Dhaka ০৫:০৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন মজুরি কাঠামো চূড়ান্ত, শ্রমিকদের বেতন জানুয়ারি থেকে কার্যকর বড়দিন উদযাপনে খ্রিষ্টান কল্যাণ ট্রাস্টকে ৩ কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী কারখানা বন্ধের চক্রান্ত ও উসকানিকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ পোশাকশিল্পে টানা অস্থিতিশীলতায় চরম উদ্বিগ্ন উদ্যোক্তারা দেশে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর ৮৪ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত: বিশ্বব্যাংক ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাঁড়াল ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা ডলারের বিনিময় হারে ঊর্ধ্বগতি, ব্যাংকের এমডিদের সতর্ক করলেন গভর্নর উদ্যোক্তাদের অনীহায় বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি কমে ৪.১৭ শতাংশে চার মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৪.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নবায়নযোগ্য জ্বালানি এখন আর শুধু সম্ভাবনা নয়, অনিবার্য বাস্তবতা: প্রধানমন্ত্রী

২০২৭ সালের জানুয়ারিতে বইয়ের পাশাপাশি ইউনিফর্ম পাবে প্রাথমিকে শিক্ষার্থীরা: শিক্ষামন্ত্রী

  • সর্বশেষ হালনাগাদ : ০৬:৫৮:৪৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩ অক্টোবর ২০২৬
  • ১০ বার দেখা হয়েছে

আগামী ২০২৭ সালের জানুয়ারিতে দেশের প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষার্থীদের হাতে নির্ধারিত সময়ে নতুন পাঠ্যবই তুলে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। একই সঙ্গে নতুন শিক্ষাবর্ষে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের পোশাক (ইউনিফর্ম) সহ প্রয়োজনীয় অন্যান্য শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করার সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে বলে তিনি জানান।

শনিবার (৩ অক্টোবর) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ‘কচুয়ার উন্নয়নে জনমনের ভাবনা’ শীর্ষক এক আলোচনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে শিক্ষামন্ত্রী এসব তথ্য জানান। অনলাইন সংবাদমাধ্যম ‘ঢাকা টাইমস’-এর প্রতিবেদনে এ কথা নিশ্চিত করা হয়েছে।

অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের সার্বিক শিক্ষা খাতকে সর্বোচ্চ প্রাধান্য ও গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছেন এবং প্রতিদিনের শিক্ষাকার্যক্রম নিয়মিত নিজে তদারকি করছেন। তিনি জানান, দেশের বিদ্যমান শিক্ষাব্যবস্থাকে যুগোপযোগী ও আধুনিক করে ঢেলে সাজাতে সরকার বিশেষ সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা নিয়ে সামনের দিকে এগোচ্ছে।

নতুন পাঠ্যবই ছাপানোর মান নিশ্চিত করার বিষয়ে সরকার বিশেষ দৃষ্টি দিচ্ছে উল্লেখ করে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, এবার পাঠ্যবইয়ের স্থায়িত্ব ও মান নিশ্চিতে ভালো মানের কাগজ ও উন্নত মানের কালি ব্যবহারের ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে। ছাপার গুণগত মান নিয়ে কোনো ধরনের আপস করা হচ্ছে না জানিয়ে তিনি বলেন, মান নিয়ন্ত্রণের অংশ হিসেবে নিম্নমানের কারণে ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট প্রকাশকদের কাছ থেকে তিন লাখ ছাপা বই সরাসরি ফেরত নেওয়া হয়েছে।

প্রকাশক ও দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের সতর্ক করে মন্ত্রী স্পষ্ট জানিয়ে দেন যে, কোনো প্রকাশকের কাজে মানের সামান্যতম ঘাটতি কিংবা অনিয়ম পাওয়া গেলে সাথে সাথে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এমনকি ক্ষেত্রবিশেষে বই বিতরণের পর যদি কোনো ধরনের অনিয়ম, দুর্নীতি বা গাফিলতির লিখিত বা মৌখিক অভিযোগ পাওয়া যায়, তবে সংশ্লিষ্ট সবার বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করবে সরকার।

শিক্ষামন্ত্রী ড. মিলন আরও জানান, দেশের প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষার সার্বিক মানোন্নয়ন এবং পুরো শিক্ষাব্যবস্থাকে আরও বেশি সময়োপযোগী ও কার্যকর করে তুলতে শিক্ষা মন্ত্রণালয় নিরবচ্ছিন্নভাবে নানা পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় আগামী ২০২৭ সালের জানুয়ারি মাসে নতুন বই বিতরণের পাশাপাশি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য নতুন ইউনিফর্ম ও প্রয়োজনীয় শিক্ষা উপকরণ পৌঁছে দেওয়ার সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা নিয়ে এগোচ্ছে সরকার।

জনপ্রিয়

মোংলা বন্দরে দুটি আধুনিক কন্টেইনার জেটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী

২০২৭ সালের জানুয়ারিতে বইয়ের পাশাপাশি ইউনিফর্ম পাবে প্রাথমিকে শিক্ষার্থীরা: শিক্ষামন্ত্রী

সর্বশেষ হালনাগাদ : ০৬:৫৮:৪৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩ অক্টোবর ২০২৬

আগামী ২০২৭ সালের জানুয়ারিতে দেশের প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষার্থীদের হাতে নির্ধারিত সময়ে নতুন পাঠ্যবই তুলে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। একই সঙ্গে নতুন শিক্ষাবর্ষে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের পোশাক (ইউনিফর্ম) সহ প্রয়োজনীয় অন্যান্য শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করার সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে বলে তিনি জানান।

শনিবার (৩ অক্টোবর) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ‘কচুয়ার উন্নয়নে জনমনের ভাবনা’ শীর্ষক এক আলোচনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে শিক্ষামন্ত্রী এসব তথ্য জানান। অনলাইন সংবাদমাধ্যম ‘ঢাকা টাইমস’-এর প্রতিবেদনে এ কথা নিশ্চিত করা হয়েছে।

অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের সার্বিক শিক্ষা খাতকে সর্বোচ্চ প্রাধান্য ও গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছেন এবং প্রতিদিনের শিক্ষাকার্যক্রম নিয়মিত নিজে তদারকি করছেন। তিনি জানান, দেশের বিদ্যমান শিক্ষাব্যবস্থাকে যুগোপযোগী ও আধুনিক করে ঢেলে সাজাতে সরকার বিশেষ সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা নিয়ে সামনের দিকে এগোচ্ছে।

নতুন পাঠ্যবই ছাপানোর মান নিশ্চিত করার বিষয়ে সরকার বিশেষ দৃষ্টি দিচ্ছে উল্লেখ করে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, এবার পাঠ্যবইয়ের স্থায়িত্ব ও মান নিশ্চিতে ভালো মানের কাগজ ও উন্নত মানের কালি ব্যবহারের ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে। ছাপার গুণগত মান নিয়ে কোনো ধরনের আপস করা হচ্ছে না জানিয়ে তিনি বলেন, মান নিয়ন্ত্রণের অংশ হিসেবে নিম্নমানের কারণে ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট প্রকাশকদের কাছ থেকে তিন লাখ ছাপা বই সরাসরি ফেরত নেওয়া হয়েছে।

প্রকাশক ও দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের সতর্ক করে মন্ত্রী স্পষ্ট জানিয়ে দেন যে, কোনো প্রকাশকের কাজে মানের সামান্যতম ঘাটতি কিংবা অনিয়ম পাওয়া গেলে সাথে সাথে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এমনকি ক্ষেত্রবিশেষে বই বিতরণের পর যদি কোনো ধরনের অনিয়ম, দুর্নীতি বা গাফিলতির লিখিত বা মৌখিক অভিযোগ পাওয়া যায়, তবে সংশ্লিষ্ট সবার বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করবে সরকার।

শিক্ষামন্ত্রী ড. মিলন আরও জানান, দেশের প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষার সার্বিক মানোন্নয়ন এবং পুরো শিক্ষাব্যবস্থাকে আরও বেশি সময়োপযোগী ও কার্যকর করে তুলতে শিক্ষা মন্ত্রণালয় নিরবচ্ছিন্নভাবে নানা পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় আগামী ২০২৭ সালের জানুয়ারি মাসে নতুন বই বিতরণের পাশাপাশি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য নতুন ইউনিফর্ম ও প্রয়োজনীয় শিক্ষা উপকরণ পৌঁছে দেওয়ার সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা নিয়ে এগোচ্ছে সরকার।