মানিকগঞ্জ সদর উপজেলায় অবৈধভাবে ঘোড়া জবাই করে মাংস প্যাকেটজাত করার এবং তা বিভিন্ন এলাকায় সরবরাহের প্রস্তুতির অভিযোগে নয়জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড প্রদান করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। এর মধ্যে মূল পরিকল্পনাকারী এক ব্যক্তিকে এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং বাকি আটজনকে ছয় মাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
বুধবার সদর উপজেলার জাগীর পাট গবেষণা এলাকার একটি পরিত্যক্ত কারখানায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া অভিযোগের ভিত্তিতে আকস্মিক অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে ঘটনাস্থল থেকে জবাইকৃত ১৩টি ঘোড়া এবং একটি জীবিত ঘোড়া উদ্ধার করা হয় এবং জড়িত সন্দেহে নয়জনকে আটক করা হয়। পশুপাখি জবাই ও মাংসের মান নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১১-এর ৪ ধারা লঙ্ঘনের দায়ে ২৪ ধারায় তাদের এই সাজা প্রদান করা হয়।
দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা হলেন—মো. মিজানুর রহমান, রুবেল, সোহেল রানা, ইমন হাসান, মো. তুহিন, ইব্রাহীম খলিল, মাসুদ রানা, হুমায়ুন কবির ও মারুফ।
অভিযান পরিচালনাকারী সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রিক্তা খাতুন জানান, সামাজিক মাধ্যমে প্রাপ্ত সুনির্দিষ্ট অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ে সেখানে অভিযান চালানো হয়। এ সময় ঘোড়ার মাংস প্রস্তুত ও বাণিজ্যিক সরবরাহের প্রক্রিয়া হাতেনাতে ধরা পড়ে। জনস্বাস্থ্য ও আইনগত নিরাপত্তার স্বার্থে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিকভাবে এই কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। অভিযানে সদর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. মনির হোসেন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।


























