Dhaka ০২:২৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন মজুরি কাঠামো চূড়ান্ত, শ্রমিকদের বেতন জানুয়ারি থেকে কার্যকর বড়দিন উদযাপনে খ্রিষ্টান কল্যাণ ট্রাস্টকে ৩ কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী কারখানা বন্ধের চক্রান্ত ও উসকানিকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ পোশাকশিল্পে টানা অস্থিতিশীলতায় চরম উদ্বিগ্ন উদ্যোক্তারা দেশে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর ৮৪ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত: বিশ্বব্যাংক ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাঁড়াল ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা ডলারের বিনিময় হারে ঊর্ধ্বগতি, ব্যাংকের এমডিদের সতর্ক করলেন গভর্নর উদ্যোক্তাদের অনীহায় বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি কমে ৪.১৭ শতাংশে চার মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৪.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নবায়নযোগ্য জ্বালানি এখন আর শুধু সম্ভাবনা নয়, অনিবার্য বাস্তবতা: প্রধানমন্ত্রী

লন্ডনে বাংলাদেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও মানবাধিকার নিয়ে প্রবাসীদের প্রতিবাদ সভা

  • সর্বশেষ হালনাগাদ : ১১:১৫:০৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬
  • ১৪ বার দেখা হয়েছে

বাংলাদেশের বর্তমান আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি, মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা সংকোচন, বিমানবন্দরে প্রবাসীদের হয়রানি এবং মেজর আখতারুজ্জামানসহ বিভিন্ন ব্যক্তির আটকের প্রতিবাদে যুক্তরাজ্যে একটি প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ‘জাস্টিস ফর জুলাই ইউকে’র উদ্যোগে লন্ডনের আলতাব আলী পার্কে এই কর্মসূচি পালিত হয়। অনুষ্ঠানে ইকুয়াল রাইটস ইন্টারন্যাশনাল ও ইনকিলাব মঞ্চ ইউকে সংহতি প্রকাশ করে অংশ নেয়।

সভায় বক্তারা বর্তমান বিএনপি সরকারের রাষ্ট্র পরিচালনা পদ্ধতি, দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, মানবাধিকার এবং নাগরিকদের নিরাপত্তা নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তারা স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেন, জনগণের জানমালের সুরক্ষা নিশ্চিত করা এবং মৌলিক অধিকার সমুন্নত রাখা যেকোনো নির্বাচিত সরকারেরই প্রধান সাংবিধানিক ও নৈতিক দায়িত্ব। রাজনৈতিক পরিচয় কিংবা ভিন্নমতের কারণে কোনো নাগরিক যাতে কোনো ধরনের হয়রানি বা অন্যায় গ্রেপ্তারের শিকার না হন, তা নিশ্চিত করার ওপর জোর দেন তারা।

জুলাইয়ের ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থানের মূল আকাঙ্ক্ষার কথা স্মরণ করে বক্তারা বলেন, দেশে ন্যায়বিচার, প্রকৃত গণতন্ত্র, মানবাধিকার রক্ষা, বৈষম্যহীন সমাজ এবং জনগণের মর্যাদা প্রতিষ্ঠা করাই ছিল সেই গণঅভ্যুত্থানের মূল লক্ষ্য। রাষ্ট্র পরিচালনার প্রতিটি ক্ষেত্রে সুশাসন, জবাবদিহি এবং আইনের শাসন নিশ্চিত করার মাধ্যমেই কেবল এসব প্রত্যাশা বাস্তবায়ন সম্ভব। কোনো রাজনৈতিক দল রাষ্ট্রক্ষমতায় আসলেও তারা জনগণের জবাবদিহির ঊর্ধ্বে থাকতে পারে না বলে মন্তব্য করেন তারা।

প্রবাসীদের হয়রানির প্রসঙ্গটি সভায় বিশেষভাবে গুরুত্ব পায়। বক্তারা বলেন, দেশের অর্থনীতিতে ও উন্নয়নে প্রবাসীদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অথচ যাতায়াতের সময় বিমানবন্দরে তাদের বিভিন্ন ধরনের হয়রানির শিকার হতে হয়, যা অত্যন্ত দুঃখজনক। প্রবাসীরা যেন দেশে আসার পর সম্মানজনক আচরণ ও যথাযথ সেবা পান, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবিলম্বে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান তারা। পরিশেষে একটি ন্যায়ভিত্তিক, গণতান্ত্রিক ও জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্রব্যবস্থা গড়ে তোলার দাবি জানানো হয় সভা থেকে।

জনপ্রিয়

বিগ ব্যাশে মুস্তাফিজকে বরণ করতে মেলবোর্ন ক্রিকেট গ্রাউন্ডে বিশেষ ‘দ্য ফিজ বে’ গ্যালারি

লন্ডনে বাংলাদেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও মানবাধিকার নিয়ে প্রবাসীদের প্রতিবাদ সভা

সর্বশেষ হালনাগাদ : ১১:১৫:০৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬

বাংলাদেশের বর্তমান আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি, মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা সংকোচন, বিমানবন্দরে প্রবাসীদের হয়রানি এবং মেজর আখতারুজ্জামানসহ বিভিন্ন ব্যক্তির আটকের প্রতিবাদে যুক্তরাজ্যে একটি প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ‘জাস্টিস ফর জুলাই ইউকে’র উদ্যোগে লন্ডনের আলতাব আলী পার্কে এই কর্মসূচি পালিত হয়। অনুষ্ঠানে ইকুয়াল রাইটস ইন্টারন্যাশনাল ও ইনকিলাব মঞ্চ ইউকে সংহতি প্রকাশ করে অংশ নেয়।

সভায় বক্তারা বর্তমান বিএনপি সরকারের রাষ্ট্র পরিচালনা পদ্ধতি, দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, মানবাধিকার এবং নাগরিকদের নিরাপত্তা নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তারা স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেন, জনগণের জানমালের সুরক্ষা নিশ্চিত করা এবং মৌলিক অধিকার সমুন্নত রাখা যেকোনো নির্বাচিত সরকারেরই প্রধান সাংবিধানিক ও নৈতিক দায়িত্ব। রাজনৈতিক পরিচয় কিংবা ভিন্নমতের কারণে কোনো নাগরিক যাতে কোনো ধরনের হয়রানি বা অন্যায় গ্রেপ্তারের শিকার না হন, তা নিশ্চিত করার ওপর জোর দেন তারা।

জুলাইয়ের ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থানের মূল আকাঙ্ক্ষার কথা স্মরণ করে বক্তারা বলেন, দেশে ন্যায়বিচার, প্রকৃত গণতন্ত্র, মানবাধিকার রক্ষা, বৈষম্যহীন সমাজ এবং জনগণের মর্যাদা প্রতিষ্ঠা করাই ছিল সেই গণঅভ্যুত্থানের মূল লক্ষ্য। রাষ্ট্র পরিচালনার প্রতিটি ক্ষেত্রে সুশাসন, জবাবদিহি এবং আইনের শাসন নিশ্চিত করার মাধ্যমেই কেবল এসব প্রত্যাশা বাস্তবায়ন সম্ভব। কোনো রাজনৈতিক দল রাষ্ট্রক্ষমতায় আসলেও তারা জনগণের জবাবদিহির ঊর্ধ্বে থাকতে পারে না বলে মন্তব্য করেন তারা।

প্রবাসীদের হয়রানির প্রসঙ্গটি সভায় বিশেষভাবে গুরুত্ব পায়। বক্তারা বলেন, দেশের অর্থনীতিতে ও উন্নয়নে প্রবাসীদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অথচ যাতায়াতের সময় বিমানবন্দরে তাদের বিভিন্ন ধরনের হয়রানির শিকার হতে হয়, যা অত্যন্ত দুঃখজনক। প্রবাসীরা যেন দেশে আসার পর সম্মানজনক আচরণ ও যথাযথ সেবা পান, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবিলম্বে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান তারা। পরিশেষে একটি ন্যায়ভিত্তিক, গণতান্ত্রিক ও জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্রব্যবস্থা গড়ে তোলার দাবি জানানো হয় সভা থেকে।