Dhaka ০৭:১৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন মজুরি কাঠামো চূড়ান্ত, শ্রমিকদের বেতন জানুয়ারি থেকে কার্যকর বড়দিন উদযাপনে খ্রিষ্টান কল্যাণ ট্রাস্টকে ৩ কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী কারখানা বন্ধের চক্রান্ত ও উসকানিকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ পোশাকশিল্পে টানা অস্থিতিশীলতায় চরম উদ্বিগ্ন উদ্যোক্তারা দেশে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর ৮৪ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত: বিশ্বব্যাংক ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাঁড়াল ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা ডলারের বিনিময় হারে ঊর্ধ্বগতি, ব্যাংকের এমডিদের সতর্ক করলেন গভর্নর উদ্যোক্তাদের অনীহায় বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি কমে ৪.১৭ শতাংশে চার মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৪.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নবায়নযোগ্য জ্বালানি এখন আর শুধু সম্ভাবনা নয়, অনিবার্য বাস্তবতা: প্রধানমন্ত্রী

মিরপুরে ফুটপাথ উচ্ছেদে সংঘর্ষ: বিরোধীদলীয় নেতার উদ্বেগ প্রকাশ

  • সর্বশেষ হালনাগাদ : ০৩:৪৬:৫২ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ১৩ বার দেখা হয়েছে

রাজধানীর মিরপুর-১০ নম্বরে ফুটপাথ উচ্ছেদ অভিযানে সংঘর্ষের ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান। স্থানীয় সংসদ সদস্যকে না জানিয়ে এবং বিকল্প ব্যবস্থা না করে এই অভিযান চালানোয় তিনি বিস্ময় প্রকাশ করেছেন।

বুধবার দুপুরে নিজের ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি বলেন, এ বিষয়ে পারস্পরিক পরামর্শের মাধ্যমে একটি উত্তম ও কার্যকর পথ বের করা সম্ভব ছিল। কিন্তু সেই পথ অনুসরণ করা হয়নি। তিনি জোর দিয়ে বলেন, এ ধরনের উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনার আগে সংশ্লিষ্ট ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের জন্য বিকল্প ব্যবস্থা নিশ্চিত করা প্রয়োজন।

ঢাকা-১৫ আসনের সংসদ সদস্য ডা. শফিকুর রহমান জানান, রাজধানীর মিরপুর এলাকায় ঢাকা মহানগর পুলিশ ও ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন উচ্ছেদ অভিযান চালাচ্ছে। অভিযানকালে পুলিশ ও সিটি করপোরেশনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে ফুটপাতে বসা ভাসমান ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের সংঘর্ষ হয়েছে।

আজ সকাল সাড়ে ১০টার দিকে মিরপুর ১৩ নম্বর থেকে ১০ নম্বর এলাকার হোপ মার্কেট এলাকায় ফুটপাথে উচ্ছেদ অভিযান চলাকালে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে সিটি করপোরেশনের কিছু সরঞ্জাম ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং উচ্ছেদ অভিযানে অংশ নেওয়া কর্মকর্তা-কর্মচারীরাও আক্রান্ত হন। পুলিশের সদস্যদের সঙ্গেও সাধারণ ব্যবসায়ীদের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে এবং সংবাদ সংগ্রহে গেলে গণমাধ্যমকর্মীদেরও বাধা দেওয়া হয়।

জামায়াতের আমির বলেন, ঢাকা-১৫ রাজধানীর একটি গুরুত্বপূর্ণ সংসদীয় আসন। জনগণ তাদের মূল্যবান ভোট দিয়ে তাকে নির্বাচিত করেছেন। জনগণের সুবিধা-অসুবিধা-সংক্রান্ত কোনো বিষয়ে পদক্ষেপ নেওয়ার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট সংসদ সদস্যের সঙ্গে পরামর্শ করা হলে বিষয়টি আরও সমন্বিতভাবে বাস্তবায়ন করা সম্ভব হতো।

তিনি আরও বলেন, সংঘাতের পরিবর্তে এমন ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন, যাতে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা অযথা ক্ষতিগ্রস্ত না হন এবং সাধারণ জনগণের চলাচলের পথও নির্বিঘ্ন ও ব্যবহারোপযোগী থাকে। এ জন্য সমন্বিত ও বাস্তবভিত্তিক উদ্যোগ প্রয়োজন।

ডা. শফিকুর রহমান অভিযোগ করেন, মাসের পর মাস ধরে একদল অসাধু ও চাঁদাবাজ ব্যক্তি এসব ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীর কাছ থেকে নিয়মিত চাঁদা নিয়ে তাদের এখানে ব্যবসা করার সুযোগ করে দিয়েছে। তারা দৈনিক, সাপ্তাহিক, মাসিক ও বার্ষিক ভিত্তিতে চাঁদা আদায় করে থাকে, যার আর্থিক বোঝা শেষ পর্যন্ত সাধারণ ক্রেতা ও জনগণের ওপর পড়ে।

তিনি বলেন, বিচ্ছিন্ন কোনো পদক্ষেপ নয়; বরং সমন্বিত, সুপরিকল্পিত ও টেকসই পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন।

জনপ্রিয়

মোংলা বন্দরে দুটি আধুনিক কন্টেইনার জেটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী

মিরপুরে ফুটপাথ উচ্ছেদে সংঘর্ষ: বিরোধীদলীয় নেতার উদ্বেগ প্রকাশ

সর্বশেষ হালনাগাদ : ০৩:৪৬:৫২ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

রাজধানীর মিরপুর-১০ নম্বরে ফুটপাথ উচ্ছেদ অভিযানে সংঘর্ষের ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান। স্থানীয় সংসদ সদস্যকে না জানিয়ে এবং বিকল্প ব্যবস্থা না করে এই অভিযান চালানোয় তিনি বিস্ময় প্রকাশ করেছেন।

বুধবার দুপুরে নিজের ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি বলেন, এ বিষয়ে পারস্পরিক পরামর্শের মাধ্যমে একটি উত্তম ও কার্যকর পথ বের করা সম্ভব ছিল। কিন্তু সেই পথ অনুসরণ করা হয়নি। তিনি জোর দিয়ে বলেন, এ ধরনের উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনার আগে সংশ্লিষ্ট ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের জন্য বিকল্প ব্যবস্থা নিশ্চিত করা প্রয়োজন।

ঢাকা-১৫ আসনের সংসদ সদস্য ডা. শফিকুর রহমান জানান, রাজধানীর মিরপুর এলাকায় ঢাকা মহানগর পুলিশ ও ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন উচ্ছেদ অভিযান চালাচ্ছে। অভিযানকালে পুলিশ ও সিটি করপোরেশনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে ফুটপাতে বসা ভাসমান ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের সংঘর্ষ হয়েছে।

আজ সকাল সাড়ে ১০টার দিকে মিরপুর ১৩ নম্বর থেকে ১০ নম্বর এলাকার হোপ মার্কেট এলাকায় ফুটপাথে উচ্ছেদ অভিযান চলাকালে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে সিটি করপোরেশনের কিছু সরঞ্জাম ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং উচ্ছেদ অভিযানে অংশ নেওয়া কর্মকর্তা-কর্মচারীরাও আক্রান্ত হন। পুলিশের সদস্যদের সঙ্গেও সাধারণ ব্যবসায়ীদের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে এবং সংবাদ সংগ্রহে গেলে গণমাধ্যমকর্মীদেরও বাধা দেওয়া হয়।

জামায়াতের আমির বলেন, ঢাকা-১৫ রাজধানীর একটি গুরুত্বপূর্ণ সংসদীয় আসন। জনগণ তাদের মূল্যবান ভোট দিয়ে তাকে নির্বাচিত করেছেন। জনগণের সুবিধা-অসুবিধা-সংক্রান্ত কোনো বিষয়ে পদক্ষেপ নেওয়ার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট সংসদ সদস্যের সঙ্গে পরামর্শ করা হলে বিষয়টি আরও সমন্বিতভাবে বাস্তবায়ন করা সম্ভব হতো।

তিনি আরও বলেন, সংঘাতের পরিবর্তে এমন ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন, যাতে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা অযথা ক্ষতিগ্রস্ত না হন এবং সাধারণ জনগণের চলাচলের পথও নির্বিঘ্ন ও ব্যবহারোপযোগী থাকে। এ জন্য সমন্বিত ও বাস্তবভিত্তিক উদ্যোগ প্রয়োজন।

ডা. শফিকুর রহমান অভিযোগ করেন, মাসের পর মাস ধরে একদল অসাধু ও চাঁদাবাজ ব্যক্তি এসব ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীর কাছ থেকে নিয়মিত চাঁদা নিয়ে তাদের এখানে ব্যবসা করার সুযোগ করে দিয়েছে। তারা দৈনিক, সাপ্তাহিক, মাসিক ও বার্ষিক ভিত্তিতে চাঁদা আদায় করে থাকে, যার আর্থিক বোঝা শেষ পর্যন্ত সাধারণ ক্রেতা ও জনগণের ওপর পড়ে।

তিনি বলেন, বিচ্ছিন্ন কোনো পদক্ষেপ নয়; বরং সমন্বিত, সুপরিকল্পিত ও টেকসই পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন।