Dhaka ১১:২৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন মজুরি কাঠামো চূড়ান্ত, শ্রমিকদের বেতন জানুয়ারি থেকে কার্যকর বড়দিন উদযাপনে খ্রিষ্টান কল্যাণ ট্রাস্টকে ৩ কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী কারখানা বন্ধের চক্রান্ত ও উসকানিকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ পোশাকশিল্পে টানা অস্থিতিশীলতায় চরম উদ্বিগ্ন উদ্যোক্তারা দেশে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর ৮৪ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত: বিশ্বব্যাংক ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাঁড়াল ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা ডলারের বিনিময় হারে ঊর্ধ্বগতি, ব্যাংকের এমডিদের সতর্ক করলেন গভর্নর উদ্যোক্তাদের অনীহায় বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি কমে ৪.১৭ শতাংশে চার মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৪.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নবায়নযোগ্য জ্বালানি এখন আর শুধু সম্ভাবনা নয়, অনিবার্য বাস্তবতা: প্রধানমন্ত্রী

ফ্লাইদুবাইয়ে ছুরিকাঘাত: ঘটনায় রাজনৈতিক ফায়দা তোলার অভিযোগ নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে

  • সর্বশেষ হালনাগাদ : ০৫:৪৪:৫২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২ অক্টোবর ২০২৬
  • ১২ বার দেখা হয়েছে

দুবাই থেকে তেল আবিবগামী ‘ফ্লাইদুবাই’ ফ্লাইটে ছুরিকাঘাতের ঘটনাকে কেন্দ্র করে এখনো অনেক প্রশ্নের উত্তর মেলেনি। তদন্তে হামলাকারী সহকারী পাইলটের উদ্দেশ্য কী ছিল বা তিনি কারো নির্দেশে কাজ করেছিলেন কি না, তা এখনো নিশ্চিত নয়।

তবে ঘটনার পরপরই ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এই হামলাকে ইসরাইলবিরোধী ‘প্রচারণা’ ও ‘ইসলামপন্থি উগ্রবাদের’ সঙ্গে যুক্ত করার চেষ্টা করেন। তিনি ইরান ও তার মিত্র গোষ্ঠীগুলোর সম্ভাব্য ভূমিকার কথাও তুলে ধরেন। নেতানিয়াহু দাবি করেন, সহকারী পাইলট ‘ইসলামপন্থি উগ্রবাদী মতাদর্শে প্রভাবিত’ হয়েছিলেন। যদিও একই সঙ্গে তিনি স্বীকার করেন, হামলার প্রকৃত উদ্দেশ্য নির্ধারণের জন্য সময় প্রয়োজন।

ঘটনাটি ইসরাইলের আসন্ন পার্লামেন্ট নির্বাচনকে ঘিরে রাজনৈতিক বিতর্কও উসকে দিয়েছে। সমালোচকদের অভিযোগ, নিরাপত্তা সংকটকে সামনে এনে নেতানিয়াহু নিজের রাজনৈতিক অবস্থান শক্তিশালী করার চেষ্টা করছেন। সাবেক সরকারি কর্মকর্তা ড্যানিয়েল লেভি মনে করেন, এই ঘটনাটি ইরান-সংক্রান্ত উত্তেজনা বাড়ানোর পাশাপাশি নেতানিয়াহুর অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক সমস্যাগুলো থেকে দৃষ্টি সরাতে পারে।

লেভির মতে, ইরানের সঙ্গে কোনো যোগসূত্র প্রমাণিত হলে তা ইরানের বিরুদ্ধে আরও কঠোর সামরিক পদক্ষেপের পক্ষে নেতানিয়াহুর অবস্থানকে শক্তিশালী করতে পারে। তবে এটি যে বাস্তবে তার রাজনৈতিক অবস্থানকে কতটা প্রভাবিত করবে, তা এখনই বলা যাচ্ছে না।

নিরাপত্তা বিশ্লেষক আহরন ব্রেগম্যানও মনে করেন, নেতানিয়াহু ঘটনাটি থেকে রাজনৈতিক সুবিধা নেওয়ার চেষ্টা করেছেন। তবে তার মতে, হামলাটি নেতানিয়াহুর জন্য স্বয়ংক্রিয়ভাবে কোনো রাজনৈতিক লাভ বয়ে আনবে—এমন নিশ্চয়তা নেই। বরং হামলার মাধ্যমে বিমানবন্দরের নিরাপত্তা ও গোটা নিরাপত্তাব্যবস্থা দুর্বলতাও সামনে এসেছে।

নেতানিয়াহুর বক্তব্যের বিপরীতে বিরোধীদলীয় নেতা ইয়ার লাপিদ দাবি করেন, ঘটনার আগের রাতে নেতানিয়াহুর কাছ থেকে পাওয়া নিরাপত্তা ব্রিফিংয়ে বিমান ছিনতাই বা এ ধরনের হামলার কোনো নির্দিষ্ট সতর্কতা উল্লেখ করা হয়নি। ফলে নেতানিয়াহুর আগের নিরাপত্তা সতর্কবার্তার সঙ্গে বিমান হামলার ঘটনাটির সরাসরি সম্পর্ক আছে কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।

এদিকে ইসরাইলি প্রতিরক্ষামন্ত্রী হামলাটিকে ‘সন্ত্রাসী হামলার চেষ্টা’ হিসেবে অভিহিত করলেও, তদন্ত শেষ হওয়ার আগেই এর পেছনে নির্দিষ্ট কোনো কারণ বা গোষ্ঠীর যোগসূত্র সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

জনপ্রিয়

মোংলা বন্দরে দুটি আধুনিক কন্টেইনার জেটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী

ফ্লাইদুবাইয়ে ছুরিকাঘাত: ঘটনায় রাজনৈতিক ফায়দা তোলার অভিযোগ নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে

সর্বশেষ হালনাগাদ : ০৫:৪৪:৫২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২ অক্টোবর ২০২৬

দুবাই থেকে তেল আবিবগামী ‘ফ্লাইদুবাই’ ফ্লাইটে ছুরিকাঘাতের ঘটনাকে কেন্দ্র করে এখনো অনেক প্রশ্নের উত্তর মেলেনি। তদন্তে হামলাকারী সহকারী পাইলটের উদ্দেশ্য কী ছিল বা তিনি কারো নির্দেশে কাজ করেছিলেন কি না, তা এখনো নিশ্চিত নয়।

তবে ঘটনার পরপরই ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এই হামলাকে ইসরাইলবিরোধী ‘প্রচারণা’ ও ‘ইসলামপন্থি উগ্রবাদের’ সঙ্গে যুক্ত করার চেষ্টা করেন। তিনি ইরান ও তার মিত্র গোষ্ঠীগুলোর সম্ভাব্য ভূমিকার কথাও তুলে ধরেন। নেতানিয়াহু দাবি করেন, সহকারী পাইলট ‘ইসলামপন্থি উগ্রবাদী মতাদর্শে প্রভাবিত’ হয়েছিলেন। যদিও একই সঙ্গে তিনি স্বীকার করেন, হামলার প্রকৃত উদ্দেশ্য নির্ধারণের জন্য সময় প্রয়োজন।

ঘটনাটি ইসরাইলের আসন্ন পার্লামেন্ট নির্বাচনকে ঘিরে রাজনৈতিক বিতর্কও উসকে দিয়েছে। সমালোচকদের অভিযোগ, নিরাপত্তা সংকটকে সামনে এনে নেতানিয়াহু নিজের রাজনৈতিক অবস্থান শক্তিশালী করার চেষ্টা করছেন। সাবেক সরকারি কর্মকর্তা ড্যানিয়েল লেভি মনে করেন, এই ঘটনাটি ইরান-সংক্রান্ত উত্তেজনা বাড়ানোর পাশাপাশি নেতানিয়াহুর অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক সমস্যাগুলো থেকে দৃষ্টি সরাতে পারে।

লেভির মতে, ইরানের সঙ্গে কোনো যোগসূত্র প্রমাণিত হলে তা ইরানের বিরুদ্ধে আরও কঠোর সামরিক পদক্ষেপের পক্ষে নেতানিয়াহুর অবস্থানকে শক্তিশালী করতে পারে। তবে এটি যে বাস্তবে তার রাজনৈতিক অবস্থানকে কতটা প্রভাবিত করবে, তা এখনই বলা যাচ্ছে না।

নিরাপত্তা বিশ্লেষক আহরন ব্রেগম্যানও মনে করেন, নেতানিয়াহু ঘটনাটি থেকে রাজনৈতিক সুবিধা নেওয়ার চেষ্টা করেছেন। তবে তার মতে, হামলাটি নেতানিয়াহুর জন্য স্বয়ংক্রিয়ভাবে কোনো রাজনৈতিক লাভ বয়ে আনবে—এমন নিশ্চয়তা নেই। বরং হামলার মাধ্যমে বিমানবন্দরের নিরাপত্তা ও গোটা নিরাপত্তাব্যবস্থা দুর্বলতাও সামনে এসেছে।

নেতানিয়াহুর বক্তব্যের বিপরীতে বিরোধীদলীয় নেতা ইয়ার লাপিদ দাবি করেন, ঘটনার আগের রাতে নেতানিয়াহুর কাছ থেকে পাওয়া নিরাপত্তা ব্রিফিংয়ে বিমান ছিনতাই বা এ ধরনের হামলার কোনো নির্দিষ্ট সতর্কতা উল্লেখ করা হয়নি। ফলে নেতানিয়াহুর আগের নিরাপত্তা সতর্কবার্তার সঙ্গে বিমান হামলার ঘটনাটির সরাসরি সম্পর্ক আছে কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।

এদিকে ইসরাইলি প্রতিরক্ষামন্ত্রী হামলাটিকে ‘সন্ত্রাসী হামলার চেষ্টা’ হিসেবে অভিহিত করলেও, তদন্ত শেষ হওয়ার আগেই এর পেছনে নির্দিষ্ট কোনো কারণ বা গোষ্ঠীর যোগসূত্র সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।