সার ব্যবস্থাপনায় কোনো ধরনের অনিয়ম বা দুর্নীতি পেলে ডিলারশিপ বাতিল এবং এর সঙ্গে কোনো কর্মকর্তা জড়িত থাকলে কঠোর বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে হুশিয়ারি দিয়েছেন কৃষি এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ। সোমবার সচিবালয়ে কৃষি মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে আসন্ন রবি মৌসুমে সার সরবরাহ বিষয়ে জেলা প্রশাসক ও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। কৃষি সচিব মো. সেলিম খানের সভাপতিত্বে সভায় দেশের সব জেলার জেলা প্রশাসক ও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালকগণ অনলাইনে যুক্ত ছিলেন।
সার বিতরণ ও ব্যবস্থাপনায় কড়া নজরদারির কথা উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, সার বিতরণে অনিয়ম, দুর্নীতি কিংবা কৃষক হয়রানির সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পাওয়া গেলেই সার ডিলারের লাইসেন্স বাতিল করা হবে। পাশাপাশি সার ব্যবস্থাপনার সঙ্গে কোনো কর্মকর্তা অনিয়মের সঙ্গে জড়িত প্রমাণিত হলে তাঁর বিরুদ্ধেও তাৎক্ষণিক বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সভায় সার ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করে নতুন ডিলারদের লাইসেন্স দেওয়ার পাশাপাশি তাঁদের ডিলারশিপ এলাকাও সুনির্দিষ্টভাবে নির্ধারণ করে দেওয়ার নির্দেশ দেন তিনি।
সরকার নির্ধারিত মূল্যে সার বিক্রি নিশ্চিত করার নির্দেশ দিয়ে মন্ত্রী বলেন, প্রতিটি ডিলারের দোকানে দৃশ্যমান স্থানে মূল্যতালিকা ও মজুতের তথ্য প্রদর্শন বাধ্যতামূলক করতে হবে। কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি, অতিরিক্ত দাম আদায়, মজুতদারি এবং সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে সার পাচার রোধে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা ও নিয়মিত অভিযান চালাতে হবে। প্রকৃত কৃষকের কাছে ন্যায্যমূল্যে সার বিতরণ নিশ্চিত করতে কৃষক কার্ড ও কৃষকের তালিকা ব্যবহারের ওপরও জোর দেন তিনি। আসন্ন রবি মৌসুমের সারের বরাদ্দ ও সরবরাহ বাড়ানোর কথা জানিয়ে কৃষিমন্ত্রী বলেন, অতীতের তুলনায় এ বছর চাহিদার চেয়েও বেশি সার সরবরাহ করা হয়েছে এবং সীমান্তবর্তী জেলাগুলোতে সার পাচার রোধে কঠোর নজরদারি বজায় রাখতে হবে।


























