়, অনিবার্য বাস্তবতা: প্রধানমন্ত্রী

সেনাবাহিনী কর্মকর্তা সেজে প্রতারণা: পটুয়াখালীতে যুবকের কারাদণ্ড

  • সর্বশেষ হালনাগাদ : ০৮:৩৪:৪৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৯ অক্টোবর ২০২৬
  • ২২ বার দেখা হয়েছে

পটুয়াখালীর কুয়াকাটায় নিজেকে সেনাবাহিনীর কর্মকর্তা পরিচয় দিয়ে তরুণীদের সঙ্গে প্রতারণা করার অভিযোগে আব্দুল জলিল (২২) নামের এক যুবককে এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে তাকে এই দণ্ড দেওয়া হয়। দণ্ডপ্রাপ্ত আব্দুল জলিল কুয়াকাটা পৌর এলাকার ইনছান আলীর ছেলে।

পুলিশ ও ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মহিপুর থানার এসআই মাসুদের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল কুয়াকাটার একটি আবাসিক হোটেলে অভিযান চালায়। এ সময় হীরা আক্তার নামের এক কিশোরীকে নিয়ে হোটেলের একটি কক্ষ ভাড়া নেওয়ার সময় আব্দুল জলিলকে আটক করা হয়। অভিযানের সময় তার স্ত্রী মোসা. তামান্নাও সেখানে উপস্থিত ছিলেন।

অভিযোগ রয়েছে যে, জলিল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টিকটকে নিজেকে সেনাবাহিনীর কর্মকর্তা হিসেবে পরিচয় দিয়ে বিভিন্ন তরুণীর সঙ্গে সখ্য গড়ে তুলতেন এবং পরবর্তীতে তাদের বিভিন্ন হোটেলে নিয়ে যেতেন। এর আগেও তার বিরুদ্ধে একই ধরনের একাধিক প্রতারণামূলক কার্যকলাপে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে।

ঘটনাটি নিয়ে ভুক্তভোগী কিশোরী ও তার বাবা আদালতে সাক্ষ্য দেন। প্রাপ্ত অভিযোগ ও সাক্ষ্য-প্রমাণ পর্যালোচনা করে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইয়াসীন সাদেক ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন। পরে দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ১৭০ ধারায় আব্দুল জলিলকে এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইয়াসীন সাদেক জানান, সরকারি কর্মকর্তা, বিশেষ করে সেনাবাহিনীর কর্মকর্তা পরিচয় দিয়ে সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করা বা প্রতারণা করা একটি দণ্ডনীয় অপরাধ। এ ঘটনায় আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের অপরাধের পুনরাবৃত্তি রোধে কঠোর আইনি পদক্ষেপ অব্যাহত থাকবে।

জনপ্রিয়

মোংলা বন্দরে দুটি আধুনিক কন্টেইনার জেটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী

সেনাবাহিনী কর্মকর্তা সেজে প্রতারণা: পটুয়াখালীতে যুবকের কারাদণ্ড

সর্বশেষ হালনাগাদ : ০৮:৩৪:৪৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৯ অক্টোবর ২০২৬

পটুয়াখালীর কুয়াকাটায় নিজেকে সেনাবাহিনীর কর্মকর্তা পরিচয় দিয়ে তরুণীদের সঙ্গে প্রতারণা করার অভিযোগে আব্দুল জলিল (২২) নামের এক যুবককে এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে তাকে এই দণ্ড দেওয়া হয়। দণ্ডপ্রাপ্ত আব্দুল জলিল কুয়াকাটা পৌর এলাকার ইনছান আলীর ছেলে।

পুলিশ ও ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মহিপুর থানার এসআই মাসুদের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল কুয়াকাটার একটি আবাসিক হোটেলে অভিযান চালায়। এ সময় হীরা আক্তার নামের এক কিশোরীকে নিয়ে হোটেলের একটি কক্ষ ভাড়া নেওয়ার সময় আব্দুল জলিলকে আটক করা হয়। অভিযানের সময় তার স্ত্রী মোসা. তামান্নাও সেখানে উপস্থিত ছিলেন।

অভিযোগ রয়েছে যে, জলিল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টিকটকে নিজেকে সেনাবাহিনীর কর্মকর্তা হিসেবে পরিচয় দিয়ে বিভিন্ন তরুণীর সঙ্গে সখ্য গড়ে তুলতেন এবং পরবর্তীতে তাদের বিভিন্ন হোটেলে নিয়ে যেতেন। এর আগেও তার বিরুদ্ধে একই ধরনের একাধিক প্রতারণামূলক কার্যকলাপে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে।

ঘটনাটি নিয়ে ভুক্তভোগী কিশোরী ও তার বাবা আদালতে সাক্ষ্য দেন। প্রাপ্ত অভিযোগ ও সাক্ষ্য-প্রমাণ পর্যালোচনা করে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইয়াসীন সাদেক ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন। পরে দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ১৭০ ধারায় আব্দুল জলিলকে এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইয়াসীন সাদেক জানান, সরকারি কর্মকর্তা, বিশেষ করে সেনাবাহিনীর কর্মকর্তা পরিচয় দিয়ে সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করা বা প্রতারণা করা একটি দণ্ডনীয় অপরাধ। এ ঘটনায় আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের অপরাধের পুনরাবৃত্তি রোধে কঠোর আইনি পদক্ষেপ অব্যাহত থাকবে।