Dhaka ০৪:৫৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন মজুরি কাঠামো চূড়ান্ত, শ্রমিকদের বেতন জানুয়ারি থেকে কার্যকর বড়দিন উদযাপনে খ্রিষ্টান কল্যাণ ট্রাস্টকে ৩ কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী কারখানা বন্ধের চক্রান্ত ও উসকানিকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ পোশাকশিল্পে টানা অস্থিতিশীলতায় চরম উদ্বিগ্ন উদ্যোক্তারা দেশে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর ৮৪ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত: বিশ্বব্যাংক ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাঁড়াল ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা ডলারের বিনিময় হারে ঊর্ধ্বগতি, ব্যাংকের এমডিদের সতর্ক করলেন গভর্নর উদ্যোক্তাদের অনীহায় বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি কমে ৪.১৭ শতাংশে চার মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৪.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নবায়নযোগ্য জ্বালানি এখন আর শুধু সম্ভাবনা নয়, অনিবার্য বাস্তবতা: প্রধানমন্ত্রী

হাবিপ্রবি শিক্ষকের কাছে ‘সর্বহারা পার্টির’ পরিচয়ে চাঁদা দাবি, স্ত্রী-সন্তানকে হত্যার হুমকি

  • সর্বশেষ হালনাগাদ : ০৯:৫৮:৫৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৩১ বার দেখা হয়েছে

‘সর্বহারা পার্টির’ নেতা পরিচয়ে দিনাজপুরের হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (হাবিপ্রবি) শিক্ষক আবু সাঈদের কাছে চাঁদা দাবি ও স্ত্রী-সন্তানকে হত্যার হুমকি প্রদানের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন ওই শিক্ষক।

ভুক্তভোগী অধ্যাপক ড. মো আবু সাঈদ বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষি অনুষদের জৈব রসায়ন ও আণবিক জীববিজ্ঞান বিভাগে অধ্যাপনা করছেন।

জানা যায়, বুধবার দুপুরে মুঠোফোনে পূর্ব বাংলা সর্বহারা পার্টির প্রধান শিকদার মহিউদ্দিন পরিচয়ে ভুক্তভোগী ওই শিক্ষকের কাছে প্রথমে ২৫ হাজার ও পরে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয়। চাঁদা না দিলে স্ত্রী-সন্তানকে হত্যা ও গুম করে ফেলার হুমকিও প্রদান করা হয়। এ সময় হুমকিদাতা শিকদার মহিউদ্দিন দাবি করেন, তার কয়েকজন ছেলে ভারতের চেন্নাইয়ে চিকিৎসাধীন আছেন এবং তাদের অপারেশনের জন্যই তার টাকার প্রয়োজন।

এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভুক্তভোগী ওই শিক্ষক টাকা দিতে রাজি না হলে তার বাড়িতে ২০/২৫ জন ছেলে পাঠিয়ে স্ত্রী-সন্তানকে তুলে এনে টুকরো টুকরো করে ফেলার হুমকিও দেন সর্বহারা পার্টির প্রধান পরিচয় দেওয়া শিকদার মহিউদ্দিন।

ভুক্তভোগী অধ্যাপক ড. মোঃ আবু সাঈদ বলেন, ‘আজ দুপুরে একটি অজ্ঞাত নম্বর থেকে আমাকে ফোন করে অশালীন ভাষায় গালাগাল করে এবং সর্বহারা সংগঠনের সদস্য বলে পরিচয় দেয়। একপর্যায়ে আমার থেকে চাঁদা দাবি করে এবং না দিলে বাড়িতে লোক পাঠানোর হুমকি দেয়।’ তিনি আরও জানান, ‘এ সময় আমার স্ত্রী-সন্তানকে হত্যারও হুমকি দেওয়া হয়। আমি বিষয়টি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে অবগত করেছি এবং আমার পরিবারের নিরাপত্তার কথা ভেবে দিনাজপুর কোতোয়ালি থানায় সাধারণ ডায়েরি করেছি।’

এ বিষয়ে দিনাজপুর কোতোয়ালি থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ নূরনবী বলেন, জিডি গ্রহণ করা হয়েছে। তদন্তসাপেক্ষে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জনপ্রিয়

মোংলা বন্দরে দুটি আধুনিক কন্টেইনার জেটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী

হাবিপ্রবি শিক্ষকের কাছে ‘সর্বহারা পার্টির’ পরিচয়ে চাঁদা দাবি, স্ত্রী-সন্তানকে হত্যার হুমকি

সর্বশেষ হালনাগাদ : ০৯:৫৮:৫৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

‘সর্বহারা পার্টির’ নেতা পরিচয়ে দিনাজপুরের হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (হাবিপ্রবি) শিক্ষক আবু সাঈদের কাছে চাঁদা দাবি ও স্ত্রী-সন্তানকে হত্যার হুমকি প্রদানের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন ওই শিক্ষক।

ভুক্তভোগী অধ্যাপক ড. মো আবু সাঈদ বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষি অনুষদের জৈব রসায়ন ও আণবিক জীববিজ্ঞান বিভাগে অধ্যাপনা করছেন।

জানা যায়, বুধবার দুপুরে মুঠোফোনে পূর্ব বাংলা সর্বহারা পার্টির প্রধান শিকদার মহিউদ্দিন পরিচয়ে ভুক্তভোগী ওই শিক্ষকের কাছে প্রথমে ২৫ হাজার ও পরে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয়। চাঁদা না দিলে স্ত্রী-সন্তানকে হত্যা ও গুম করে ফেলার হুমকিও প্রদান করা হয়। এ সময় হুমকিদাতা শিকদার মহিউদ্দিন দাবি করেন, তার কয়েকজন ছেলে ভারতের চেন্নাইয়ে চিকিৎসাধীন আছেন এবং তাদের অপারেশনের জন্যই তার টাকার প্রয়োজন।

এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভুক্তভোগী ওই শিক্ষক টাকা দিতে রাজি না হলে তার বাড়িতে ২০/২৫ জন ছেলে পাঠিয়ে স্ত্রী-সন্তানকে তুলে এনে টুকরো টুকরো করে ফেলার হুমকিও দেন সর্বহারা পার্টির প্রধান পরিচয় দেওয়া শিকদার মহিউদ্দিন।

ভুক্তভোগী অধ্যাপক ড. মোঃ আবু সাঈদ বলেন, ‘আজ দুপুরে একটি অজ্ঞাত নম্বর থেকে আমাকে ফোন করে অশালীন ভাষায় গালাগাল করে এবং সর্বহারা সংগঠনের সদস্য বলে পরিচয় দেয়। একপর্যায়ে আমার থেকে চাঁদা দাবি করে এবং না দিলে বাড়িতে লোক পাঠানোর হুমকি দেয়।’ তিনি আরও জানান, ‘এ সময় আমার স্ত্রী-সন্তানকে হত্যারও হুমকি দেওয়া হয়। আমি বিষয়টি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে অবগত করেছি এবং আমার পরিবারের নিরাপত্তার কথা ভেবে দিনাজপুর কোতোয়ালি থানায় সাধারণ ডায়েরি করেছি।’

এ বিষয়ে দিনাজপুর কোতোয়ালি থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ নূরনবী বলেন, জিডি গ্রহণ করা হয়েছে। তদন্তসাপেক্ষে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।