Dhaka ০১:১৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
বড়দিন উদযাপনে খ্রিষ্টান কল্যাণ ট্রাস্টকে ৩ কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী কারখানা বন্ধের চক্রান্ত ও উসকানিকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ পোশাকশিল্পে টানা অস্থিতিশীলতায় চরম উদ্বিগ্ন উদ্যোক্তারা দেশে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর ৮৪ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত: বিশ্বব্যাংক ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাঁড়াল ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা ডলারের বিনিময় হারে ঊর্ধ্বগতি, ব্যাংকের এমডিদের সতর্ক করলেন গভর্নর উদ্যোক্তাদের অনীহায় বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি কমে ৪.১৭ শতাংশে চার মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৪.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নবায়নযোগ্য জ্বালানি এখন আর শুধু সম্ভাবনা নয়, অনিবার্য বাস্তবতা: প্রধানমন্ত্রী ঠাকুরগাঁও-১ ও সংরক্ষিত আসনের নবনির্বাচিত ২ সংসদ সদস্যের শপথগ্রহণ আজ

ইতিহাসের পাতায় হারিয়ে যাওয়া ‘আমিরুল মুমিনিন খাল’

  • সর্বশেষ হালনাগাদ : ১১:৩৮:১৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬
  • ২৩ বার দেখা হয়েছে

বর্তমান বিশ্ববাণিজ্যের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এক জলপথ হলো মিসরের সুয়েজ খাল। তবে কৃত্রিম খাল কেটে পরিবহন ব্যবস্থা সহজ করার এই চিন্তা হাজার বছরের পুরোনো। সপ্তম শতাব্দীতে খলিফা ওমর (রা.)-এর শাসনামলে মিসরে খনন করা হয়েছিল তেমনই এক ঐতিহাসিক জলপথ, যা ইতিহাসে ‘আমিরুল মুমিনিন খাল’ নামে পরিচিত।

হিজরি ১৮ সালের দিকে আরব উপদ্বীপে দেখা দেওয়া ভয়াবহ দুর্ভিক্ষ মোকাবিলায় মিসরের গভর্নর আমর ইবনুল আস (রা.)-এর উদ্যোগে খাদ্য সহায়তা পাঠানো হয়। তবে স্থলপথে বিপুল খাদ্য পরিবহনের সময় ও কষ্ট কমাতে খলিফা ওমরের নির্দেশে নীলনদ থেকে লোহিত সাগর পর্যন্ত এই খাল খনন করা হয়। প্রায় ১৭০ কিলোমিটার দীর্ঘ এই জলপথটি দ্রুত সময়ে খনন করা হয়েছিল, যার ফলে কম খরচে ও সহজে হিজাজে খাদ্যসামগ্রী পাঠানো সম্ভব হয়।

কালক্রমে সঠিক রক্ষণাবেক্ষণের অভাব ও রাজনৈতিক পরিবর্তনের ফলে লোহিত সাগরের সঙ্গে খালটির সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। তবে এটি দীর্ঘকাল কায়রোর অভ্যন্তরীণ নগর জীবনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে টিকে ছিল। আধুনিক নগরায়ণের প্রভাবে একসময় এই ঐতিহাসিক খালটি ভরাট করে সড়কে রূপ দেওয়া হয়, যার ওপর দিয়ে আজ বয়ে চলে কায়রো শহরের আধুনিক যানবাহন।

জনপ্রিয়

প্রিপেইড মিটারে রিচার্জ বন্ধ থাকবে ২৪ ঘণ্টা, ডেসকোর জরুরি নির্দেশনা

ইতিহাসের পাতায় হারিয়ে যাওয়া ‘আমিরুল মুমিনিন খাল’

সর্বশেষ হালনাগাদ : ১১:৩৮:১৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬

বর্তমান বিশ্ববাণিজ্যের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এক জলপথ হলো মিসরের সুয়েজ খাল। তবে কৃত্রিম খাল কেটে পরিবহন ব্যবস্থা সহজ করার এই চিন্তা হাজার বছরের পুরোনো। সপ্তম শতাব্দীতে খলিফা ওমর (রা.)-এর শাসনামলে মিসরে খনন করা হয়েছিল তেমনই এক ঐতিহাসিক জলপথ, যা ইতিহাসে ‘আমিরুল মুমিনিন খাল’ নামে পরিচিত।

হিজরি ১৮ সালের দিকে আরব উপদ্বীপে দেখা দেওয়া ভয়াবহ দুর্ভিক্ষ মোকাবিলায় মিসরের গভর্নর আমর ইবনুল আস (রা.)-এর উদ্যোগে খাদ্য সহায়তা পাঠানো হয়। তবে স্থলপথে বিপুল খাদ্য পরিবহনের সময় ও কষ্ট কমাতে খলিফা ওমরের নির্দেশে নীলনদ থেকে লোহিত সাগর পর্যন্ত এই খাল খনন করা হয়। প্রায় ১৭০ কিলোমিটার দীর্ঘ এই জলপথটি দ্রুত সময়ে খনন করা হয়েছিল, যার ফলে কম খরচে ও সহজে হিজাজে খাদ্যসামগ্রী পাঠানো সম্ভব হয়।

কালক্রমে সঠিক রক্ষণাবেক্ষণের অভাব ও রাজনৈতিক পরিবর্তনের ফলে লোহিত সাগরের সঙ্গে খালটির সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। তবে এটি দীর্ঘকাল কায়রোর অভ্যন্তরীণ নগর জীবনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে টিকে ছিল। আধুনিক নগরায়ণের প্রভাবে একসময় এই ঐতিহাসিক খালটি ভরাট করে সড়কে রূপ দেওয়া হয়, যার ওপর দিয়ে আজ বয়ে চলে কায়রো শহরের আধুনিক যানবাহন।