Dhaka ০২:২৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন মজুরি কাঠামো চূড়ান্ত, শ্রমিকদের বেতন জানুয়ারি থেকে কার্যকর বড়দিন উদযাপনে খ্রিষ্টান কল্যাণ ট্রাস্টকে ৩ কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী কারখানা বন্ধের চক্রান্ত ও উসকানিকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ পোশাকশিল্পে টানা অস্থিতিশীলতায় চরম উদ্বিগ্ন উদ্যোক্তারা দেশে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর ৮৪ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত: বিশ্বব্যাংক ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাঁড়াল ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা ডলারের বিনিময় হারে ঊর্ধ্বগতি, ব্যাংকের এমডিদের সতর্ক করলেন গভর্নর উদ্যোক্তাদের অনীহায় বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি কমে ৪.১৭ শতাংশে চার মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৪.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নবায়নযোগ্য জ্বালানি এখন আর শুধু সম্ভাবনা নয়, অনিবার্য বাস্তবতা: প্রধানমন্ত্রী

প্রাচীনকালের অন্যতম রহস্যময় স্থাপনা স্টোনহেঞ্জ

  • সর্বশেষ হালনাগাদ : ১১:০৩:১০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬
  • ৬ বার দেখা হয়েছে

বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে থাকা প্রাচীন ও বিস্ময়কর স্থাপনাগুলোর মধ্যে ইংল্যান্ডের সলসবেরি সমভূমিতে অবস্থিত স্টোনহেঞ্জ অন্যতম। হাজার বছরের পুরোনো এই ঐতিহাসিক নিদর্শনটি প্রাচীন মানবসভ্যতার সাংস্কৃতিক, ধর্মীয় এবং সামাজিক কেন্দ্র হিসেবে বিশ্বজুড়ে পরিচিত। তবে ঠিক কী উদ্দেশ্যে এই বিশাল স্থাপনা নির্মাণ করা হয়েছিল, সে বিষয়ে গবেষক ও ইতিহাসবিদরা এখনো কোনো সুনির্দিষ্ট সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে পারেননি।

এই প্রাচীন কাঠামোগুলো প্রধানত সারসেন এবং ব্লুস্টোন নামক দুই ধরনের পাথর দিয়ে তৈরি করা হয়েছে। এর মধ্যে বড় আকারের সারসেন পাথরগুলোর ওজন কয়েক দশক টন পর্যন্ত হতে পারে। অন্যদিকে, অপেক্ষাকৃত ছোট ব্লুস্টোনগুলো দূরবর্তী পাহাড়ি অঞ্চল থেকে সংগ্রহ করা হয়েছিল বলে জানা যায়। প্রাচীন যুগে এত ভারী পাথরগুলো কীভাবে সংগ্রহ এবং স্থাপন করা হয়েছিল, তা আজও আধুনিক বিজ্ঞানীদের ভাবিয়ে তোলে।

স্টোনহেঞ্জের সবচেয়ে আকর্ষণীয় দিক হলো এর পাথরের বিন্যাসের সঙ্গে সূর্যের গতির নিবিড় সম্পর্ক। গ্রীষ্মকালীন ও শীতকালীন অয়নান্তের সময় সূর্যের উদয় ও অস্ত যাওয়ার সঙ্গে স্থাপনার বিন্যাসের অদ্ভুত মিল রয়েছে। প্রাচীনকালের মানুষের জ্যোতির্বিজ্ঞান এবং ঋতু পরিবর্তনের হিসাব সম্পর্কে গভীর জ্ঞান ছিল বলেই এর প্রমাণ মেলে।

সূর্য ছাড়াও চাঁদের গতিপথ এবং বিভিন্ন মহাজাগতিক ঘটনার সঙ্গে এই প্রাচীন কাঠামোর সংযোগ নিয়ে এখনো গবেষণা চালিয়ে যাচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। স্টোনহেঞ্জ কেবল একটি প্রাচীন স্থাপনা নয়, বরং এটি মানব ইতিহাসের প্রাচীন জ্ঞান ও বিশ্বাসের এক অনন্য নিদর্শন।

জনপ্রিয়

বিগ ব্যাশে মুস্তাফিজকে বরণ করতে মেলবোর্ন ক্রিকেট গ্রাউন্ডে বিশেষ ‘দ্য ফিজ বে’ গ্যালারি

প্রাচীনকালের অন্যতম রহস্যময় স্থাপনা স্টোনহেঞ্জ

সর্বশেষ হালনাগাদ : ১১:০৩:১০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬

বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে থাকা প্রাচীন ও বিস্ময়কর স্থাপনাগুলোর মধ্যে ইংল্যান্ডের সলসবেরি সমভূমিতে অবস্থিত স্টোনহেঞ্জ অন্যতম। হাজার বছরের পুরোনো এই ঐতিহাসিক নিদর্শনটি প্রাচীন মানবসভ্যতার সাংস্কৃতিক, ধর্মীয় এবং সামাজিক কেন্দ্র হিসেবে বিশ্বজুড়ে পরিচিত। তবে ঠিক কী উদ্দেশ্যে এই বিশাল স্থাপনা নির্মাণ করা হয়েছিল, সে বিষয়ে গবেষক ও ইতিহাসবিদরা এখনো কোনো সুনির্দিষ্ট সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে পারেননি।

এই প্রাচীন কাঠামোগুলো প্রধানত সারসেন এবং ব্লুস্টোন নামক দুই ধরনের পাথর দিয়ে তৈরি করা হয়েছে। এর মধ্যে বড় আকারের সারসেন পাথরগুলোর ওজন কয়েক দশক টন পর্যন্ত হতে পারে। অন্যদিকে, অপেক্ষাকৃত ছোট ব্লুস্টোনগুলো দূরবর্তী পাহাড়ি অঞ্চল থেকে সংগ্রহ করা হয়েছিল বলে জানা যায়। প্রাচীন যুগে এত ভারী পাথরগুলো কীভাবে সংগ্রহ এবং স্থাপন করা হয়েছিল, তা আজও আধুনিক বিজ্ঞানীদের ভাবিয়ে তোলে।

স্টোনহেঞ্জের সবচেয়ে আকর্ষণীয় দিক হলো এর পাথরের বিন্যাসের সঙ্গে সূর্যের গতির নিবিড় সম্পর্ক। গ্রীষ্মকালীন ও শীতকালীন অয়নান্তের সময় সূর্যের উদয় ও অস্ত যাওয়ার সঙ্গে স্থাপনার বিন্যাসের অদ্ভুত মিল রয়েছে। প্রাচীনকালের মানুষের জ্যোতির্বিজ্ঞান এবং ঋতু পরিবর্তনের হিসাব সম্পর্কে গভীর জ্ঞান ছিল বলেই এর প্রমাণ মেলে।

সূর্য ছাড়াও চাঁদের গতিপথ এবং বিভিন্ন মহাজাগতিক ঘটনার সঙ্গে এই প্রাচীন কাঠামোর সংযোগ নিয়ে এখনো গবেষণা চালিয়ে যাচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। স্টোনহেঞ্জ কেবল একটি প্রাচীন স্থাপনা নয়, বরং এটি মানব ইতিহাসের প্রাচীন জ্ঞান ও বিশ্বাসের এক অনন্য নিদর্শন।