সন্ধ্যা নামলেই কুমিল্লা নগরীর অলিগলি, ব্যস্ত সড়ক ও বিনোদনকেন্দ্রগুলোয় তরুণ ও কিশোরদের নানা দল বা উপদলের আড্ডা জমে ওঠে। বাইরে থেকে সাধারণ জটলা মনে হলেও এসব গ্রুপের আড়ালেই গড়ে উঠেছে অপরাধের নেটওয়ার্ক। স্থানীয়দের দীর্ঘদিনের অভিযোগ, এই কিশোর গ্যাংগুলোর সদস্যরা নানা ধরনের সংঘাত, ছিনতাই এবং মাদক কারবারের মতো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কুমিল্লার ১৮টি উপজেলায় অর্ধশতাধিক কিশোর গ্যাং সক্রিয় রয়েছে, যার মধ্যে কেবল কুমিল্লা নগরীতেই প্রধান গ্রুপ রয়েছে বিশটির বেশি। সম্প্রতি বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষকপুত্রের হত্যাকাণ্ডকে কেন্দ্র করে কিশোর গ্যাংয়ের বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় আসে। এর পরিপ্রেক্ষিতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী জেলাজুড়ে সাঁড়াশি অভিযান পরিচালনা করে ইতিমধ্যে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক তরুণকে আটক করেছে। সাধারণ মানুষ ও দর্শনার্থীরা নগরীর প্রধান বিনোদনকেন্দ্রগুলোতে তাদের উৎপাত বন্ধে প্রশাসনের আরও কঠোর নজরদারি দাবি করেছেন।


























