বিমানবাহিনীর ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট কে এম তাউসিফ সাউরি (তাহসিফ সাউরি)-এর লাশে কোনো বাহ্যিক আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি, তবে তার নাক দিয়ে রক্তক্ষরণ হয়েছিল বলে উল্লেখ করা হয়েছে পুলিশের তৈরি ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনে।
বৃহস্পতিবার দুপুরে গাজীপুরের টঙ্গী নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক (এসআই) মুস্তাফিজুর রহমান এই ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন প্রস্তুত করেন। প্রতিবেদনে জানানো হয়, নিহতের লাশটি শনাক্ত করেন তার খালাতো ভাই জহির হাসান। উদ্ধারকৃত মরদেহের শরীরের সমস্ত অঙ্গ স্বাভাবিক ছিল, তবে পেট কিছুটা ফোলা অবস্থায় পাওয়া যায় এবং হাতের মুষ্টি খোলা ছিল।
এর আগে গত বুধবার বিকেলে তুরাগ নদ থেকে তাউসিফ সাউরির মরদেহ উদ্ধার করে টঙ্গী নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা। পরে মরদেহটি শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং সেখানে ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়।
পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, গত মঙ্গলবার সন্ধ্যায় মায়ের সঙ্গে কেনাকাটা শেষ করে বাসায় ফেরার কিছু সময় পর এক সহকর্মীর সঙ্গে দেখা করার কথা বলে তিনি বের হন। এরপর শেষবারের মতো একটি বার্তা পাঠিয়ে তিনি নিখোঁজ হন।


























