ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের আর্থিক নিয়মকানুন (এফএফপি) লঙ্ঘনের ১১৫টি অভিযোগের মধ্যে ১টি ছাড়া বাকি ১১৪টিতেই ম্যানচেস্টার সিটি দোষী সাব্যস্ত হয়েছে বলে আন্তর্জাতিক ক্রীড়া সংবাদমাধ্যম ‘দ্য অ্যাথলেটিক’-এর এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত প্রমাণিত হলে তা ইংলিশ ফুটবলের ইতিহাসে অন্যতম বড় মাইলফলক হিসেবে গণ্য হবে। তবে ক্লাব কর্তৃপক্ষ শুরু থেকেই এসব অনিয়মের অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে এবং তারা এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
২০০৯-১০ থেকে ২০২২-২৩ মৌসুম পর্যন্ত দীর্ঘ সময়কালজুড়ে ক্লাবের প্রকৃত আয়ের তথ্য, স্পনসরশিপ থেকে প্রাপ্ত অর্থ ও পরিচালন ব্যয়ের সঠিক চিত্র গোপন করার অভিযোগে ২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারিতে সিটির বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে প্রিমিয়ার লিগ। মামলাটির শুনানি ২০২৪ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর শুরু হয়ে ৩ মাস ব্যাপী পরিচালিত হয়। এক বিবৃতিতে ম্যানচেস্টার সিটি জানিয়েছে, বিষয়টি বর্তমানে একটি গোপনীয় বিচারিক প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে এবং তারা সবসময় একটি নিরপেক্ষ তদন্ত আশা করেছে।
ম্যানচেস্টার সিটি ২০০৮ সালে শেখ মনসুরের আবুধাবি ইউনাইটেড গ্রুপের অধীনে আসার পর আটবার প্রিমিয়ার লিগ এবং একবার চ্যাম্পিয়নস লিগসহ একাধিক শিরোপা জয় করেছে। উয়েফা ২০২০ সালে স্পনসরশিপ আয় বেশি দেখানোর অভিযোগে দুই বছরের জন্য সিটিকে চ্যাম্পিয়নস লিগে নিষিদ্ধ করলেও পরবর্তীতে আদালতের রায়ে তা বাতিল হয়। সাম্প্রতিক এ বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে ক্লাবের স্প্যানিশ মিডফিল্ডার রদ্রি বলেন, খেলোয়াড়রা সবসময় ক্লাবের স্বচ্ছতার ওপর আস্থা রেখে এসেছে এবং মাঠে অর্জিত সফলতা কোনো অনিয়ম বা অর্থ দিয়ে কেনা নয়।

























