Dhaka ১১:৫৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন মজুরি কাঠামো চূড়ান্ত, শ্রমিকদের বেতন জানুয়ারি থেকে কার্যকর বড়দিন উদযাপনে খ্রিষ্টান কল্যাণ ট্রাস্টকে ৩ কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী কারখানা বন্ধের চক্রান্ত ও উসকানিকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ পোশাকশিল্পে টানা অস্থিতিশীলতায় চরম উদ্বিগ্ন উদ্যোক্তারা দেশে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর ৮৪ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত: বিশ্বব্যাংক ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাঁড়াল ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা ডলারের বিনিময় হারে ঊর্ধ্বগতি, ব্যাংকের এমডিদের সতর্ক করলেন গভর্নর উদ্যোক্তাদের অনীহায় বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি কমে ৪.১৭ শতাংশে চার মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৪.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নবায়নযোগ্য জ্বালানি এখন আর শুধু সম্ভাবনা নয়, অনিবার্য বাস্তবতা: প্রধানমন্ত্রী

সৌদি আরবের জাজান ও নাজরান বিমানবন্দরে হামলা

  • সর্বশেষ হালনাগাদ : ০৩:৪৬:০৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর ২০২৬
  • ১৭ বার দেখা হয়েছে

সৌদি আরবের দক্ষিণাঞ্চলের কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ জাজান ও নাজরান আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সোমবার রাতে জোড়া হামলার ঘটনা ঘটেছে। সৌদি আরবের জেনারেল অথরিটি অব সিভিল এভিয়েশন (জিএসিএ) জানিয়েছে যে, এই আকস্মিক হামলায় অন্তত তিনজন সামান্য আহত হয়েছেন এবং বিমানবন্দরের বিভিন্ন অবকাঠামোয় কিছু ক্ষয়ক্ষতি সাধিত হয়েছে। তাৎক্ষণিকভাবে আহত ব্যক্তিদের চিকিৎসার জন্য স্থানীয় হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়েছে।

জিএসিএ’র প্রদত্ত তথ্যানুযায়ী, জাজানের কিং আবদুল্লাহ বিন আবদুলআজিজ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এবং নাজরান আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর—উভয় স্থাপনাকেই হামলার লক্ষ্যবস্তু বানানো হয়েছিল। ঘটনার পরপরই সংশ্লিষ্ট জরুরিসেবা প্রদানকারী সংস্থা ও দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্তৃপক্ষ নির্ধারিত নিরাপত্তা প্রোটোকল কঠোরভাবে অনুসরণ করে দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। বর্তমানে হামলার ফলে হওয়া ক্ষয়ক্ষতির সুনির্দিষ্ট পরিমাণ নিরূপণ ও পর্যালোচনা করার কাজ চলছে। সৌদি বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে যে, বিমানযাত্রী এবং বিমানবন্দর কর্মীদের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং দেশটির বেসামরিক বিমান চলাচল ব্যবস্থার সামগ্রিক নিরাপত্তা অটুট রাখতে সংশ্লিষ্ট সব নিরাপত্তা সংস্থার সঙ্গে নিবিড় সমন্বয়ের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় সকল পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে।

সৌদি কর্তৃপক্ষের প্রকাশিত আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে এই হামলার জন্য সুনির্দিষ্টভাবে কোনো পক্ষকে সরাসরি দায়ী করা হয়নি। তবে ঠিক একই সময়ে ইয়েমেনের হুতি আন্দোলন পক্ষ থেকে সৌদি আরবের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় একাধিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানোর দাবি করা হয়েছে। হুতিদের প্রকাশিত দাবি অনুযায়ী, জাজান ও নাজরানের পাশাপাশি রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, আবহা বিমানবন্দর, রাবিগে অবস্থিত আরামকোর একটি জ্বালানি স্থাপনা এবং কয়েকটি সামরিক অবস্থানও তাদের হামলার লক্ষ্যবস্তুর অন্তর্ভুক্ত ছিল।

আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে যে, সৌদি আরব ও ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীদের মধ্যে সাম্প্রতিক সময়ে চলমান সংঘাতের তীব্রতা বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটেই এই হামলার ঘটনাটি ঘটেছে। বিশেষ করে সৌদি-সমর্থিত ইয়েমেনি সরকারি বাহিনী হুতিদের বিরুদ্ধে তাদের সামরিক অভিযান উল্লেখযোগ্যভাবে জোরদার করার পর থেকেই হুতিরা পাল্টা জবাবে সৌদি ভূখণ্ডের ভেতরে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা বাড়িয়ে দিয়েছে।

জনপ্রিয়

মোংলা বন্দরে দুটি আধুনিক কন্টেইনার জেটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী

সৌদি আরবের জাজান ও নাজরান বিমানবন্দরে হামলা

সর্বশেষ হালনাগাদ : ০৩:৪৬:০৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর ২০২৬

সৌদি আরবের দক্ষিণাঞ্চলের কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ জাজান ও নাজরান আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সোমবার রাতে জোড়া হামলার ঘটনা ঘটেছে। সৌদি আরবের জেনারেল অথরিটি অব সিভিল এভিয়েশন (জিএসিএ) জানিয়েছে যে, এই আকস্মিক হামলায় অন্তত তিনজন সামান্য আহত হয়েছেন এবং বিমানবন্দরের বিভিন্ন অবকাঠামোয় কিছু ক্ষয়ক্ষতি সাধিত হয়েছে। তাৎক্ষণিকভাবে আহত ব্যক্তিদের চিকিৎসার জন্য স্থানীয় হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়েছে।

জিএসিএ’র প্রদত্ত তথ্যানুযায়ী, জাজানের কিং আবদুল্লাহ বিন আবদুলআজিজ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এবং নাজরান আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর—উভয় স্থাপনাকেই হামলার লক্ষ্যবস্তু বানানো হয়েছিল। ঘটনার পরপরই সংশ্লিষ্ট জরুরিসেবা প্রদানকারী সংস্থা ও দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্তৃপক্ষ নির্ধারিত নিরাপত্তা প্রোটোকল কঠোরভাবে অনুসরণ করে দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। বর্তমানে হামলার ফলে হওয়া ক্ষয়ক্ষতির সুনির্দিষ্ট পরিমাণ নিরূপণ ও পর্যালোচনা করার কাজ চলছে। সৌদি বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে যে, বিমানযাত্রী এবং বিমানবন্দর কর্মীদের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং দেশটির বেসামরিক বিমান চলাচল ব্যবস্থার সামগ্রিক নিরাপত্তা অটুট রাখতে সংশ্লিষ্ট সব নিরাপত্তা সংস্থার সঙ্গে নিবিড় সমন্বয়ের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় সকল পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে।

সৌদি কর্তৃপক্ষের প্রকাশিত আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে এই হামলার জন্য সুনির্দিষ্টভাবে কোনো পক্ষকে সরাসরি দায়ী করা হয়নি। তবে ঠিক একই সময়ে ইয়েমেনের হুতি আন্দোলন পক্ষ থেকে সৌদি আরবের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় একাধিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানোর দাবি করা হয়েছে। হুতিদের প্রকাশিত দাবি অনুযায়ী, জাজান ও নাজরানের পাশাপাশি রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, আবহা বিমানবন্দর, রাবিগে অবস্থিত আরামকোর একটি জ্বালানি স্থাপনা এবং কয়েকটি সামরিক অবস্থানও তাদের হামলার লক্ষ্যবস্তুর অন্তর্ভুক্ত ছিল।

আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে যে, সৌদি আরব ও ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীদের মধ্যে সাম্প্রতিক সময়ে চলমান সংঘাতের তীব্রতা বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটেই এই হামলার ঘটনাটি ঘটেছে। বিশেষ করে সৌদি-সমর্থিত ইয়েমেনি সরকারি বাহিনী হুতিদের বিরুদ্ধে তাদের সামরিক অভিযান উল্লেখযোগ্যভাবে জোরদার করার পর থেকেই হুতিরা পাল্টা জবাবে সৌদি ভূখণ্ডের ভেতরে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা বাড়িয়ে দিয়েছে।