কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলায় গোমতী নদীর চরে ও সমতল ভূমিতে আগাম শীতকালীন সবজি চাষে নিরলস সময় পার করছেন কৃষকরা। উপজেলার নয়টি ইউনিয়নের প্রায় সব এলাকাতেই এখন আগাম জাতের সবজি আবাদের ধুম পড়েছে। ভালো লাভের আশায় চাষিরা দিনরাত পরিশ্রম করছেন জমিতে।
সরেজমিনে গোমতীর চর ও বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, কৃষকদের কেউ জমি প্রস্তুত করছেন, কেউ নতুন চারা রোপণ করছেন, আবার কেউবা আগে লাগানো ছোট সবজির চারার নিবিড় পরিচর্যায় ব্যস্ত। বাজারে নতুন সবজির চাহিদা ও দাম দুটোই ভালো থাকে, তাই আগাম চাষে মুনাফার সম্ভাবনা বেশি। কৃষকরা লালশাক, মুলা, ফুলকপি, পাতাকপি, ঢ্যাঁড়শ, ডাটা, পুঁইশাক, টমেটো, লাউ, মিষ্টিকুমড়াসহ বিভিন্ন জাতের সবজি আবাদ করছেন। ইতোমধ্যে অনেকে আগাম জাতের সবজি বাজারে তুলেছেন এবং প্রত্যাশিত দামও পাচ্ছেন।
বুড়িচং উপজেলার একজন সবজি চাষি হোসেন মিয়া জানান, সার, বীজ ও কীটনাশকের দাম আগের চেয়ে অনেক বেড়েছে। এর ওপর শ্রমিকের পারিশ্রমিকও চড়া। এত খরচ করে চাষাবাদ করে আগের মতো লাভ হয় না, এ কারণে তিনি এখন আগের মতো বেশি জমিতে চাষ করছেন না।
এ বিষয়ে বুড়িচং উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আফরিনা আক্তার বলেন, এ বছর উপজেলায় আগাম সবজি চাষের লক্ষ্যমাত্রা ভালো। কৃষকরা এখন লাভজনক ফসল চাষে উৎসাহিত হচ্ছেন। কৃষি অফিসের পক্ষ থেকে কৃষকদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও কারিগরি সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে, যাতে তারা সুষম সার ও আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার করে উৎপাদন বাড়াতে পারেন। আগাম সবজি চাষ করে তারা যেন লাভবান হতে পারেন, সে লক্ষ্যে উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তারা মাঠে কাজ করছেন।


























