ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুরে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষে জুয়েল মিয়া (১৮) নামের এক তরুণ গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হয়েছেন। এই ঘটনায় উভয় পক্ষের অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে বেশ কয়েকজন গুলিবিদ্ধ হয়েছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র।
সোমবার ভোরে উপজেলার শান্তিপুর গ্রামে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। নিহত জুয়েল মিয়া নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলার গোপীনাথপুর গ্রামের সেন্টু মিয়ার ছেলে। সংঘর্ষের পর গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে বাঞ্ছারামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, শান্তিপুর গ্রামের আজগর আলী সরকারবাড়ি ও সফু সরকারবাড়ির লোকজনের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল।
সোমবার ভোরে মোক্তার হোসেনের নেতৃত্বে লোকজন ভাড়া করে এনে প্রতিপক্ষের ওপর হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ ওঠে। এরপর দুই পক্ষের লোকজন সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়লে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। এ সময় গুলির পাশাপাশি লাঠি ও টেটা ব্যবহারের ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষে অন্তত পাঁচ থেকে ছয়জন গুলিবিদ্ধ হন। এছাড়া লাঠি ও টেটার আঘাতে আরও বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। আহতদের উদ্ধার করে বাঞ্ছারামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ বিভিন্ন হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।
ঘটনার পর পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে একটি একনলা বন্দুক, পাঁচ রাউন্ড গুলি ও পাঁচটি ককটেল উদ্ধার করেছে।
বাঞ্ছারামপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ ইয়াছিন বলেন, এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। একজন গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হয়েছেন। ঘটনাটি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে এবং এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


























