কুষ্টিয়ায় সার ডিলার নিয়োগে আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগ তুলে নিয়োগ কমিটির সভাপতি জেলা প্রশাসকসহ সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন কুষ্টিয়া-৩ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য মুফতি আমির হামজা। তাঁর অভিযোগ, প্রতিটি ডিলারশিপের জন্য ১০ থেকে ১৫ লাখ টাকা করে নেওয়া হয়েছে। তবে এই অভিযোগকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন দাবি করে জেলা প্রশাসক বলেছেন, অভিযোগের সত্যতা প্রমাণ করতে না পারলে সংসদ সদস্যের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
শনিবার বিকেলে কুষ্টিয়া শহরের জগতি এলাকায় কুষ্টিয়া সুগার মিল পুনরায় চালুর দাবিতে জামায়াতে ইসলামীর সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে আমির হামজা এসব অভিযোগ তোলেন। তিনি জানান, সদর আসনের ১৪টি ডিলারশিপের সবগুলোই অর্থের বিনিময়ে দেওয়া হয়েছে এবং পুরো প্রক্রিয়াটি লোকদেখানো ছিল। নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে জেলা প্রশাসক তৌহিদ বিন হাসানসহ সংশ্লিষ্টদের শাস্তির দাবি জানান তিনি।
এ বিষয়ে কুষ্টিয়ার জেলা প্রশাসক তৌহিদ বিন হাসান জানান, শতভাগ সততার সঙ্গেই ডিলার নিয়োগ কমিটি দায়িত্ব পালন করেছে। আনা অভিযোগের প্রমাণ দিতে না পারলে সংসদ সদস্যের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানান তিনি।
এর আগে সুগার মিলের গেটের সামনে আয়োজিত সমাবেশে কুষ্টিয়া-২ আসনের সংসদ সদস্য আব্দুল গফুর, কুষ্টিয়া-৪ আসনের সংসদ সদস্য আফজাল হোসাইন এবং জামায়াতে ইসলামীর স্থানীয় শীর্ষ নেতারা বক্তব্য দেন। বক্তারা অবিলম্বে কুষ্টিয়া সুগার মিল পুনরায় চালুর দাবি জানান এবং মিলটি লাভজনকভাবে পরিচালনার স্বার্থে প্রয়োজনে তাদের দায়িত্ব দেওয়ার কথা বলেন।


























