Dhaka ০২:২৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন মজুরি কাঠামো চূড়ান্ত, শ্রমিকদের বেতন জানুয়ারি থেকে কার্যকর বড়দিন উদযাপনে খ্রিষ্টান কল্যাণ ট্রাস্টকে ৩ কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী কারখানা বন্ধের চক্রান্ত ও উসকানিকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ পোশাকশিল্পে টানা অস্থিতিশীলতায় চরম উদ্বিগ্ন উদ্যোক্তারা দেশে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর ৮৪ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত: বিশ্বব্যাংক ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাঁড়াল ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা ডলারের বিনিময় হারে ঊর্ধ্বগতি, ব্যাংকের এমডিদের সতর্ক করলেন গভর্নর উদ্যোক্তাদের অনীহায় বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি কমে ৪.১৭ শতাংশে চার মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৪.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নবায়নযোগ্য জ্বালানি এখন আর শুধু সম্ভাবনা নয়, অনিবার্য বাস্তবতা: প্রধানমন্ত্রী

হেলিকপ্টারে গ্রামের বাড়িতে ফিরলেন প্রবাসী মনিরুজ্জামান মাসুম, উচ্ছ্বসিত এলাকাবাসী

  • সর্বশেষ হালনাগাদ : ০৮:২১:৫৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ নভেম্বর ২০২৬
  • ৮ বার দেখা হয়েছে

মালয়েশিয়া প্রবাসী মনিরুজ্জামান মাসুম পরিবারের সদস্যদের নিয়ে হেলিকপ্টারে চড়ে নিজ গ্রাম কুমিল্লা সদর উপজেলার কমলাপুরে ফিরেছেন। প্রিয় মানুষের এমন ব্যতিক্রমী আগমনকে ঘিরে গোটা কমলাপুর গ্রাম জুড়ে আনন্দ-উচ্ছ্বাসের ঢেউ লেগেছে।

দূর আকাশ থেকে হেলিকপ্টারের শব্দ ভেসে আসতেই গ্রামজুড়ে ছড়িয়ে পড়ে কৌতূহল ও উদ্দীপনা। প্রিয় মানুষটিকে একনজর দেখতে দূরদূরান্ত থেকে ছুটে আসেন আত্মীয়স্বজন, পাড়া-প্রতিবেশীসহ নানা বয়সী মানুষ। কারও চোখে ছিল বিস্ময়, কারও মুখে হাসি, আবার কারও মনে ছিল দীর্ঘদিন পর প্রিয়জনকে কাছে পাওয়ার অনাবিল আনন্দ।

মনিরুজ্জামান মাসুম কুমিল্লা সদর উপজেলার কমলাপুর গ্রামেরই বাসিন্দা। তিনি মালয়েশিয়ায় ব্যবসা পরিচালনার পাশাপাশি ‘মাসুম গোল্ডেন রোজ’ ও ‘মারুফ গোল্ডেন রোজ’ নামের দুটি প্রতিষ্ঠানের পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। প্রবাসে ব্যবসা-বাণিজ্য নিয়ে ব্যস্ত থাকলেও জন্মভূমির প্রতি তার গভীর টান তাকে বারবার ফিরিয়ে আনে দেশের মাটিতে।

জানা গেছে, মালয়েশিয়া থেকে দেশে ফেরার পর রাজধানীর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে প্রায় তিন ঘণ্টা অপেক্ষা করেন মনিরুজ্জামান মাসুম। আমেরিকা থেকে আসা তার খালামনি ও খালাতো বোনের অপেক্ষায় ছিলেন তিনি। পরে তাদের সঙ্গে নিয়েই হেলিকপ্টারে চড়ে রওনা হন প্রিয় জন্মভূমি কমলাপুরের উদ্দেশে।

গ্রামে হেলিকপ্টার অবতরণের খবর ছড়িয়ে পড়তেই সেখানে মানুষের ঢল নামে। জীবনে প্রথমবারের মতো গ্রামের কোনো প্রবাসীকে হেলিকপ্টারে করে বাড়ি ফিরতে দেখে স্থানীয়দের মধ্যে দেখা দেয় ব্যাপক কৌতূহল ও উচ্ছ্বাস। শিশু-কিশোর থেকে শুরু করে বৃদ্ধ পর্যন্ত সবাই ছুটে আসেন এই ব্যতিক্রমী দৃশ্যের সাক্ষী হতে। অনেকের কাছে এটি ছিল জীবনের এক নতুন অভিজ্ঞতা, আবার অনেকের কাছে আনন্দের এক অবিস্মরণীয় মুহূর্ত।

এদিকে মনিরুজ্জামান মাসুমের এমন আগমনে সবচেয়ে বেশি উচ্ছ্বসিত তার পরিবারের সদস্যরা। দীর্ঘদিন পর প্রিয়জনদের একসঙ্গে কাছে পাওয়া, পরিবারের সদস্যদের নিয়ে একই আকাশযাত্রায় জন্মভূমিতে ফেরা—সব মিলিয়ে তাদের আনন্দ ছিল বাঁধভাঙা।

ছোট বোন তানিয়া আক্তার বলেন, ভাইয়ের এমন ব্যতিক্রমী আগমনে তিনি অত্যন্ত আনন্দিত ও গর্বিত। পরিবারের সবাইকে নিয়ে একসঙ্গে বাড়ি ফেরার এই মুহূর্ত তাদের কাছে অত্যন্ত স্মরণীয় হয়ে থাকবে।

স্থানীয়দের মতে, প্রবাসে থেকেও জন্মভূমি ও আপনজনদের প্রতি ভালোবাসার যে টান, মনিরুজ্জামান মাসুমের এই আগমন যেন তারই এক অনন্য বহিঃপ্রকাশ।

জনপ্রিয়

বাংলাদেশে পরিবেশবান্ধব হাইব্রিড গাড়ি সংযোজন কারখানা স্থাপনের পরিকল্পনা করছে টয়োটা

হেলিকপ্টারে গ্রামের বাড়িতে ফিরলেন প্রবাসী মনিরুজ্জামান মাসুম, উচ্ছ্বসিত এলাকাবাসী

সর্বশেষ হালনাগাদ : ০৮:২১:৫৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ নভেম্বর ২০২৬

মালয়েশিয়া প্রবাসী মনিরুজ্জামান মাসুম পরিবারের সদস্যদের নিয়ে হেলিকপ্টারে চড়ে নিজ গ্রাম কুমিল্লা সদর উপজেলার কমলাপুরে ফিরেছেন। প্রিয় মানুষের এমন ব্যতিক্রমী আগমনকে ঘিরে গোটা কমলাপুর গ্রাম জুড়ে আনন্দ-উচ্ছ্বাসের ঢেউ লেগেছে।

দূর আকাশ থেকে হেলিকপ্টারের শব্দ ভেসে আসতেই গ্রামজুড়ে ছড়িয়ে পড়ে কৌতূহল ও উদ্দীপনা। প্রিয় মানুষটিকে একনজর দেখতে দূরদূরান্ত থেকে ছুটে আসেন আত্মীয়স্বজন, পাড়া-প্রতিবেশীসহ নানা বয়সী মানুষ। কারও চোখে ছিল বিস্ময়, কারও মুখে হাসি, আবার কারও মনে ছিল দীর্ঘদিন পর প্রিয়জনকে কাছে পাওয়ার অনাবিল আনন্দ।

মনিরুজ্জামান মাসুম কুমিল্লা সদর উপজেলার কমলাপুর গ্রামেরই বাসিন্দা। তিনি মালয়েশিয়ায় ব্যবসা পরিচালনার পাশাপাশি ‘মাসুম গোল্ডেন রোজ’ ও ‘মারুফ গোল্ডেন রোজ’ নামের দুটি প্রতিষ্ঠানের পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। প্রবাসে ব্যবসা-বাণিজ্য নিয়ে ব্যস্ত থাকলেও জন্মভূমির প্রতি তার গভীর টান তাকে বারবার ফিরিয়ে আনে দেশের মাটিতে।

জানা গেছে, মালয়েশিয়া থেকে দেশে ফেরার পর রাজধানীর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে প্রায় তিন ঘণ্টা অপেক্ষা করেন মনিরুজ্জামান মাসুম। আমেরিকা থেকে আসা তার খালামনি ও খালাতো বোনের অপেক্ষায় ছিলেন তিনি। পরে তাদের সঙ্গে নিয়েই হেলিকপ্টারে চড়ে রওনা হন প্রিয় জন্মভূমি কমলাপুরের উদ্দেশে।

গ্রামে হেলিকপ্টার অবতরণের খবর ছড়িয়ে পড়তেই সেখানে মানুষের ঢল নামে। জীবনে প্রথমবারের মতো গ্রামের কোনো প্রবাসীকে হেলিকপ্টারে করে বাড়ি ফিরতে দেখে স্থানীয়দের মধ্যে দেখা দেয় ব্যাপক কৌতূহল ও উচ্ছ্বাস। শিশু-কিশোর থেকে শুরু করে বৃদ্ধ পর্যন্ত সবাই ছুটে আসেন এই ব্যতিক্রমী দৃশ্যের সাক্ষী হতে। অনেকের কাছে এটি ছিল জীবনের এক নতুন অভিজ্ঞতা, আবার অনেকের কাছে আনন্দের এক অবিস্মরণীয় মুহূর্ত।

এদিকে মনিরুজ্জামান মাসুমের এমন আগমনে সবচেয়ে বেশি উচ্ছ্বসিত তার পরিবারের সদস্যরা। দীর্ঘদিন পর প্রিয়জনদের একসঙ্গে কাছে পাওয়া, পরিবারের সদস্যদের নিয়ে একই আকাশযাত্রায় জন্মভূমিতে ফেরা—সব মিলিয়ে তাদের আনন্দ ছিল বাঁধভাঙা।

ছোট বোন তানিয়া আক্তার বলেন, ভাইয়ের এমন ব্যতিক্রমী আগমনে তিনি অত্যন্ত আনন্দিত ও গর্বিত। পরিবারের সবাইকে নিয়ে একসঙ্গে বাড়ি ফেরার এই মুহূর্ত তাদের কাছে অত্যন্ত স্মরণীয় হয়ে থাকবে।

স্থানীয়দের মতে, প্রবাসে থেকেও জন্মভূমি ও আপনজনদের প্রতি ভালোবাসার যে টান, মনিরুজ্জামান মাসুমের এই আগমন যেন তারই এক অনন্য বহিঃপ্রকাশ।