কুষ্টিয়ায় এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর হামলার ঘটনায় কুমারখালী থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। গত ৭ অক্টোবর রাতে এনসিপির কুষ্টিয়া শাখার আহ্বায়ক জান্নাতুল ফেরদাউস টনি বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা ২০ থেকে ২৫ জনকে আসামি করে এই মামলা করেন। এদিকে এই ঘটনায় জেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব খন্দকার তসলিম উদ্দিন নিশাতের একটি স্বীকারোক্তিমূলক বক্তব্য ঘিরে কুষ্টিয়ার রাজনৈতিক অঙ্গনে তীব্র তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে।
মামলার এজাহারে বলা হয়, গত ৪ অক্টোবর রাতে কুষ্টিয়ার লালন শাহের মাজার পরিদর্শন শেষে মূল ফটক দিয়ে বের হওয়ার সময় পূর্বপরিকল্পিতভাবে তাদের ওপর হামলা চালায় দুর্বৃত্তরা। হামলাকারীরা নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর দিকে ডিম নিক্ষেপ করে এবং লাঠি, পাইপ ও দেশীয় অস্ত্র দিয়ে মারধর করে তার ব্যবহৃত গাড়ি ভাঙচুর করে। পরে পুলিশি পাহারায় তিনি মাজার প্রাঙ্গণ ত্যাগ করেন।
এজাহারে আরও উল্লেখ করা হয়, রাতে কুমারখালী থানায় মামলা করতে গেলে অজ্ঞাতনামা হামলাকারীরা থানা ঘেরাও করে হুমকি দেয়। ফলে নিরাপত্তার স্বার্থে সেদিন তারা থানা এলাকা ছাড়তে বাধ্য হন এবং প্রতিকূল পরিস্থিতির কারণে মামলা দায়ের কিছুটা বিলম্বিত হয়।
এনসিপির জেলা শাখার সদস্য সচিব সুলতান মারুফ তালহা জানান, হামলার পর কুমারখালী থানার ওসির ওপর চাপের কারণে তারা বাধ্য হয়ে অজ্ঞাতনামাদের আসামি করে মামলা করেছেন। তবে জেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিবের বক্তব্যের পর তারা পুলিশের কার্যকর ও নিরপেক্ষ ভূমিকা দেখতে চান।
কুমারখালী থানার ওসি জামাল উদ্দিন জানান, মামলার পর থেকেই আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে।


























