Dhaka ০২:৩২ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন মজুরি কাঠামো চূড়ান্ত, শ্রমিকদের বেতন জানুয়ারি থেকে কার্যকর বড়দিন উদযাপনে খ্রিষ্টান কল্যাণ ট্রাস্টকে ৩ কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী কারখানা বন্ধের চক্রান্ত ও উসকানিকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ পোশাকশিল্পে টানা অস্থিতিশীলতায় চরম উদ্বিগ্ন উদ্যোক্তারা দেশে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর ৮৪ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত: বিশ্বব্যাংক ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাঁড়াল ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা ডলারের বিনিময় হারে ঊর্ধ্বগতি, ব্যাংকের এমডিদের সতর্ক করলেন গভর্নর উদ্যোক্তাদের অনীহায় বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি কমে ৪.১৭ শতাংশে চার মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৪.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নবায়নযোগ্য জ্বালানি এখন আর শুধু সম্ভাবনা নয়, অনিবার্য বাস্তবতা: প্রধানমন্ত্রী

খুলনার ছয়টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে এইচএসসি পরীক্ষায় কোনো শিক্ষার্থী পাস করেনি

  • সর্বশেষ হালনাগাদ : ০৬:২৬:২৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬
  • ১০ বার দেখা হয়েছে

যশোর শিক্ষা বোর্ডের অধীনে অনুষ্ঠিত ২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষায় খুলনা জেলার ছয়টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কোনো পরীক্ষার্থীই পাস করতে পারেননি। বোর্ডের প্রকাশিত আনুষ্ঠানিক তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, সমগ্র যশোর শিক্ষা বোর্ডের মোট ১৬টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে কোনো পরীক্ষার্থী কৃতকার্য হতে সমর্থ হননি, যার মধ্যে খুলনারই রয়েছে ছয়টি প্রতিষ্ঠান। এতে করে ওই সমস্ত প্রতিষ্ঠানের শিক্ষাদান পদ্ধতি ও পড়াশোনার গুণগত মান নিয়ে নানা মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়া ও প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

খুলনা জেলার শতভাগ ফেল করা প্রতিষ্ঠানগুলোর তালিকা পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, ডুমুরিয়া মডেল মহিলা কলেজ থেকে ৩ জন, ইন্ডিপেনডেন্ট আইডিয়াল কলেজ থেকে ১১ জন, পাইকগাছার কপিলমুনি সহচরী বিদ্যা মন্দির থেকে ৩ জন, কয়রার শাকবাড়িয়া স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে ২৯ জন, রূপসার কমরেড রতন সেন কলেজিয়েট গার্লস কলেজ থেকে ১ জন এবং খুলনা নিউজপ্রিন্ট মিলস স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে ১২ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিলেও তাঁদের কেউই পাস করতে পারেননি। এর মধ্যে শাকবাড়িয়া স্কুল অ্যান্ড কলেজের ফল সবচেয়ে খারাপ, যেখান থেকে অংশ নেওয়া ২৯ জন শিক্ষার্থীর সবাই অকৃতকার্য হয়েছেন। প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ এস এক আকবর হোসেন এর কারণ হিসেবে জানান, প্রতিষ্ঠানটি এমপিওভুক্ত না হওয়ায় এবং অভিভাবকদের আকুল আবেদনে নির্বাচনী পরীক্ষায় ফেল করা সত্ত্বেও সবাইকে মূল পরীক্ষায় অংশ নিতে দেওয়া হয়েছিল, যার ফলে এই বিপর্যয় ঘটেছে।

অন্যদিকে পাইকগাছার কপিলমুনি সহচরী বিদ্যা মন্দির থেকেও টানা দ্বিতীয় বছরের মতো সব পরীক্ষার্থী ফেল করার ঘটনা ঘটেছে। যশোর শিক্ষা বোর্ডের সচিব অধ্যাপক ড. আব্দুল মতিন জানিয়েছেন, গত বছরের মতোই এ বছরও শতভাগ ফেল করা প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রধানদের কারণ দর্শানোর নোটিশ পাঠানো হবে এবং সন্তোষজনক জবাব না পেলে অধিভুক্তি নবায়ন স্থগিতের কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে। উল্লেখ্য, যশোর বোর্ডে মোট ১৬টি প্রতিষ্ঠানের ১৯৭ জন শিক্ষার্থী অকৃতকার্য হলেও খুলনার খালিশপুরের নেভি অ্যাঙ্করেজ স্কুল অ্যান্ড কলেজসহ মোট তিনটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শতভাগ পাসের গৌরব অর্জন করেছে।

জনপ্রিয়

বিভাজনের রাজনীতি নয়, ঐক্য ও বাস্তবসম্মত সমাধান চায় মার্কিন জনগণ: বারাক ওবামা

খুলনার ছয়টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে এইচএসসি পরীক্ষায় কোনো শিক্ষার্থী পাস করেনি

সর্বশেষ হালনাগাদ : ০৬:২৬:২৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬

যশোর শিক্ষা বোর্ডের অধীনে অনুষ্ঠিত ২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষায় খুলনা জেলার ছয়টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কোনো পরীক্ষার্থীই পাস করতে পারেননি। বোর্ডের প্রকাশিত আনুষ্ঠানিক তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, সমগ্র যশোর শিক্ষা বোর্ডের মোট ১৬টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে কোনো পরীক্ষার্থী কৃতকার্য হতে সমর্থ হননি, যার মধ্যে খুলনারই রয়েছে ছয়টি প্রতিষ্ঠান। এতে করে ওই সমস্ত প্রতিষ্ঠানের শিক্ষাদান পদ্ধতি ও পড়াশোনার গুণগত মান নিয়ে নানা মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়া ও প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

খুলনা জেলার শতভাগ ফেল করা প্রতিষ্ঠানগুলোর তালিকা পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, ডুমুরিয়া মডেল মহিলা কলেজ থেকে ৩ জন, ইন্ডিপেনডেন্ট আইডিয়াল কলেজ থেকে ১১ জন, পাইকগাছার কপিলমুনি সহচরী বিদ্যা মন্দির থেকে ৩ জন, কয়রার শাকবাড়িয়া স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে ২৯ জন, রূপসার কমরেড রতন সেন কলেজিয়েট গার্লস কলেজ থেকে ১ জন এবং খুলনা নিউজপ্রিন্ট মিলস স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে ১২ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিলেও তাঁদের কেউই পাস করতে পারেননি। এর মধ্যে শাকবাড়িয়া স্কুল অ্যান্ড কলেজের ফল সবচেয়ে খারাপ, যেখান থেকে অংশ নেওয়া ২৯ জন শিক্ষার্থীর সবাই অকৃতকার্য হয়েছেন। প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ এস এক আকবর হোসেন এর কারণ হিসেবে জানান, প্রতিষ্ঠানটি এমপিওভুক্ত না হওয়ায় এবং অভিভাবকদের আকুল আবেদনে নির্বাচনী পরীক্ষায় ফেল করা সত্ত্বেও সবাইকে মূল পরীক্ষায় অংশ নিতে দেওয়া হয়েছিল, যার ফলে এই বিপর্যয় ঘটেছে।

অন্যদিকে পাইকগাছার কপিলমুনি সহচরী বিদ্যা মন্দির থেকেও টানা দ্বিতীয় বছরের মতো সব পরীক্ষার্থী ফেল করার ঘটনা ঘটেছে। যশোর শিক্ষা বোর্ডের সচিব অধ্যাপক ড. আব্দুল মতিন জানিয়েছেন, গত বছরের মতোই এ বছরও শতভাগ ফেল করা প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রধানদের কারণ দর্শানোর নোটিশ পাঠানো হবে এবং সন্তোষজনক জবাব না পেলে অধিভুক্তি নবায়ন স্থগিতের কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে। উল্লেখ্য, যশোর বোর্ডে মোট ১৬টি প্রতিষ্ঠানের ১৯৭ জন শিক্ষার্থী অকৃতকার্য হলেও খুলনার খালিশপুরের নেভি অ্যাঙ্করেজ স্কুল অ্যান্ড কলেজসহ মোট তিনটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শতভাগ পাসের গৌরব অর্জন করেছে।