Dhaka ০৩:০৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন মজুরি কাঠামো চূড়ান্ত, শ্রমিকদের বেতন জানুয়ারি থেকে কার্যকর বড়দিন উদযাপনে খ্রিষ্টান কল্যাণ ট্রাস্টকে ৩ কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী কারখানা বন্ধের চক্রান্ত ও উসকানিকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ পোশাকশিল্পে টানা অস্থিতিশীলতায় চরম উদ্বিগ্ন উদ্যোক্তারা দেশে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর ৮৪ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত: বিশ্বব্যাংক ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাঁড়াল ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা ডলারের বিনিময় হারে ঊর্ধ্বগতি, ব্যাংকের এমডিদের সতর্ক করলেন গভর্নর উদ্যোক্তাদের অনীহায় বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি কমে ৪.১৭ শতাংশে চার মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৪.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নবায়নযোগ্য জ্বালানি এখন আর শুধু সম্ভাবনা নয়, অনিবার্য বাস্তবতা: প্রধানমন্ত্রী

প্রতি শুক্রবার জুমার নামাজকে কেন্দ্র করে রাজধানীতে ধারাবাহিক ককটেল বিস্ফোরণ ও নাশকতার ছক

  • সর্বশেষ হালনাগাদ : ১২:৫৪:৪৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ২৪ বার দেখা হয়েছে

শুক্রবারে গুলশানে ঝটিকা মিছিল ও ককটেল বিস্ফোরণ এবং পরবর্তী শুক্রবারে রাজধানীর বিভিন্ন প্রান্তে ধারাবাহিক ককটেল বিস্ফোরণ ও বাসে আগুন দেওয়ার মতো নাশকতামূলক ঘটনা নতুন করে গভীর উদ্বেগের জন্ম দিয়েছে। অত্যন্ত সুকৌশলে মাত্র কয়েক মিনিটের মধ্যে এসব ঘটনা ঘটিয়ে অপরাধীরা দ্রুত পালিয়ে যাওয়ায় পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর আগেই তাদের কথিত কর্মসূচি শেষ হয়ে যাচ্ছে। ফলশ্রুতিতে ঘটনার পর মামলা দায়ের, সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ ও সন্দেহভাজনদের গ্রেপ্তারের দীর্ঘ প্রক্রিয়া চললেও অপরাধ ঘটার আগে তা কার্যকরভাবে রোধ করা সম্ভব হচ্ছে না।

সর্বশেষ গত শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরের পর থেকে রাত পর্যন্ত রাজধানী ঢাকার মালিবাগ রেলগেট, মহাখালী, আগারগাঁও, যাত্রাবাড়ী, বাবুবাজার ও মগবাজারসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় একের পর এক ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এর মধ্যে যাত্রাবাড়ী চৌরাস্তা পুলিশ বক্সের সামনে সংঘটিত বিস্ফোরণে ইবাদুর রহমান নামের এক অটোরিকশাচালক আহত হন। এছাড়া রাত ১০টার পর কাফরুল থানার ঠিক সামনে একটি যাত্রীবাহী বাসে আগুন ধরিয়ে দেওয়ার ঘটনা ঘটে। তবে এসব সহিংসতার সঙ্গে সরাসরি কারা জড়িত, তা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত করতে পারেনি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

গত কয়েক সপ্তাহ ধরে প্রতি শুক্রবার নিয়মিতভাবে গুলশান, মালিবাগ, মহাখালী ও কাফরুলের মতো এলাকায় ককটেল বিস্ফোরণ, বাসে অগ্নিসংযোগ ও ঝটিকা মিছিলের ঘটনা ঘটে চলেছে। জুমার নামাজের সময় রাজধানীজুড়ে সাধারণ মানুষের বিশাল সমাগম ও লোকসমাগমকে সুকৌশলে কাজে লাগাচ্ছে দুষ্কৃতকারীরা। বড় জমায়েতের সুযোগ নিয়ে তারা অল্পসময়ে নাশকতা চালিয়ে মুহূর্তের মধ্যে ভিড়ের মাঝে মিশে যাচ্ছে, যার ফলে পুলিশের নাগালের বাইরে চলে যাওয়া তাদের জন্য সহজ হচ্ছে। কাফরুল থানার ওসিসহ সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন যে বাসে আগুন দেওয়ার ঘটনার পেছনের কুশীলবদের খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

সপ্তাহের পর সপ্তাহ এমন ধারাবাহিক ঘটনা ঘটায় স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠেছে যে, একটি নাশকতা শেষ না হতেই আরেকটি কেন ঘটছে এবং গোয়েন্দা বাহিনী আগে থেকে এর কোনো পূর্বাভাস পাচ্ছে কেন না। গত ১১ সেপ্টেম্বর শুক্রবার গুলশানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের ঝটিকা মিছিল ঠেকাতে গিয়ে পুলিশকে ককটেল বিস্ফোরণ ও রাবার বুলেটের মুখোমুখি হতে হয়। ওই ঘটনায় দুটি মামলা ও বেশ কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করা হলেও গুলশান থানার ওসি ও উপ-কমিশনারকে প্রত্যাহার করা হয়। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদও স্বীকার করেছিলেন যে মিছিলের সাধারণ তথ্য থাকলেও জুমার সময় এমন তাণ্ডব হতে পারে তা অনুমান করা যায়নি।

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কর্মকর্তারা স্বীকার করছেন যে, আগাম প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় বাধা হলো সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের অভাব। কোনো এলাকায় ঝটিকা মিছিল বা নাশকতা হতে পারে এমন সাধারণ আভাস মিললেও ঠিক কোন সময়ে, কোন সড়কে এবং কারা তা ঘটাবে—সে তথ্য সময়মতো না পাওয়ায় আগাম প্রস্তুতি নেওয়া কঠিন হয়ে পড়ছে। এই পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) রাজধানীজুড়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থা ব্যাপকভাবে জোরদার করেছে। শহরজুড়ে দুই শতাধিক চেকপোস্ট বসিয়ে তল্লাশি ও বিশেষ করে মোটরসাইকেল চলাচলের ওপর কড়া নজরদারি শুরু হয়েছে।

গোয়েন্দা সূত্রের দাবি, আগামী ডিসেম্বর মাসকে সামনে রেখে কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগ তাদের মাঠপর্যায়ের কর্মীদের নতুন করে সক্রিয় করতে চাইছে। দীর্ঘদিন নিষ্ক্রিয় থাকার পর সাংগঠনিক উপস্থিতি জানান দিতেই এই ঝটিকা মিছিল ও নাশকতার কৌশল বেছে নেওয়া হয়েছে। পলাতক জ্যেষ্ঠ নেতাদের সঙ্গে তৃণমূলের যোগাযোগের পাশাপাশি আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার এবং বিভিন্ন ভিডিও বার্তার নির্দেশনা এর সঙ্গে জড়িত থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। যদিও ১৮ সেপ্টেম্বরের বিস্ফোরণের সঙ্গে সরাসরি ডিসেম্বরকেন্দ্রিক রাজনীতির যোগসূত্র এখনও নিশ্চিত করা যায়নি।

পুলিশ সদর দপ্তরের মিডিয়া উইংয়ের এআইজি এ এইচ এম শাহাদাত হোসাইন জানিয়েছেন, নিষিদ্ধঘোষিত দলের যেকোনো অপতৎপরতা রুখতে গোয়েন্দা নজরদারি অব্যাহত রয়েছে এবং তথ্যের ঘাটতি থাকলে তা পর্যালোচনা করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অন্যদিকে ডিএমপির এডিসি (মিডিয়া) নিয়াজ মেহেদী জানিয়েছেন যে গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট, ফ্লাইওভার ও প্রবেশপথগুলোতে নিয়মিত টহল এবং চেকপোস্টের মাধ্যমে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হচ্ছে। তবে বিশ্লেষকরা মনে করছেন, কেবল ঘটনা-পরবর্তী প্রতিক্রিয়া বা চেকপোস্ট বসানোর চেয়ে সময়োপযোগী ও সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ এবং বিভিন্ন ইউনিটের মধ্যে শক্তিশালী সমন্বয়ই কেবল এ ধরনের নাশকতা চিরতরে রোধ করতে পারে।

জনপ্রিয়

মোংলা বন্দরে দুটি আধুনিক কন্টেইনার জেটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী

প্রতি শুক্রবার জুমার নামাজকে কেন্দ্র করে রাজধানীতে ধারাবাহিক ককটেল বিস্ফোরণ ও নাশকতার ছক

সর্বশেষ হালনাগাদ : ১২:৫৪:৪৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

শুক্রবারে গুলশানে ঝটিকা মিছিল ও ককটেল বিস্ফোরণ এবং পরবর্তী শুক্রবারে রাজধানীর বিভিন্ন প্রান্তে ধারাবাহিক ককটেল বিস্ফোরণ ও বাসে আগুন দেওয়ার মতো নাশকতামূলক ঘটনা নতুন করে গভীর উদ্বেগের জন্ম দিয়েছে। অত্যন্ত সুকৌশলে মাত্র কয়েক মিনিটের মধ্যে এসব ঘটনা ঘটিয়ে অপরাধীরা দ্রুত পালিয়ে যাওয়ায় পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর আগেই তাদের কথিত কর্মসূচি শেষ হয়ে যাচ্ছে। ফলশ্রুতিতে ঘটনার পর মামলা দায়ের, সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ ও সন্দেহভাজনদের গ্রেপ্তারের দীর্ঘ প্রক্রিয়া চললেও অপরাধ ঘটার আগে তা কার্যকরভাবে রোধ করা সম্ভব হচ্ছে না।

সর্বশেষ গত শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরের পর থেকে রাত পর্যন্ত রাজধানী ঢাকার মালিবাগ রেলগেট, মহাখালী, আগারগাঁও, যাত্রাবাড়ী, বাবুবাজার ও মগবাজারসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় একের পর এক ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এর মধ্যে যাত্রাবাড়ী চৌরাস্তা পুলিশ বক্সের সামনে সংঘটিত বিস্ফোরণে ইবাদুর রহমান নামের এক অটোরিকশাচালক আহত হন। এছাড়া রাত ১০টার পর কাফরুল থানার ঠিক সামনে একটি যাত্রীবাহী বাসে আগুন ধরিয়ে দেওয়ার ঘটনা ঘটে। তবে এসব সহিংসতার সঙ্গে সরাসরি কারা জড়িত, তা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত করতে পারেনি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

গত কয়েক সপ্তাহ ধরে প্রতি শুক্রবার নিয়মিতভাবে গুলশান, মালিবাগ, মহাখালী ও কাফরুলের মতো এলাকায় ককটেল বিস্ফোরণ, বাসে অগ্নিসংযোগ ও ঝটিকা মিছিলের ঘটনা ঘটে চলেছে। জুমার নামাজের সময় রাজধানীজুড়ে সাধারণ মানুষের বিশাল সমাগম ও লোকসমাগমকে সুকৌশলে কাজে লাগাচ্ছে দুষ্কৃতকারীরা। বড় জমায়েতের সুযোগ নিয়ে তারা অল্পসময়ে নাশকতা চালিয়ে মুহূর্তের মধ্যে ভিড়ের মাঝে মিশে যাচ্ছে, যার ফলে পুলিশের নাগালের বাইরে চলে যাওয়া তাদের জন্য সহজ হচ্ছে। কাফরুল থানার ওসিসহ সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন যে বাসে আগুন দেওয়ার ঘটনার পেছনের কুশীলবদের খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

সপ্তাহের পর সপ্তাহ এমন ধারাবাহিক ঘটনা ঘটায় স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠেছে যে, একটি নাশকতা শেষ না হতেই আরেকটি কেন ঘটছে এবং গোয়েন্দা বাহিনী আগে থেকে এর কোনো পূর্বাভাস পাচ্ছে কেন না। গত ১১ সেপ্টেম্বর শুক্রবার গুলশানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের ঝটিকা মিছিল ঠেকাতে গিয়ে পুলিশকে ককটেল বিস্ফোরণ ও রাবার বুলেটের মুখোমুখি হতে হয়। ওই ঘটনায় দুটি মামলা ও বেশ কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করা হলেও গুলশান থানার ওসি ও উপ-কমিশনারকে প্রত্যাহার করা হয়। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদও স্বীকার করেছিলেন যে মিছিলের সাধারণ তথ্য থাকলেও জুমার সময় এমন তাণ্ডব হতে পারে তা অনুমান করা যায়নি।

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কর্মকর্তারা স্বীকার করছেন যে, আগাম প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় বাধা হলো সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের অভাব। কোনো এলাকায় ঝটিকা মিছিল বা নাশকতা হতে পারে এমন সাধারণ আভাস মিললেও ঠিক কোন সময়ে, কোন সড়কে এবং কারা তা ঘটাবে—সে তথ্য সময়মতো না পাওয়ায় আগাম প্রস্তুতি নেওয়া কঠিন হয়ে পড়ছে। এই পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) রাজধানীজুড়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থা ব্যাপকভাবে জোরদার করেছে। শহরজুড়ে দুই শতাধিক চেকপোস্ট বসিয়ে তল্লাশি ও বিশেষ করে মোটরসাইকেল চলাচলের ওপর কড়া নজরদারি শুরু হয়েছে।

গোয়েন্দা সূত্রের দাবি, আগামী ডিসেম্বর মাসকে সামনে রেখে কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগ তাদের মাঠপর্যায়ের কর্মীদের নতুন করে সক্রিয় করতে চাইছে। দীর্ঘদিন নিষ্ক্রিয় থাকার পর সাংগঠনিক উপস্থিতি জানান দিতেই এই ঝটিকা মিছিল ও নাশকতার কৌশল বেছে নেওয়া হয়েছে। পলাতক জ্যেষ্ঠ নেতাদের সঙ্গে তৃণমূলের যোগাযোগের পাশাপাশি আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার এবং বিভিন্ন ভিডিও বার্তার নির্দেশনা এর সঙ্গে জড়িত থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। যদিও ১৮ সেপ্টেম্বরের বিস্ফোরণের সঙ্গে সরাসরি ডিসেম্বরকেন্দ্রিক রাজনীতির যোগসূত্র এখনও নিশ্চিত করা যায়নি।

পুলিশ সদর দপ্তরের মিডিয়া উইংয়ের এআইজি এ এইচ এম শাহাদাত হোসাইন জানিয়েছেন, নিষিদ্ধঘোষিত দলের যেকোনো অপতৎপরতা রুখতে গোয়েন্দা নজরদারি অব্যাহত রয়েছে এবং তথ্যের ঘাটতি থাকলে তা পর্যালোচনা করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অন্যদিকে ডিএমপির এডিসি (মিডিয়া) নিয়াজ মেহেদী জানিয়েছেন যে গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট, ফ্লাইওভার ও প্রবেশপথগুলোতে নিয়মিত টহল এবং চেকপোস্টের মাধ্যমে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হচ্ছে। তবে বিশ্লেষকরা মনে করছেন, কেবল ঘটনা-পরবর্তী প্রতিক্রিয়া বা চেকপোস্ট বসানোর চেয়ে সময়োপযোগী ও সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ এবং বিভিন্ন ইউনিটের মধ্যে শক্তিশালী সমন্বয়ই কেবল এ ধরনের নাশকতা চিরতরে রোধ করতে পারে।