Dhaka ০৩:০৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন মজুরি কাঠামো চূড়ান্ত, শ্রমিকদের বেতন জানুয়ারি থেকে কার্যকর বড়দিন উদযাপনে খ্রিষ্টান কল্যাণ ট্রাস্টকে ৩ কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী কারখানা বন্ধের চক্রান্ত ও উসকানিকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ পোশাকশিল্পে টানা অস্থিতিশীলতায় চরম উদ্বিগ্ন উদ্যোক্তারা দেশে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর ৮৪ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত: বিশ্বব্যাংক ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাঁড়াল ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা ডলারের বিনিময় হারে ঊর্ধ্বগতি, ব্যাংকের এমডিদের সতর্ক করলেন গভর্নর উদ্যোক্তাদের অনীহায় বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি কমে ৪.১৭ শতাংশে চার মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৪.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নবায়নযোগ্য জ্বালানি এখন আর শুধু সম্ভাবনা নয়, অনিবার্য বাস্তবতা: প্রধানমন্ত্রী

ঠাকুরগাঁও সীমান্তে এক যুগে বিএসএফের গুলিতে ২৬ প্রাণহানি

  • সর্বশেষ হালনাগাদ : ০১:৫৯:২৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৩১ বার দেখা হয়েছে

ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে সাধারণ নাগরিকদের নিরাপত্তা ও জীবনহানি নিয়ে উদ্বেগ দিন দিন তীব্র হচ্ছে। ঠাকুরগাঁওয়ের বিভিন্ন সীমান্ত এলাকায় ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) গুলিতে গত এক যুগে অন্তত ২৬ জন বাংলাদেশি নাগরিক প্রাণ হারিয়েছেন। এছাড়া এ সময়ের মধ্যে আহত হয়েছেন আরও বহু মানুষ। সীমান্ত সংলগ্ন গ্রামগুলোতে প্রতিনিয়ত আতঙ্কের ছায়ায় বসবাস করছেন স্থানীয় অধিবাসীরা; যেখানে কৃষিজমিতে ঘাস কাটা, নদীতে মাছ ধরা কিংবা আত্মীয়ের বাড়িতে যাতায়াতের মতো স্বাভাবিক কাজের ক্ষেত্রেও জীবননাশের শঙ্কা তৈরি হচ্ছে।


​পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত ঠাকুরগাঁও সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে ২৪ জন বাংলাদেশি নিহত হওয়ার তথ্য নথিভুক্ত হয়েছিল। এর ধারাবাহিকতায় চলতি ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বর মাসে পীরগঞ্জের চান্দেরহাট সীমান্তে বিএসএফের নতুন গুলিবর্ষণে আরও দুজনের প্রাণহানি ঘটে। গত ১২ সেপ্টেম্বর ভোরে পীরগঞ্জ উপজেলার চান্দেরহাট সীমান্তের ৩৩৩ নম্বর প্রধান পিলারের কাছে বিএসএফের গুলিতে তিন বাংলাদেশি আহত হন। আক্রান্ত ব্যক্তিরা হলেন—দক্ষিণ ইন্দ্রইল গ্রামের আসাদুল হক (৩৮), উত্তর ইন্দ্রইল গ্রামের মোস্তাকিম এবং একই এলাকার শ্রী উদা রায়। গুলিবিদ্ধ তিনজনকে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের রায়গঞ্জস্থ কালিয়াগঞ্জ স্টেট জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আসাদুল হক ও মোস্তাকিম মারা যান এবং শ্রী উদা রায়কে ভারতীয় পুলিশ আটক করে। ঘটনার প্রায় ৩৬ ঘণ্টা পর ১৩ সেপ্টেম্বর রাতে বিজিবি-বিএসএফ পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে আসাদুল হকের মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনা হলেও মোস্তাকিমের মরদেহ ও উদা রায় ভারতের হেফাজতে রয়ে যান।


​ঠাকুরগাঁও ৫০ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিক্ষেত্রে হরিপুর, রাণীশংকৈল, বালিয়াডাঙ্গী এবং পীরগঞ্জ উপজেলার একাংশ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এই বিস্তীর্ণ সীমান্ত পাহাড়ায় রয়েছে মোট ১৯টি বিওপি, যার মধ্যে ১৬টি ঠাকুরগাঁও এবং ৩টি পঞ্চগড় জেলায় অবস্থিত। বেউরঝাড়ী, কান্তিভিটা, রত্নাই, বজরুক, মুন্ডুমালা, জগদল, চাপসার, নাগরভিটা ও কান্দালসহ একাধিক পয়েন্টে বিভিন্ন সময়ে বিএসএফের গুলিবর্ষণে প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে। ২০১৯ থেকে ২০২৫ সালের তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, নিহতদের অনেকেই ঘাস কাটা, মাছ ধরা বা স্বজনদের বাড়িতে বেড়াতে গিয়ে বিএসএফের সহিংসতার শিকার হন। যদিও বিজিবি ও বিএসএফের তরফ থেকে প্রায়শই তাদের ‘চোরাকারবারি’ কিংবা ‘অবৈধ অনুপ্রবেশকারী’ হিসেবে দাবি করা হয়, তবে নিহতের পরিবারগুলো এই ধরনের অভিযোগ বরাবরই প্রত্যাখ্যান করে আসছে।


​নিহতদের পরিবারে শোক আর অনটনের ক্ষত ক্রমশ গভীর হচ্ছে। ২০২৫ সালের জুলাইয়ে হরিপুরের চাপসার সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে প্রাণ হারান রাসেল নামের এক যুবক, যার মা সেলিনা বেগম আজও সন্তান হারানোর শোকে দিশেহারা। একই বছরের সেপ্টেম্বরে রাণীশংকৈলের ধর্মগড় সীমান্তে নানার বাড়িতে যাওয়ার পথে বিএসএফের গুলিতে নিহত হয় ১৫ বছর বয়সী কিশোর জয়ন্ত এবং তাকে বাঁচাতে গিয়ে গুলিবিদ্ধ হন তার বাবা মহাদেব। এছাড়া বালিয়াডাঙ্গীর মুন্ডুমালা সীমান্তে নিহত শাহ আলম ও বেউরঝাড়ী সীমান্তে নিহত নুরুজ্জামানের পরিবারগুলো আজ উপার্জনক্ষম সদস্য হারিয়ে চরম অসহায়ত্ব ও অর্থকষ্টে দিন কাটাচ্ছে। নুরুজ্জামানের স্ত্রী আলেফা বেগম দুই সন্তানকে নিয়ে বেঁচে থাকার আকুতি জানিয়েছেন।


​সীমান্তে এ ধরনের নির্মমতা বন্ধে সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপের দাবি তুলেছেন স্থানীয় সচেতন মহল। সীমান্ত ব্যবসায়ী মানিক সীমান্তে দ্রুত কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণের তাগিদ দেন, যাতে চোরাকারবারির অজুহাত দেওয়া বন্ধ হয়। সাংস্কৃতিক কর্মী মাসুদ আহম্মেদ সূবর্ণ কার্যকর কূটনৈতিক সমাধানের জোর দাবি জানান এবং তেল-গ্যাস রক্ষা কমিটির সদস্যসচিব মাহাবুব আলম রুবেল ফেলানী হত্যার প্রসঙ্গ টেনে বিচারহীনতার সংস্কৃতির অবসান চান। এদিকে ঠাকুরগাঁও লিগ্যাল এইড অফিসার (সিনিয়র সহকারী জজ) মজনু মিয়া সীমান্ত হত্যায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে জানান, সংবিধানে প্রদেয় নাগরিক অধিকার রক্ষায় রাষ্ট্র ভুক্তভোগী পরিবারগুলোকে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে আইনি সহায়তা দিতে প্রস্তুত। অপরদিকে ঠাকুরগাঁও ৫০ বিজিবির অধিনায়ক লে. কর্নেল আখলাকুর রহমান জানান, ঠাকুরগাঁওয়ের ১০৬.৪ কিলোমিটারসহ রংপুর রিজিয়নের অধীনে থাকা ১,৬৬০ কিলোমিটার সীমান্ত এলাকায় বিজিবি মানব পাচার ও মাদক প্রতিরোধের পাশাপাশি সীমান্ত হত্যা শূন্যে নামিয়ে আনতে নিরলসভাবে কাজ করছে। স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, শিক্ষক ও ধর্মীয় নেতাদের যুক্ত করে জনগণকে অবৈধভাবে সীমান্ত পারাপার না হওয়ার জন্য নিয়মিত সচেতন করা হচ্ছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

জনপ্রিয়

মোংলা বন্দরে দুটি আধুনিক কন্টেইনার জেটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী

ঠাকুরগাঁও সীমান্তে এক যুগে বিএসএফের গুলিতে ২৬ প্রাণহানি

সর্বশেষ হালনাগাদ : ০১:৫৯:২৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে সাধারণ নাগরিকদের নিরাপত্তা ও জীবনহানি নিয়ে উদ্বেগ দিন দিন তীব্র হচ্ছে। ঠাকুরগাঁওয়ের বিভিন্ন সীমান্ত এলাকায় ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) গুলিতে গত এক যুগে অন্তত ২৬ জন বাংলাদেশি নাগরিক প্রাণ হারিয়েছেন। এছাড়া এ সময়ের মধ্যে আহত হয়েছেন আরও বহু মানুষ। সীমান্ত সংলগ্ন গ্রামগুলোতে প্রতিনিয়ত আতঙ্কের ছায়ায় বসবাস করছেন স্থানীয় অধিবাসীরা; যেখানে কৃষিজমিতে ঘাস কাটা, নদীতে মাছ ধরা কিংবা আত্মীয়ের বাড়িতে যাতায়াতের মতো স্বাভাবিক কাজের ক্ষেত্রেও জীবননাশের শঙ্কা তৈরি হচ্ছে।


​পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত ঠাকুরগাঁও সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে ২৪ জন বাংলাদেশি নিহত হওয়ার তথ্য নথিভুক্ত হয়েছিল। এর ধারাবাহিকতায় চলতি ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বর মাসে পীরগঞ্জের চান্দেরহাট সীমান্তে বিএসএফের নতুন গুলিবর্ষণে আরও দুজনের প্রাণহানি ঘটে। গত ১২ সেপ্টেম্বর ভোরে পীরগঞ্জ উপজেলার চান্দেরহাট সীমান্তের ৩৩৩ নম্বর প্রধান পিলারের কাছে বিএসএফের গুলিতে তিন বাংলাদেশি আহত হন। আক্রান্ত ব্যক্তিরা হলেন—দক্ষিণ ইন্দ্রইল গ্রামের আসাদুল হক (৩৮), উত্তর ইন্দ্রইল গ্রামের মোস্তাকিম এবং একই এলাকার শ্রী উদা রায়। গুলিবিদ্ধ তিনজনকে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের রায়গঞ্জস্থ কালিয়াগঞ্জ স্টেট জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আসাদুল হক ও মোস্তাকিম মারা যান এবং শ্রী উদা রায়কে ভারতীয় পুলিশ আটক করে। ঘটনার প্রায় ৩৬ ঘণ্টা পর ১৩ সেপ্টেম্বর রাতে বিজিবি-বিএসএফ পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে আসাদুল হকের মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনা হলেও মোস্তাকিমের মরদেহ ও উদা রায় ভারতের হেফাজতে রয়ে যান।


​ঠাকুরগাঁও ৫০ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিক্ষেত্রে হরিপুর, রাণীশংকৈল, বালিয়াডাঙ্গী এবং পীরগঞ্জ উপজেলার একাংশ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এই বিস্তীর্ণ সীমান্ত পাহাড়ায় রয়েছে মোট ১৯টি বিওপি, যার মধ্যে ১৬টি ঠাকুরগাঁও এবং ৩টি পঞ্চগড় জেলায় অবস্থিত। বেউরঝাড়ী, কান্তিভিটা, রত্নাই, বজরুক, মুন্ডুমালা, জগদল, চাপসার, নাগরভিটা ও কান্দালসহ একাধিক পয়েন্টে বিভিন্ন সময়ে বিএসএফের গুলিবর্ষণে প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে। ২০১৯ থেকে ২০২৫ সালের তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, নিহতদের অনেকেই ঘাস কাটা, মাছ ধরা বা স্বজনদের বাড়িতে বেড়াতে গিয়ে বিএসএফের সহিংসতার শিকার হন। যদিও বিজিবি ও বিএসএফের তরফ থেকে প্রায়শই তাদের ‘চোরাকারবারি’ কিংবা ‘অবৈধ অনুপ্রবেশকারী’ হিসেবে দাবি করা হয়, তবে নিহতের পরিবারগুলো এই ধরনের অভিযোগ বরাবরই প্রত্যাখ্যান করে আসছে।


​নিহতদের পরিবারে শোক আর অনটনের ক্ষত ক্রমশ গভীর হচ্ছে। ২০২৫ সালের জুলাইয়ে হরিপুরের চাপসার সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে প্রাণ হারান রাসেল নামের এক যুবক, যার মা সেলিনা বেগম আজও সন্তান হারানোর শোকে দিশেহারা। একই বছরের সেপ্টেম্বরে রাণীশংকৈলের ধর্মগড় সীমান্তে নানার বাড়িতে যাওয়ার পথে বিএসএফের গুলিতে নিহত হয় ১৫ বছর বয়সী কিশোর জয়ন্ত এবং তাকে বাঁচাতে গিয়ে গুলিবিদ্ধ হন তার বাবা মহাদেব। এছাড়া বালিয়াডাঙ্গীর মুন্ডুমালা সীমান্তে নিহত শাহ আলম ও বেউরঝাড়ী সীমান্তে নিহত নুরুজ্জামানের পরিবারগুলো আজ উপার্জনক্ষম সদস্য হারিয়ে চরম অসহায়ত্ব ও অর্থকষ্টে দিন কাটাচ্ছে। নুরুজ্জামানের স্ত্রী আলেফা বেগম দুই সন্তানকে নিয়ে বেঁচে থাকার আকুতি জানিয়েছেন।


​সীমান্তে এ ধরনের নির্মমতা বন্ধে সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপের দাবি তুলেছেন স্থানীয় সচেতন মহল। সীমান্ত ব্যবসায়ী মানিক সীমান্তে দ্রুত কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণের তাগিদ দেন, যাতে চোরাকারবারির অজুহাত দেওয়া বন্ধ হয়। সাংস্কৃতিক কর্মী মাসুদ আহম্মেদ সূবর্ণ কার্যকর কূটনৈতিক সমাধানের জোর দাবি জানান এবং তেল-গ্যাস রক্ষা কমিটির সদস্যসচিব মাহাবুব আলম রুবেল ফেলানী হত্যার প্রসঙ্গ টেনে বিচারহীনতার সংস্কৃতির অবসান চান। এদিকে ঠাকুরগাঁও লিগ্যাল এইড অফিসার (সিনিয়র সহকারী জজ) মজনু মিয়া সীমান্ত হত্যায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে জানান, সংবিধানে প্রদেয় নাগরিক অধিকার রক্ষায় রাষ্ট্র ভুক্তভোগী পরিবারগুলোকে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে আইনি সহায়তা দিতে প্রস্তুত। অপরদিকে ঠাকুরগাঁও ৫০ বিজিবির অধিনায়ক লে. কর্নেল আখলাকুর রহমান জানান, ঠাকুরগাঁওয়ের ১০৬.৪ কিলোমিটারসহ রংপুর রিজিয়নের অধীনে থাকা ১,৬৬০ কিলোমিটার সীমান্ত এলাকায় বিজিবি মানব পাচার ও মাদক প্রতিরোধের পাশাপাশি সীমান্ত হত্যা শূন্যে নামিয়ে আনতে নিরলসভাবে কাজ করছে। স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, শিক্ষক ও ধর্মীয় নেতাদের যুক্ত করে জনগণকে অবৈধভাবে সীমান্ত পারাপার না হওয়ার জন্য নিয়মিত সচেতন করা হচ্ছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।