২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তিপ্রক্রিয়ার সংবেদনশীল তৃতীয় ও সর্বশেষ ধাপের আনুষ্ঠানিক ভর্তি কার্যক্রম আজ থেকে পুরোদমে শুরু হয়েছে। নির্ধারিত এই চূড়ান্ত প্রক্রিয়াটি আগামী মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে।
গত রোববার (১ নভেম্বর) বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির এক বিশেষ আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে ভর্তি সংক্রান্ত এই জরুরি সময়সূচি নিশ্চিত করা হয়।
প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, তৃতীয় ধাপে অনলাইনে নিশ্চায়ন সম্পন্ন করা শিক্ষার্থীদের নিজস্ব পছন্দক্রমের ওপর ভিত্তি করে অটো-মাইগ্রেশনের ফল গত রোববার রাত ৮টায় শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে। ফলে প্রকাশিত ফলাফলে চূড়ান্তভাবে মনোনীত শিক্ষার্থীদের আজ ও আগামীকালের মধ্যে স্ব-স্ব নির্ধারিত কলেজে সশরীরে উপস্থিত হয়ে ভর্তিপ্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে।
শিক্ষা বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, চলতি শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে অনলাইন ভর্তির এই তৃতীয় পর্যায়টিকেই সর্বশেষ সুযোগ বা শেষ ধাপ হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে গণ্য করা হবে। তাই বিলম্ব না করে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের চরম সতর্কতার সাথে সুনির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যেই প্রয়োজনীয় ভর্তি কার্যক্রম শেষ করার জন্য কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
বোর্ডের দেওয়া নীতিমালা ও নির্দেশনা অনুযায়ী, যেসব শিক্ষার্থী পূর্বে কোনো কারণে আবেদন করতে পারেনি, কিংবা আবেদন করেও কাঙ্ক্ষিত কোনো কলেজে মনোনীত হতে ব্যর্থ হয়েছে, অথবা প্রাথমিক নির্বাচন পেয়েও নির্দিষ্ট সময়ে নিশ্চায়ন করতে পারেনি কিংবা ভর্তি হতে পারেনি—তারা সবাই এই শেষ ধাপে নতুন করে আবেদনের সুযোগ পাবে।
নতুন আবেদনের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর খালি থাকা শূন্য আসন সংখ্যা বিবেচনায় রেখে সর্বনিম্ন পাঁচটি এবং সর্বোচ্চ ১০টি কলেজ পছন্দক্রমের তালিকায় যুক্ত করা যাবে। এ বিষয়ে বিস্তারিত জানতে একাদশ শ্রেণির ভর্তি সংক্রান্ত অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে প্রকাশিত নির্দেশিকা পুরোপুরি অনুসরণ করতে বলা হয়েছে।
তবে দ্বিতীয় ধাপে আবেদন করার পরও কোনো কলেজে নির্বাচিত না হওয়া শিক্ষার্থীদের শেষ ধাপে পুনরায় আবেদনের জন্য নতুন করে ২২০ টাকা ফি প্রদান করতে হবে না। এ ধরনের শিক্ষার্থীরা ভর্তি সংক্রান্ত নির্ধারিত ওয়েবসাইটে নিজেদের অ্যাকাউন্টে লগইন করে কোনো ফি ছাড়াই পছন্দক্রম সংশোধন বা পরিবর্তন করতে পারবেন।
শিক্ষা বোর্ডের প্রজ্ঞাপনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, যেকোনো বিশেষ কোটায় আবেদনের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট যোগ্যতা ভালোভাবে যাচাই করে নিতে হবে। চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে নিশ্চায়ন ফি পরিশোধ ও যাবতীয় প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিয়ে ভর্তি কার্যক্রম সফলভাবে শেষ করা বাঞ্ছনীয়। আবেদন কিংবা ভর্তিপ্রক্রিয়ায় শিক্ষার্থী বা অভিভাবকের অসতর্কতা ও ভুলের কারণে পরবর্তীতে কোনো জটিলতার সৃষ্টি হলে তার দায়ভার শিক্ষা বোর্ড কর্তৃপক্ষ বহন করবে না।


























