Dhaka ০৭:১৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন মজুরি কাঠামো চূড়ান্ত, শ্রমিকদের বেতন জানুয়ারি থেকে কার্যকর বড়দিন উদযাপনে খ্রিষ্টান কল্যাণ ট্রাস্টকে ৩ কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী কারখানা বন্ধের চক্রান্ত ও উসকানিকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ পোশাকশিল্পে টানা অস্থিতিশীলতায় চরম উদ্বিগ্ন উদ্যোক্তারা দেশে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর ৮৪ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত: বিশ্বব্যাংক ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাঁড়াল ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা ডলারের বিনিময় হারে ঊর্ধ্বগতি, ব্যাংকের এমডিদের সতর্ক করলেন গভর্নর উদ্যোক্তাদের অনীহায় বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি কমে ৪.১৭ শতাংশে চার মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৪.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নবায়নযোগ্য জ্বালানি এখন আর শুধু সম্ভাবনা নয়, অনিবার্য বাস্তবতা: প্রধানমন্ত্রী

শাহজালালে দুই যাত্রীর ব্যাগে মিলল ৮১ লিটার বিদেশি মদ

  • সর্বশেষ হালনাগাদ : ১১:০১:৫৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ২৬ বার দেখা হয়েছে

হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৃথক অভিযান চালিয়ে দুই জন যাত্রীর কাছ থেকে শুল্কমুক্ত সীমার অতিরিক্ত ৮১ দশমিক ৫০ লিটার বিভিন্ন ব্র্যান্ডের বিদেশি মদ জব্দ করেছে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদফতর (সিআইআইডি)। জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) থেকে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়। জব্দ করা এসব বিদেশি মদের আনুমানিক বাজারমূল্য ১৬ লাখ ৩০ হাজার টাকা।

সিআইআইডি জানায়, সুনির্দিষ্ট গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত সার্কেলের এয়ারপোর্ট (এ-শিফট) টিমের কর্মকর্তারা বিমানবন্দরের বিভিন্ন পয়েন্টে কঠোর অবস্থান নেন। অভিযانের প্রথম ঘটনায় দুবাই থেকে আসা এমিরেটসের (EK0584) ফ্লাইটের বিদেশি পাসপোর্টধারী যাত্রী রোমান মিখাইলভ গ্রিন চ্যানেল অতিক্রম করার সময় তার ব্যাগেজ স্ক্যান করা হয়। পরবর্তীতে নিবিড় তল্লাশি চালিয়ে তার কাছ থেকে ৭৮ দশমিক ৫০ লিটার বিভিন্ন ব্র্যান্ডের বিদেশি মদ উদ্ধার করা হয়। ব্যাগেজ রুলস অনুযায়ী একজন যাত্রী ১ লিটার মদ শুল্কমুক্তভাবে আমদানির অনুমতি পাওয়ায় তার ব্যাগেজ থেকে অনুমোদিত ১ লিটার বাদ দিয়ে বাকি ৭৭ দশমিক ৫০ লিটার মদ জব্দ করা হয়।

অন্যদিকে, গত ২৯ সেপ্টেম্বর দিবাগত রাতে তার্কিস এয়ারলাইনসের (TK0712) ফ্লাইটে ঢাকায় আসা অপর যাত্রী সামিউল ইসলাম গ্রিন চ্যানেল অতিক্রম করার সময় তার ব্যাগেজ স্ক্যান করা হয়। এই যাত্রীর ব্যাগ তল্লাশি করে আরও ৪ লিটার বিদেশি মদ পাওয়া যায়, যেখান থেকেও অনুমোদিত ১ লিটার বাদ দিয়ে বাকি ৩ লিটার মদ জব্দ করা হয়। দুই ঘটনা মিলিয়ে সর্বমোট ৮১ দশমিক ৫০ লিটার বিদেশি মদ আটক করা হয়। কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদফতর জানিয়েছে, ব্যাগেজ সুবিধার অপব্যবহার রোধ এবং যেকোনো ধরনের চোরাচালান দমনে গ্রিন চ্যানেলসহ বিমানবন্দরের ঝুঁকিপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে তাদের এ ধরনের নজরদারি ও অভিযান নিয়মিত অব্যাহত থাকবে।

জনপ্রিয়

মোংলা বন্দরে দুটি আধুনিক কন্টেইনার জেটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী

শাহজালালে দুই যাত্রীর ব্যাগে মিলল ৮১ লিটার বিদেশি মদ

সর্বশেষ হালনাগাদ : ১১:০১:৫৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৃথক অভিযান চালিয়ে দুই জন যাত্রীর কাছ থেকে শুল্কমুক্ত সীমার অতিরিক্ত ৮১ দশমিক ৫০ লিটার বিভিন্ন ব্র্যান্ডের বিদেশি মদ জব্দ করেছে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদফতর (সিআইআইডি)। জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) থেকে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়। জব্দ করা এসব বিদেশি মদের আনুমানিক বাজারমূল্য ১৬ লাখ ৩০ হাজার টাকা।

সিআইআইডি জানায়, সুনির্দিষ্ট গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত সার্কেলের এয়ারপোর্ট (এ-শিফট) টিমের কর্মকর্তারা বিমানবন্দরের বিভিন্ন পয়েন্টে কঠোর অবস্থান নেন। অভিযانের প্রথম ঘটনায় দুবাই থেকে আসা এমিরেটসের (EK0584) ফ্লাইটের বিদেশি পাসপোর্টধারী যাত্রী রোমান মিখাইলভ গ্রিন চ্যানেল অতিক্রম করার সময় তার ব্যাগেজ স্ক্যান করা হয়। পরবর্তীতে নিবিড় তল্লাশি চালিয়ে তার কাছ থেকে ৭৮ দশমিক ৫০ লিটার বিভিন্ন ব্র্যান্ডের বিদেশি মদ উদ্ধার করা হয়। ব্যাগেজ রুলস অনুযায়ী একজন যাত্রী ১ লিটার মদ শুল্কমুক্তভাবে আমদানির অনুমতি পাওয়ায় তার ব্যাগেজ থেকে অনুমোদিত ১ লিটার বাদ দিয়ে বাকি ৭৭ দশমিক ৫০ লিটার মদ জব্দ করা হয়।

অন্যদিকে, গত ২৯ সেপ্টেম্বর দিবাগত রাতে তার্কিস এয়ারলাইনসের (TK0712) ফ্লাইটে ঢাকায় আসা অপর যাত্রী সামিউল ইসলাম গ্রিন চ্যানেল অতিক্রম করার সময় তার ব্যাগেজ স্ক্যান করা হয়। এই যাত্রীর ব্যাগ তল্লাশি করে আরও ৪ লিটার বিদেশি মদ পাওয়া যায়, যেখান থেকেও অনুমোদিত ১ লিটার বাদ দিয়ে বাকি ৩ লিটার মদ জব্দ করা হয়। দুই ঘটনা মিলিয়ে সর্বমোট ৮১ দশমিক ৫০ লিটার বিদেশি মদ আটক করা হয়। কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদফতর জানিয়েছে, ব্যাগেজ সুবিধার অপব্যবহার রোধ এবং যেকোনো ধরনের চোরাচালান দমনে গ্রিন চ্যানেলসহ বিমানবন্দরের ঝুঁকিপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে তাদের এ ধরনের নজরদারি ও অভিযান নিয়মিত অব্যাহত থাকবে।