Dhaka ০৭:১৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন মজুরি কাঠামো চূড়ান্ত, শ্রমিকদের বেতন জানুয়ারি থেকে কার্যকর বড়দিন উদযাপনে খ্রিষ্টান কল্যাণ ট্রাস্টকে ৩ কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী কারখানা বন্ধের চক্রান্ত ও উসকানিকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ পোশাকশিল্পে টানা অস্থিতিশীলতায় চরম উদ্বিগ্ন উদ্যোক্তারা দেশে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর ৮৪ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত: বিশ্বব্যাংক ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাঁড়াল ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা ডলারের বিনিময় হারে ঊর্ধ্বগতি, ব্যাংকের এমডিদের সতর্ক করলেন গভর্নর উদ্যোক্তাদের অনীহায় বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি কমে ৪.১৭ শতাংশে চার মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৪.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নবায়নযোগ্য জ্বালানি এখন আর শুধু সম্ভাবনা নয়, অনিবার্য বাস্তবতা: প্রধানমন্ত্রী

স্থানীয় সরকার নির্বাচন ও নানা দাবিতে দেশজুড়ে গণসংযোগ চালিয়েছে জামায়াতে ইসলামী

  • সর্বশেষ হালনাগাদ : ০৪:০৪:৩১ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ১৭ বার দেখা হয়েছে

সাংগঠনিক দাওয়াতি কার্যক্রমের অংশ হিসেবে দেশব্যাপী মাসব্যাপী ব্যাপক গণসংযোগ কর্মসূচি সফলভাবে সম্পন্ন করেছে জামায়াতে ইসলামী। রাজধানী ঢাকাসহ সারা দেশে বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক কার্যক্রমের মাধ্যমে বৈষম্যহীন, ইনসাফপূর্ণ ও মানবিক বাংলাদেশ গড়ার ডাক দিয়ে দলটির সঙ্গে সাধারণ মানুষকে সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান জানানো হয়।

এই বিশেষ কর্মসূচির মূল লক্ষ্য ছিল আগামী স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রস্তুতি নেওয়া এবং রাজনৈতিক বিভিন্ন দাবিদাওয়া, বিশেষ করে গণভোটের রায় বাস্তবায়নসহ সাত দফা দাবি সংবলিত লংমার্চের পক্ষে জনমত গড়ে তোলা। দাওয়াতি কার্যক্রমের পাশাপাশি নানা ধরনের সেবামূলক ও সামাজিক উদ্যোগও গ্রহণ করে দলটি।

দলের শীর্ষ নেতৃত্ব থেকে শুরু করে সর্বস্তরের নেতাকর্মী এবং আসন্ন স্থানীয় নির্বাচনে সম্ভাব্য প্রার্থীরা এসব কার্যক্রমে সক্রিয়ভাবে অংশ নেন। জামায়াতের এই কর্মসূচির ফলে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল থেকে নেতাকর্মীসহ সাধারণ মানুষের একটি বড় অংশ দলটিতে ভিড়েছেন বলে জানা গেছে। দলটির নেতাদের মতে, এই গণসংযোগের মাধ্যমে আগামী স্থানীয় নির্বাচন এবং চলমান রাজনৈতিক আন্দোলনের জন্য অনুকূল মাঠ তৈরি হয়েছে।

কেন্দ্রীয় নির্দেশনার অংশ হিসেবে রাজধানীর একটি মিলনায়তনে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ জামায়াতের মাসব্যাপী এই গণসংযোগের আনুষ্ঠানিক সূচনা করেছিলেন দলটির আমির। ওই সময় বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধি, বিশিষ্ট ব্যক্তি ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ জামায়াতে আনুষ্ঠানিকভাবে যোগদান করেন। পরবর্তীতে মহানগরীর প্রতিটি থানা ও ওয়ার্ড পর্যায়ে ধারাবাহিকভাবে এই কর্মসূচি পালন করা হয়।

দলটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মাসব্যাপী এই কর্মসূচি শেষে এখন কেন্দ্রীয়ভাবে তৃণমূল পর্যায় থেকে প্রাপ্ত রিপোর্ট সংগ্রহ ও পর্যালোচনা করা হবে, যা তাদের ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক পরিকল্পনা প্রণয়নে সহায়ক হবে।

জনপ্রিয়

মোংলা বন্দরে দুটি আধুনিক কন্টেইনার জেটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী

স্থানীয় সরকার নির্বাচন ও নানা দাবিতে দেশজুড়ে গণসংযোগ চালিয়েছে জামায়াতে ইসলামী

সর্বশেষ হালনাগাদ : ০৪:০৪:৩১ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সাংগঠনিক দাওয়াতি কার্যক্রমের অংশ হিসেবে দেশব্যাপী মাসব্যাপী ব্যাপক গণসংযোগ কর্মসূচি সফলভাবে সম্পন্ন করেছে জামায়াতে ইসলামী। রাজধানী ঢাকাসহ সারা দেশে বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক কার্যক্রমের মাধ্যমে বৈষম্যহীন, ইনসাফপূর্ণ ও মানবিক বাংলাদেশ গড়ার ডাক দিয়ে দলটির সঙ্গে সাধারণ মানুষকে সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান জানানো হয়।

এই বিশেষ কর্মসূচির মূল লক্ষ্য ছিল আগামী স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রস্তুতি নেওয়া এবং রাজনৈতিক বিভিন্ন দাবিদাওয়া, বিশেষ করে গণভোটের রায় বাস্তবায়নসহ সাত দফা দাবি সংবলিত লংমার্চের পক্ষে জনমত গড়ে তোলা। দাওয়াতি কার্যক্রমের পাশাপাশি নানা ধরনের সেবামূলক ও সামাজিক উদ্যোগও গ্রহণ করে দলটি।

দলের শীর্ষ নেতৃত্ব থেকে শুরু করে সর্বস্তরের নেতাকর্মী এবং আসন্ন স্থানীয় নির্বাচনে সম্ভাব্য প্রার্থীরা এসব কার্যক্রমে সক্রিয়ভাবে অংশ নেন। জামায়াতের এই কর্মসূচির ফলে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল থেকে নেতাকর্মীসহ সাধারণ মানুষের একটি বড় অংশ দলটিতে ভিড়েছেন বলে জানা গেছে। দলটির নেতাদের মতে, এই গণসংযোগের মাধ্যমে আগামী স্থানীয় নির্বাচন এবং চলমান রাজনৈতিক আন্দোলনের জন্য অনুকূল মাঠ তৈরি হয়েছে।

কেন্দ্রীয় নির্দেশনার অংশ হিসেবে রাজধানীর একটি মিলনায়তনে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ জামায়াতের মাসব্যাপী এই গণসংযোগের আনুষ্ঠানিক সূচনা করেছিলেন দলটির আমির। ওই সময় বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধি, বিশিষ্ট ব্যক্তি ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ জামায়াতে আনুষ্ঠানিকভাবে যোগদান করেন। পরবর্তীতে মহানগরীর প্রতিটি থানা ও ওয়ার্ড পর্যায়ে ধারাবাহিকভাবে এই কর্মসূচি পালন করা হয়।

দলটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মাসব্যাপী এই কর্মসূচি শেষে এখন কেন্দ্রীয়ভাবে তৃণমূল পর্যায় থেকে প্রাপ্ত রিপোর্ট সংগ্রহ ও পর্যালোচনা করা হবে, যা তাদের ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক পরিকল্পনা প্রণয়নে সহায়ক হবে।