ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে জাপানি ফল পার্সিমন চাষ করে বড় ধরনের সাড়া ফেলেছেন কৃষি উদ্যোক্তা আশরাফ হোসেন স্বপন। তার বাগানের গাছে গাছে এখন শোভা পাচ্ছে কমলা ও হলুদাভ রঙের মিষ্টি পার্সিমন। আকর্ষণীয় রং ও সুস্বাদু বৈশিষ্ট্যের কারণে স্থানীয়দের মাঝে ফলটি চাষে কৌতূহল ও আগ্রহ তৈরি হয়েছে।
উপজেলার বালিয়াডাঙ্গা গ্রামে প্রায় এক বিঘা জমিতে দুই বছর আগে পার্সিমনের চারা রোপণ করেন স্বপন। বর্তমানে তার বাগানে ফুয়ু, সুইট তাইকাওয়াসী, জিরো, চিকেন হার্ট, বিগ মোপান ও হাচিয়া জাতের গাছ রয়েছে। এর মধ্যে পাঁচটি জাতের গাছেই এবার ফল এসেছে। বাগানের অধিকাংশ ফলই কষমুক্ত হওয়ায় স্থানীয় অনেকেই এটি চাষে উৎসাহ দেখাচ্ছেন।
উদ্যোক্তা আশরাফ হোসেন জানান, দেশের বিভিন্ন সুপারশপে প্রতি কেজি পার্সিমন প্রায় ১ হাজার ৫০০ টাকায় বিক্রি হয়। এক বিঘা জমিতে প্রায় ১২০টি চারা রোপণ করা যায় এবং অন্যান্য সাধারণ ফলের বাগানের মতোই জৈব সার ব্যবহার করে এর পরিচর্যা করতে হয়।
ঝিনাইদহ জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক কামরুজ্জামান জানান, জেলার কিছু উদ্যোক্তা নিজস্ব উদ্যোগে বিভিন্ন স্থান থেকে চারা সংগ্রহ করে পার্সিমন চাষ করছেন। সরকারিভাবে এখনো পার্সিমনের জাত উন্নয়ন বা সম্প্রসারণের কাজ শুরু না হলেও কৃষি বিভাগ থেকে তাদের প্রয়োজনীয় প্রযুক্তিগত পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।


























