Dhaka ০৪:৩০ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন মজুরি কাঠামো চূড়ান্ত, শ্রমিকদের বেতন জানুয়ারি থেকে কার্যকর বড়দিন উদযাপনে খ্রিষ্টান কল্যাণ ট্রাস্টকে ৩ কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী কারখানা বন্ধের চক্রান্ত ও উসকানিকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ পোশাকশিল্পে টানা অস্থিতিশীলতায় চরম উদ্বিগ্ন উদ্যোক্তারা দেশে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর ৮৪ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত: বিশ্বব্যাংক ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাঁড়াল ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা ডলারের বিনিময় হারে ঊর্ধ্বগতি, ব্যাংকের এমডিদের সতর্ক করলেন গভর্নর উদ্যোক্তাদের অনীহায় বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি কমে ৪.১৭ শতাংশে চার মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৪.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নবায়নযোগ্য জ্বালানি এখন আর শুধু সম্ভাবনা নয়, অনিবার্য বাস্তবতা: প্রধানমন্ত্রী

অপ্রতিম হত্যা মামলা: কিশোর গ্যাংয়ের বিরুদ্ধে মায়ের অভিযানের যোগসূত্র খুঁজছে পুলিশ

  • সর্বশেষ হালনাগাদ : ০৬:০২:২৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৩১ বার দেখা হয়েছে

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের একমাত্র সন্তান ইশায়াত শাহরিয়ার অপ্রতিম (১৩) হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এসেছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. কামরুন নাহাত শীলা জানিয়েছেন, অপ্রতিমের মা ড. নাহিদা বেগম সহকারী প্রক্টর থাকাকালীন মাদকবিরোধী অভিযানে কিশোর গ্যাংয়ের কয়েকজন সদস্যকে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছিলেন। ওই ঘটনার সঙ্গে অপ্রতিম হত্যার কোনো যোগসূত্র রয়েছে কি না, তা গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে দেখার দাবি জানিয়েছেন তিনি।

সোমবার সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ আব্দুল কাইয়ুম চত্বরে শিক্ষক সমিতি আয়োজিত মানববন্ধনে ড. কামরুন নাহাত শীলা এসব কথা বলেন। তিনি জানান, নাহিদা ম্যাডাম চান পুলিশ বিষয়টি গভীরভাবে তদন্ত করুক এবং কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যদের আটকের প্রতিশোধ হিসেবেই তার সন্তানকে হত্যা করা হয়েছে কি না, তা উদঘাটিত হোক।

এদিকে অপ্রতিম হত্যার ঘটনায় এক আসামিকে গ্রেপ্তਾਰের পর তার মোবাইল ফোনের কল রেকর্ড বিশ্লেষণ করে তদন্তে নতুন মোড় নেওয়ার কথা জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। অপ্রতিমের বাবা কে এম ফিরোজ শাহরিয়ারের দায়ের করা হত্যা মামলায় সাইফুল ইসলাম ওরফে তুহিনসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, গত শনিবার তুহিনকে হেফাজতে নেওয়ার সময় পুলিশ অপ্রতিমের মৃত্যুর বিষয়ে অবগত ছিল না। পরবর্তীতে লাশ উদ্ধারের খবর পাওয়ার পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সে হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা অস্বীকার করলেও দীর্ঘক্ষণ জিজ্ঞাসাবাদের পর নিজের অপরাধের কথা স্বীকার করে। তবে অন্য সহযোগীদের নাম প্রকাশ না করার বিষয়ে সে অনড় রয়েছে।

জিজ্ঞাসাবাদের সময় তুহিনের মোবাইল ফোনে বারবার আসা কলের সূত্র ধরে অপ্রতিমের বাবার প্রতিষ্ঠানে কর্মরত এক কিশোরকে এবং পরবর্তীতে আরও একজনকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়। আইফোন ও টাকা ধার নেওয়াকে কেন্দ্র করে বিরোধের তথ্যও খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।

জনপ্রিয়

মোংলা বন্দরে দুটি আধুনিক কন্টেইনার জেটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী

অপ্রতিম হত্যা মামলা: কিশোর গ্যাংয়ের বিরুদ্ধে মায়ের অভিযানের যোগসূত্র খুঁজছে পুলিশ

সর্বশেষ হালনাগাদ : ০৬:০২:২৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের একমাত্র সন্তান ইশায়াত শাহরিয়ার অপ্রতিম (১৩) হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এসেছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. কামরুন নাহাত শীলা জানিয়েছেন, অপ্রতিমের মা ড. নাহিদা বেগম সহকারী প্রক্টর থাকাকালীন মাদকবিরোধী অভিযানে কিশোর গ্যাংয়ের কয়েকজন সদস্যকে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছিলেন। ওই ঘটনার সঙ্গে অপ্রতিম হত্যার কোনো যোগসূত্র রয়েছে কি না, তা গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে দেখার দাবি জানিয়েছেন তিনি।

সোমবার সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ আব্দুল কাইয়ুম চত্বরে শিক্ষক সমিতি আয়োজিত মানববন্ধনে ড. কামরুন নাহাত শীলা এসব কথা বলেন। তিনি জানান, নাহিদা ম্যাডাম চান পুলিশ বিষয়টি গভীরভাবে তদন্ত করুক এবং কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যদের আটকের প্রতিশোধ হিসেবেই তার সন্তানকে হত্যা করা হয়েছে কি না, তা উদঘাটিত হোক।

এদিকে অপ্রতিম হত্যার ঘটনায় এক আসামিকে গ্রেপ্তਾਰের পর তার মোবাইল ফোনের কল রেকর্ড বিশ্লেষণ করে তদন্তে নতুন মোড় নেওয়ার কথা জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। অপ্রতিমের বাবা কে এম ফিরোজ শাহরিয়ারের দায়ের করা হত্যা মামলায় সাইফুল ইসলাম ওরফে তুহিনসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, গত শনিবার তুহিনকে হেফাজতে নেওয়ার সময় পুলিশ অপ্রতিমের মৃত্যুর বিষয়ে অবগত ছিল না। পরবর্তীতে লাশ উদ্ধারের খবর পাওয়ার পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সে হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা অস্বীকার করলেও দীর্ঘক্ষণ জিজ্ঞাসাবাদের পর নিজের অপরাধের কথা স্বীকার করে। তবে অন্য সহযোগীদের নাম প্রকাশ না করার বিষয়ে সে অনড় রয়েছে।

জিজ্ঞাসাবাদের সময় তুহিনের মোবাইল ফোনে বারবার আসা কলের সূত্র ধরে অপ্রতিমের বাবার প্রতিষ্ঠানে কর্মরত এক কিশোরকে এবং পরবর্তীতে আরও একজনকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়। আইফোন ও টাকা ধার নেওয়াকে কেন্দ্র করে বিরোধের তথ্যও খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।