Dhaka ০৩:২৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন মজুরি কাঠামো চূড়ান্ত, শ্রমিকদের বেতন জানুয়ারি থেকে কার্যকর বড়দিন উদযাপনে খ্রিষ্টান কল্যাণ ট্রাস্টকে ৩ কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী কারখানা বন্ধের চক্রান্ত ও উসকানিকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ পোশাকশিল্পে টানা অস্থিতিশীলতায় চরম উদ্বিগ্ন উদ্যোক্তারা দেশে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর ৮৪ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত: বিশ্বব্যাংক ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাঁড়াল ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা ডলারের বিনিময় হারে ঊর্ধ্বগতি, ব্যাংকের এমডিদের সতর্ক করলেন গভর্নর উদ্যোক্তাদের অনীহায় বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি কমে ৪.১৭ শতাংশে চার মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৪.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নবায়নযোগ্য জ্বালানি এখন আর শুধু সম্ভাবনা নয়, অনিবার্য বাস্তবতা: প্রধানমন্ত্রী

আঙুল ফোটালে কি সত্যিই হাড় ক্ষয় হয়? যা বলছে বিজ্ঞান

  • সর্বশেষ হালনাগাদ : ০৩:৫৬:৪৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ২৪ বার দেখা হয়েছে

ছোটবেলা থেকেই আমরা প্রায় সবাই গুরুজনদের মুখে শুনে বড় হয়েছি যে আঙুল ফোটালে হাড় ক্ষয় হয়ে যায়। কেউ বলেন জয়েন্টে তরল কমে যাওয়ার কারণে এই শব্দ হয়, আবার কারও মতে হাড়ের ঘর্ষণের ফলে এই আওয়াজ সৃষ্টি হয়। অনেকে এও মনে করেন যে বারবার আঙুল ফোটালে ভবিষ্যতে আর্থ্রাইটিসের সমস্যা দেখা দিতে পারে। তবে এসব ধারণার পেছনে কতটা বৈজ্ঞানিক সত্যতা রয়েছে, তা নিয়ে রয়েছে সুনির্দিষ্ট ব্যাখ্যা।

আমাদের শরীরের প্রতিটি সচল জয়েন্ট একটি বিশেষ ক্যাপসুলের ভেতরে সায়োভিয়াল ফ্লুইড বা পিচ্ছিল তরল দ্বারা আবৃত থাকে। এই তরল হাড়ের ঘর্ষণ কমাতে সাহায্য করে এবং এর মধ্যে অক্সিজেন ও নাইট্রোজেনের মতো গ্যাস দ্রবীভূত অবস্থায় থাকে। যখন আমরা আঙুল বা কোনো জয়েন্ট টেনে হঠাৎ প্রসারিত করি, তখন ভেতরের চাপ দ্রুত কমে যায় এবং সাইনোভিয়াল তরলে দ্রবীভূত গ্যাস মুহূর্তের মধ্যে একটি ছোট গ্যাস বুদবুদ তৈরি করে। এই আকস্মিক বুদবুদ সৃষ্টির মুহূর্তেই মূলত পরিচিত ‘ফট’ বা ‘কট’ শব্দটি শোনা যায়।

বিজ্ঞানীদের গবেষণা অনুযায়ী, এই শব্দ হাড়ের ঘর্ষণ বা বুদবুদ ফেটে যাওয়ার কারণে হয় না, বরং বুদবুদ তৈরি হওয়ার সময়ই এই আওয়াজ উৎপন্ন হয়। একবার আঙুল ফোটানোর পর সঙ্গে সঙ্গে আবার শব্দ না হওয়ার কারণ হলো, গ্যাস বুদবুদটি পুনরায় তরলে মিশে যেতে কিছুটা সময় নেয়। সাধারণত এই ধরনের স্বাভাবিক জয়েন্টের শব্দ ক্ষতিকর নয়, যদি না এর সঙ্গে তীব্র ব্যথা বা ফোলাভাবের মতো কোনো রোগ লক্ষণ যুক্ত থাকে।

জনপ্রিয়

মোংলা বন্দরে দুটি আধুনিক কন্টেইনার জেটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী

আঙুল ফোটালে কি সত্যিই হাড় ক্ষয় হয়? যা বলছে বিজ্ঞান

সর্বশেষ হালনাগাদ : ০৩:৫৬:৪৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ছোটবেলা থেকেই আমরা প্রায় সবাই গুরুজনদের মুখে শুনে বড় হয়েছি যে আঙুল ফোটালে হাড় ক্ষয় হয়ে যায়। কেউ বলেন জয়েন্টে তরল কমে যাওয়ার কারণে এই শব্দ হয়, আবার কারও মতে হাড়ের ঘর্ষণের ফলে এই আওয়াজ সৃষ্টি হয়। অনেকে এও মনে করেন যে বারবার আঙুল ফোটালে ভবিষ্যতে আর্থ্রাইটিসের সমস্যা দেখা দিতে পারে। তবে এসব ধারণার পেছনে কতটা বৈজ্ঞানিক সত্যতা রয়েছে, তা নিয়ে রয়েছে সুনির্দিষ্ট ব্যাখ্যা।

আমাদের শরীরের প্রতিটি সচল জয়েন্ট একটি বিশেষ ক্যাপসুলের ভেতরে সায়োভিয়াল ফ্লুইড বা পিচ্ছিল তরল দ্বারা আবৃত থাকে। এই তরল হাড়ের ঘর্ষণ কমাতে সাহায্য করে এবং এর মধ্যে অক্সিজেন ও নাইট্রোজেনের মতো গ্যাস দ্রবীভূত অবস্থায় থাকে। যখন আমরা আঙুল বা কোনো জয়েন্ট টেনে হঠাৎ প্রসারিত করি, তখন ভেতরের চাপ দ্রুত কমে যায় এবং সাইনোভিয়াল তরলে দ্রবীভূত গ্যাস মুহূর্তের মধ্যে একটি ছোট গ্যাস বুদবুদ তৈরি করে। এই আকস্মিক বুদবুদ সৃষ্টির মুহূর্তেই মূলত পরিচিত ‘ফট’ বা ‘কট’ শব্দটি শোনা যায়।

বিজ্ঞানীদের গবেষণা অনুযায়ী, এই শব্দ হাড়ের ঘর্ষণ বা বুদবুদ ফেটে যাওয়ার কারণে হয় না, বরং বুদবুদ তৈরি হওয়ার সময়ই এই আওয়াজ উৎপন্ন হয়। একবার আঙুল ফোটানোর পর সঙ্গে সঙ্গে আবার শব্দ না হওয়ার কারণ হলো, গ্যাস বুদবুদটি পুনরায় তরলে মিশে যেতে কিছুটা সময় নেয়। সাধারণত এই ধরনের স্বাভাবিক জয়েন্টের শব্দ ক্ষতিকর নয়, যদি না এর সঙ্গে তীব্র ব্যথা বা ফোলাভাবের মতো কোনো রোগ লক্ষণ যুক্ত থাকে।