Dhaka ০৬:৩২ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন মজুরি কাঠামো চূড়ান্ত, শ্রমিকদের বেতন জানুয়ারি থেকে কার্যকর বড়দিন উদযাপনে খ্রিষ্টান কল্যাণ ট্রাস্টকে ৩ কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী কারখানা বন্ধের চক্রান্ত ও উসকানিকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ পোশাকশিল্পে টানা অস্থিতিশীলতায় চরম উদ্বিগ্ন উদ্যোক্তারা দেশে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর ৮৪ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত: বিশ্বব্যাংক ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাঁড়াল ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা ডলারের বিনিময় হারে ঊর্ধ্বগতি, ব্যাংকের এমডিদের সতর্ক করলেন গভর্নর উদ্যোক্তাদের অনীহায় বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি কমে ৪.১৭ শতাংশে চার মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৪.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নবায়নযোগ্য জ্বালানি এখন আর শুধু সম্ভাবনা নয়, অনিবার্য বাস্তবতা: প্রধানমন্ত্রী

কুড়িগ্রামের ইউপি চেয়ারম্যান আনোয়ার হত্যা মামলা: ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানসহ ১০ জনকে সিআইডির তলব

  • সর্বশেষ হালনাগাদ : ১১:১৫:১২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২ অক্টোবর ২০২৬
  • ২২ বার দেখা হয়েছে

কুড়িগ্রামের রাজিবপুর উপজেলার ৩ নম্বর মোহনগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেনের মৃত্যুর ঘটনায় করা হত্যা মামলায় ভারপ্রাপ্ত ইউপি চেয়ারম্যানসহ স্থানীয় বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী ও জনপ্রতিনিধিসহ ১০ জনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।
মৃত্যুর সাত মাস পরে, বৃহস্পতিবার বিকালে এই তদন্তের নোটিশ পাওয়ায় এলাকায় চাঞ্চলের সৃষ্টি হয়েছে। খবরটি এলাকার টপ অব দ্য টাউনে পরিণত হয়েছে।
সিআইডির নোটিস সূত্রে জানা গেছে, ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬০ ধারার বিধান অনুযায়ী মামলার তদন্তের স্বার্থে তাদের নোটিস দেওয়া হয়েছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষণ
বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় ঢাকার মালিবাগে সিআইডির ডিটেকটিভ ট্রেনিং স্কুলে তদন্তকারী কর্মকর্তার কাছে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও তথ্য-প্রমাণসহ হাজির হতে বলা হয়েছিল। তবে সঠিক সময়ে কেউ নোটিস পায়নি বলে কেউ সিআইডিতে হাজির হতে পারেনি।
স্থানীয়ভাবে ‘কারেন্ট আনোয়ার’ নামে পরিচিত আনোয়ার হোসেন চলতি বছরের ২৪ মার্চ ঢাকার একটি আবাসিক হোটেলে স্ট্রোক করে মারা যান বলে সে সময় প্রচার করা হয়। তার পরিবারের দাবি, মৃত্যুর ঘটনাটি স্বাভাবিক নয়। মৃত্যুর প্রায় সাত মাস পর তার ভাই মিস্টার আলী বাদী হয়ে আদালতে একটি মামলা করেন।
সিআইডির নথি অনুযায়ী, ঢাকার মোহাম্মদপুর আমলি আদালতে করা মামলাটি গত ১০ আগস্ট দণ্ডবিধির ৩০২ ও ৩৪ ধারায় নথিভুক্ত হয়। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও সিআইডি ঢাকা মেট্রো-পশ্চিম বিভাগের পুলিশ পরিদর্শক সিকদার মহিদুল আলমের স্বাক্ষর করা নোটিসে বলা হয়েছে, মামলার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের স্বার্থে সংশ্লিষ্টদের জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন।
নোটিস পাওয়া ১০ জনের বাড়ি কুড়িগ্রামের রাজিবপুর উপজেলার ঢুষমারা থানা এলাকায় বলে জানা গেছে।
নোটিস পাওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছেন শাহ আলম, ভারপ্রাপ্ত মোহনগঞ্জ ইউপি চেয়ারম্যান; শহিদ (শহিদুল), মিজান, আরিফুল কবির তালুকদার রানা, নাফিউল আজম জুয়েল, ইসমাইল হোসেন বাবুল, শামীম, দুলাল, বদিউজ্জামান বদি, মাজহারুল ও সেলিম। City & Local Guides
স্থানীয় সূত্র ও সামাজিক মাধ্যমে প্রচারিত তথ্য অনুযায়ী, তলব করা ব্যক্তিদের মধ্যে বিএনপি, যুবদল, জামায়াতে ইসলামী, ছাত্রদল, এনসিপি ও যুবলীগের সঙ্গে সম্পৃক্ত ব্যক্তিরাও রয়েছেন বলে দাবি করা হয়েছে।
নিহত আনোয়ার হোসেনের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড ও স্থানীয় বিরোধ নিয়ে এলাকায় নানা আলোচনা রয়েছে। স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি জাতীয় পার্টির ‘সাইকেল’ প্রতীকে নির্বাচন করে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছিলেন। এর আগে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে তার সম্পৃক্ততা ছিল বলেও স্থানীয়ভাবে আলোচনা রয়েছে। তবে মৃত্যুর আগে তিনি বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে জড়িত হয়েছিল।
তার মৃত্যুর আগে স্থানীয় রাজনীতিতে বিভিন্ন পক্ষের সঙ্গে বিরোধের বিষয়টি সামাজিক মাধ্যমে আলোচনায় আসে। তাকে বয়কটের আহ্বানসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক বিরোধের তথ্যও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।
পরিবারের পক্ষ থেকে ঘটনাটিকে হত্যাকাণ্ড বলে দাবি করা হয়েছে। তবে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ কী এবং এর পেছনে কোনো রাজনৈতিক বিরোধ বা অন্য কোনো কারণ ছিল কি না—তা তদন্তের মাধ্যমেই নিশ্চিত হবে।
প্রাথমিকভাবে আনোয়ার হোসেনের মৃত্যুকে স্ট্রোকজনিত স্বাভাবিক মৃত্যু হিসেবে প্রচার করা হলেও পরে তার পরিবারের পক্ষ থেকে আদালতে মামলা করা হয়। বর্তমানে মামলাটি সিআইডি তদন্ত করছে। তদন্ত শেষে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ ও মামলায় করা অভিযোগের সত্যতা সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাবে। Politics (Right)
এ ব্যাপারে মোহনগঞ্জ ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ও এনসিপি রাজিবপুর উপজেলা সভাপতি শাহ আলম জানান, ‘আমাদের ফাসানোর জন্য পরিকল্পিতভাবে মামলা করা হয়েছে। তিনি ঢাকায় মারা গেছেন । আমরা তখন বাসায় ছিলাম । সকালে জানতে পেরেছিলাম তিনি মারা গেছেন ‘
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

জনপ্রিয়

মোংলা বন্দরে দুটি আধুনিক কন্টেইনার জেটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী

কুড়িগ্রামের ইউপি চেয়ারম্যান আনোয়ার হত্যা মামলা: ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানসহ ১০ জনকে সিআইডির তলব

সর্বশেষ হালনাগাদ : ১১:১৫:১২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২ অক্টোবর ২০২৬

কুড়িগ্রামের রাজিবপুর উপজেলার ৩ নম্বর মোহনগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেনের মৃত্যুর ঘটনায় করা হত্যা মামলায় ভারপ্রাপ্ত ইউপি চেয়ারম্যানসহ স্থানীয় বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী ও জনপ্রতিনিধিসহ ১০ জনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।
মৃত্যুর সাত মাস পরে, বৃহস্পতিবার বিকালে এই তদন্তের নোটিশ পাওয়ায় এলাকায় চাঞ্চলের সৃষ্টি হয়েছে। খবরটি এলাকার টপ অব দ্য টাউনে পরিণত হয়েছে।
সিআইডির নোটিস সূত্রে জানা গেছে, ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬০ ধারার বিধান অনুযায়ী মামলার তদন্তের স্বার্থে তাদের নোটিস দেওয়া হয়েছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষণ
বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় ঢাকার মালিবাগে সিআইডির ডিটেকটিভ ট্রেনিং স্কুলে তদন্তকারী কর্মকর্তার কাছে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও তথ্য-প্রমাণসহ হাজির হতে বলা হয়েছিল। তবে সঠিক সময়ে কেউ নোটিস পায়নি বলে কেউ সিআইডিতে হাজির হতে পারেনি।
স্থানীয়ভাবে ‘কারেন্ট আনোয়ার’ নামে পরিচিত আনোয়ার হোসেন চলতি বছরের ২৪ মার্চ ঢাকার একটি আবাসিক হোটেলে স্ট্রোক করে মারা যান বলে সে সময় প্রচার করা হয়। তার পরিবারের দাবি, মৃত্যুর ঘটনাটি স্বাভাবিক নয়। মৃত্যুর প্রায় সাত মাস পর তার ভাই মিস্টার আলী বাদী হয়ে আদালতে একটি মামলা করেন।
সিআইডির নথি অনুযায়ী, ঢাকার মোহাম্মদপুর আমলি আদালতে করা মামলাটি গত ১০ আগস্ট দণ্ডবিধির ৩০২ ও ৩৪ ধারায় নথিভুক্ত হয়। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও সিআইডি ঢাকা মেট্রো-পশ্চিম বিভাগের পুলিশ পরিদর্শক সিকদার মহিদুল আলমের স্বাক্ষর করা নোটিসে বলা হয়েছে, মামলার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের স্বার্থে সংশ্লিষ্টদের জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন।
নোটিস পাওয়া ১০ জনের বাড়ি কুড়িগ্রামের রাজিবপুর উপজেলার ঢুষমারা থানা এলাকায় বলে জানা গেছে।
নোটিস পাওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছেন শাহ আলম, ভারপ্রাপ্ত মোহনগঞ্জ ইউপি চেয়ারম্যান; শহিদ (শহিদুল), মিজান, আরিফুল কবির তালুকদার রানা, নাফিউল আজম জুয়েল, ইসমাইল হোসেন বাবুল, শামীম, দুলাল, বদিউজ্জামান বদি, মাজহারুল ও সেলিম। City & Local Guides
স্থানীয় সূত্র ও সামাজিক মাধ্যমে প্রচারিত তথ্য অনুযায়ী, তলব করা ব্যক্তিদের মধ্যে বিএনপি, যুবদল, জামায়াতে ইসলামী, ছাত্রদল, এনসিপি ও যুবলীগের সঙ্গে সম্পৃক্ত ব্যক্তিরাও রয়েছেন বলে দাবি করা হয়েছে।
নিহত আনোয়ার হোসেনের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড ও স্থানীয় বিরোধ নিয়ে এলাকায় নানা আলোচনা রয়েছে। স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি জাতীয় পার্টির ‘সাইকেল’ প্রতীকে নির্বাচন করে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছিলেন। এর আগে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে তার সম্পৃক্ততা ছিল বলেও স্থানীয়ভাবে আলোচনা রয়েছে। তবে মৃত্যুর আগে তিনি বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে জড়িত হয়েছিল।
তার মৃত্যুর আগে স্থানীয় রাজনীতিতে বিভিন্ন পক্ষের সঙ্গে বিরোধের বিষয়টি সামাজিক মাধ্যমে আলোচনায় আসে। তাকে বয়কটের আহ্বানসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক বিরোধের তথ্যও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।
পরিবারের পক্ষ থেকে ঘটনাটিকে হত্যাকাণ্ড বলে দাবি করা হয়েছে। তবে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ কী এবং এর পেছনে কোনো রাজনৈতিক বিরোধ বা অন্য কোনো কারণ ছিল কি না—তা তদন্তের মাধ্যমেই নিশ্চিত হবে।
প্রাথমিকভাবে আনোয়ার হোসেনের মৃত্যুকে স্ট্রোকজনিত স্বাভাবিক মৃত্যু হিসেবে প্রচার করা হলেও পরে তার পরিবারের পক্ষ থেকে আদালতে মামলা করা হয়। বর্তমানে মামলাটি সিআইডি তদন্ত করছে। তদন্ত শেষে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ ও মামলায় করা অভিযোগের সত্যতা সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাবে। Politics (Right)
এ ব্যাপারে মোহনগঞ্জ ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ও এনসিপি রাজিবপুর উপজেলা সভাপতি শাহ আলম জানান, ‘আমাদের ফাসানোর জন্য পরিকল্পিতভাবে মামলা করা হয়েছে। তিনি ঢাকায় মারা গেছেন । আমরা তখন বাসায় ছিলাম । সকালে জানতে পেরেছিলাম তিনি মারা গেছেন ‘
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন