ঢাকার ধামরাইয়ে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে স্থানীয় বিএনপির দুটি পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ ও ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনায় স্থানীয় সংসদ সদস্য তমিজ উদ্দিনকে প্রকাশ্যে মারামারির চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছেন ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) চেয়ারম্যান রমিজুর রহমান চৌধুরী রোমা। শুক্রবার সাংবাদিকদের কাছে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এমপিকে উদ্দেশ্য করে বলেন, অনুসারীদের দিয়ে হামলা না চালিয়ে সাহস থাকলে তিনি যেন সশরীরে মাঠে আসেন।
এর আগে শুক্রবার দুপুর ২টার দিকে সূতিপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির উদ্যোগে আয়োজিত এক প্রতিবাদ সমাবেশ শেষে এমপির অনুসারীরা ঢাকা-আরিচা মহাসড়কে মোটরসাইকেল মহড়া বের করেন। এ সময় ইউপি চেয়ারম্যান রোমার মেয়ের জামাই জাহিদুল ইসলাম বাবুর সঙ্গে তাদের কথা-কাটাকাটি হয়, যা পরবর্তীতে উভয় পক্ষের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ ও ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ায় রূপ নেয়। সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত ৮ থেকে ১০ জন আহত হয়েছেন।
ইউপি চেয়ারম্যান রমিজুর রহমান চৌধুরী রোমার অভিযোগ, সংসদ সদস্য তমিজ উদ্দিনের অনুসারীরা তার আত্মীয় ও কর্মীদের ওপর অতর্কিত হামলা চালিয়ে বেধড়ক মারধর করেছেন। গুরুতর আহত একজনকে সাভারের এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউতে ভর্তি করা হয়েছে। তিনি দাবি করেন, তিনি অন্য একটি রাজনৈতিক বলয়ে যুক্ত থাকায় সংসদ সদস্য তার লোকজনকে তার বিরুদ্ধে উসকে দিয়েছেন।
অন্যদিকে, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. শহিদুল ইসলাম দাবি করেছেন যে, আওয়ামী লীগের সম্ভাব্য নাশকতা প্রতিরোধের অংশ হিসেবে নেতাকর্মীরা মিছিল ও মোটরসাইকেল মহড়া বের করেছিলেন। মহড়াটি নির্দিষ্ট এলাকায় পৌঁছালে রোমার লোকজন তাদের ওপর হামলা চালায় বলে জানান তিনি।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ধামরাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজমুল হুদা খান জানিয়েছেন, পুলিশ তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। বর্তমানে পুরো বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে এবং তদন্ত সাপেক্ষে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


























