Dhaka ০৫:৪৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন মজুরি কাঠামো চূড়ান্ত, শ্রমিকদের বেতন জানুয়ারি থেকে কার্যকর বড়দিন উদযাপনে খ্রিষ্টান কল্যাণ ট্রাস্টকে ৩ কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী কারখানা বন্ধের চক্রান্ত ও উসকানিকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ পোশাকশিল্পে টানা অস্থিতিশীলতায় চরম উদ্বিগ্ন উদ্যোক্তারা দেশে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর ৮৪ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত: বিশ্বব্যাংক ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাঁড়াল ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা ডলারের বিনিময় হারে ঊর্ধ্বগতি, ব্যাংকের এমডিদের সতর্ক করলেন গভর্নর উদ্যোক্তাদের অনীহায় বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি কমে ৪.১৭ শতাংশে চার মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৪.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নবায়নযোগ্য জ্বালানি এখন আর শুধু সম্ভাবনা নয়, অনিবার্য বাস্তবতা: প্রধানমন্ত্রী

উখিয়ায় রাইস মিলকে সারের গোডাউন দেখিয়ে ডিলারশিপের আবেদন, জনমনে ক্ষোভ

  • সর্বশেষ হালনাগাদ : ০৭:৪৮:২০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ১৩ বার দেখা হয়েছে

কক্সবাজারের উখিয়ায় বিসিআইসি সার ডিলার নিয়োগ প্রক্রিয়ায় গুরুতর অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। দুটি আবেদনকারী প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে গোডাউনের তথ্য গোপন ও অসত্য তথ্য প্রদানের মারাত্মক অভিযোগ উঠেছে। একই গোডাউন দুটি আলাদা আবেদনে ব্যবহার করা এবং একটি রাইস মিলকে সারের গোডাউন হিসেবে দেখিয়ে ডিলার নিয়োগের সুপারিশ পাঠানোর ঘটনায় তীব্র অসন্তোষ তৈরি হয়েছে স্থানীয়দের মধ্যে।

অভিযোগ উঠেছে, অনৈতিক লেনদেনের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট তদন্ত কর্মকর্তা এই অসত্য তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিয়েছেন। ইতিমধ্যেই স্থানীয় বাসিন্দারা নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু তদন্তপূর্বক বিতর্কিত আবেদন দুটি বাতিলের দাবি জানিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।

লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, উখিয়া উপজেলার মরিচ্যা এলাকার মেসার্স সিকদার এন্টারপ্রাইজের পক্ষে মো. সাইফুল্লাহ সিকদার এবং নুর জাহান এন্টারপ্রাইজের পক্ষে এনাম উল্লাহ সিকদার (ওরফে এহছান উল্লাহ সিকদার) সার ডিলারশিপের জন্য আবেদন করেন। তবে অনুসন্ধানে দেখা যায়, উভয় আবেদনকারীই স্থানীয় আব্দুল গফুরের কাছ থেকে ভাড়া নেওয়া একই গোডাউনকে নিজ নিজ সারের গোডাউন হিসেবে নথিপত্রে প্রদর্শন করেছেন।

সরেজমিনে তদন্তে আরও দেখা যায়, মেসার্স সিকদার এন্টারপ্রাইজ ও নুর জাহান এন্টারপ্রাইজের প্রস্তাবিত গোডাউনটি মূলত একটি রাইস মিল এবং তা একই স্থানে অবস্থিত। শুধু তাই নয়, ওই ভবনের সাথেই রয়েছে ‘আল্লাহ ভরসা হোটেল’ নামে একটি খাবার দোকান, একটি এলপিজি গ্যাস সিলিন্ডারের দোকান এবং সংলগ্ন ভবনে একটি হেফজখানা।

নীতিমালা অনুযায়ী, সার ডিলার নিয়োগের আবেদন ফরমে গোডাউনের আশেপাশে কোনো রেস্তোরাঁ বা খাবারের দোকান আছে কি না—এমন প্রশ্নে উভয় আবেদনকারীই ‘না’ উল্লেখ করে অসত্য তথ্য প্রদান করেছেন। এসব জালিয়াতি ও নীতিমালার স্পষ্ট লঙ্ঘন সত্ত্বেও হলদিয়াপালং ইউনিয়ন থেকে পাঠানো সুপারিশ তালিকায় মেসার্স সিকদার এন্টারপ্রাইজকে ১ নম্বরে এবং নুর জাহান এন্টারপ্রাইজকে ২ নম্বরে রেখে উপজেলা ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরে তালিকা পাঠানো হয়েছে।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, একই স্থানে সারের মতো রাসায়নিক দ্রব্যাদির গোডাউন স্থাপন করা হলে পার্শ্ববর্তী খাবারের দোকান, এলপিজি সিলিন্ডারের দোকান ও হেফজখানার শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যঝুঁকিসহ অগ্নিকাণ্ডের বড় ধরনের বিপদ ঘটতে পারে। বিশেষ করে কোমলমতি হেফজখানার শিশুদের জীবনের নিরাপত্তা নিয়ে চরম উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা। তারা দ্রুত এই অনিয়মের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

জনপ্রিয়

মোংলা বন্দরে দুটি আধুনিক কন্টেইনার জেটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী

উখিয়ায় রাইস মিলকে সারের গোডাউন দেখিয়ে ডিলারশিপের আবেদন, জনমনে ক্ষোভ

সর্বশেষ হালনাগাদ : ০৭:৪৮:২০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

কক্সবাজারের উখিয়ায় বিসিআইসি সার ডিলার নিয়োগ প্রক্রিয়ায় গুরুতর অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। দুটি আবেদনকারী প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে গোডাউনের তথ্য গোপন ও অসত্য তথ্য প্রদানের মারাত্মক অভিযোগ উঠেছে। একই গোডাউন দুটি আলাদা আবেদনে ব্যবহার করা এবং একটি রাইস মিলকে সারের গোডাউন হিসেবে দেখিয়ে ডিলার নিয়োগের সুপারিশ পাঠানোর ঘটনায় তীব্র অসন্তোষ তৈরি হয়েছে স্থানীয়দের মধ্যে।

অভিযোগ উঠেছে, অনৈতিক লেনদেনের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট তদন্ত কর্মকর্তা এই অসত্য তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিয়েছেন। ইতিমধ্যেই স্থানীয় বাসিন্দারা নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু তদন্তপূর্বক বিতর্কিত আবেদন দুটি বাতিলের দাবি জানিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।

লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, উখিয়া উপজেলার মরিচ্যা এলাকার মেসার্স সিকদার এন্টারপ্রাইজের পক্ষে মো. সাইফুল্লাহ সিকদার এবং নুর জাহান এন্টারপ্রাইজের পক্ষে এনাম উল্লাহ সিকদার (ওরফে এহছান উল্লাহ সিকদার) সার ডিলারশিপের জন্য আবেদন করেন। তবে অনুসন্ধানে দেখা যায়, উভয় আবেদনকারীই স্থানীয় আব্দুল গফুরের কাছ থেকে ভাড়া নেওয়া একই গোডাউনকে নিজ নিজ সারের গোডাউন হিসেবে নথিপত্রে প্রদর্শন করেছেন।

সরেজমিনে তদন্তে আরও দেখা যায়, মেসার্স সিকদার এন্টারপ্রাইজ ও নুর জাহান এন্টারপ্রাইজের প্রস্তাবিত গোডাউনটি মূলত একটি রাইস মিল এবং তা একই স্থানে অবস্থিত। শুধু তাই নয়, ওই ভবনের সাথেই রয়েছে ‘আল্লাহ ভরসা হোটেল’ নামে একটি খাবার দোকান, একটি এলপিজি গ্যাস সিলিন্ডারের দোকান এবং সংলগ্ন ভবনে একটি হেফজখানা।

নীতিমালা অনুযায়ী, সার ডিলার নিয়োগের আবেদন ফরমে গোডাউনের আশেপাশে কোনো রেস্তোরাঁ বা খাবারের দোকান আছে কি না—এমন প্রশ্নে উভয় আবেদনকারীই ‘না’ উল্লেখ করে অসত্য তথ্য প্রদান করেছেন। এসব জালিয়াতি ও নীতিমালার স্পষ্ট লঙ্ঘন সত্ত্বেও হলদিয়াপালং ইউনিয়ন থেকে পাঠানো সুপারিশ তালিকায় মেসার্স সিকদার এন্টারপ্রাইজকে ১ নম্বরে এবং নুর জাহান এন্টারপ্রাইজকে ২ নম্বরে রেখে উপজেলা ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরে তালিকা পাঠানো হয়েছে।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, একই স্থানে সারের মতো রাসায়নিক দ্রব্যাদির গোডাউন স্থাপন করা হলে পার্শ্ববর্তী খাবারের দোকান, এলপিজি সিলিন্ডারের দোকান ও হেফজখানার শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যঝুঁকিসহ অগ্নিকাণ্ডের বড় ধরনের বিপদ ঘটতে পারে। বিশেষ করে কোমলমতি হেফজখানার শিশুদের জীবনের নিরাপত্তা নিয়ে চরম উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা। তারা দ্রুত এই অনিয়মের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।