Dhaka ০৬:১২ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন মজুরি কাঠামো চূড়ান্ত, শ্রমিকদের বেতন জানুয়ারি থেকে কার্যকর বড়দিন উদযাপনে খ্রিষ্টান কল্যাণ ট্রাস্টকে ৩ কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী কারখানা বন্ধের চক্রান্ত ও উসকানিকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ পোশাকশিল্পে টানা অস্থিতিশীলতায় চরম উদ্বিগ্ন উদ্যোক্তারা দেশে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর ৮৪ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত: বিশ্বব্যাংক ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাঁড়াল ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা ডলারের বিনিময় হারে ঊর্ধ্বগতি, ব্যাংকের এমডিদের সতর্ক করলেন গভর্নর উদ্যোক্তাদের অনীহায় বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি কমে ৪.১৭ শতাংশে চার মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৪.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নবায়নযোগ্য জ্বালানি এখন আর শুধু সম্ভাবনা নয়, অনিবার্য বাস্তবতা: প্রধানমন্ত্রী

মিরপুরে উচ্ছেদ অভিযানে সংঘর্ষ ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় ৪ মামলা

  • সর্বশেষ হালনাগাদ : ০৩:৫৫:৫৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর ২০২৬
  • ২১ বার দেখা হয়েছে

রাজধানীর মিরপুর-১০ নম্বর এলাকায় ফুটপাত উচ্ছেদ অভিযানকে কেন্দ্র করে সংঘটিত সংঘর্ষ, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় পৃথক চারটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর ২০২৬) সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, এই চার মামলায় মোট এক হাজার জনকে আসামি করা হয়েছে এবং সহিংসতার সঙ্গে জড়িত অভিযোগে এখন পর্যন্ত অন্তত ৩৩ জনকে গ্রেপ্তার করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

ঘটনার বিবরণে জানা যায়, গত বুধবার সকালে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মারুফা বেগম নেলীর নেতৃত্বে মিরপুর-১০ গোলচত্বর থেকে হোপ মার্কেট সংলগ্ন এলাকায় ফুটপাতের অবৈধ দখল উচ্ছেদ অভিযান শুরু হয়। অভিযানের একপর্যায়ে হোপ মার্কেটসংলগ্ন বায়তুল কুদ্দুস জামে মসজিদ মার্কেটের নিচে ভাসমান দোকান সরাতে গিয়ে ভেকুর আঘাতে বৈদ্যুতিক তার ছিঁড়ে আকস্মিক আগুন ধরে যায় এবং মার্কেটের পাঁচটি দোকান পুড়ে যায়। পরবর্তীতে ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

এই অগ্নিকাণ্ডের পরই ক্ষুব্ধ হকার ও দোকানিরা সিটি করপোরেশনের কর্মীদের ওপর চড়াও হলে সংঘর্ষ বাধে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ এগিয়ে গেলে হকার ও বিক্ষোভকারীরা তাদের লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে, যার জবাবে পুলিশ কাঁদানে গ্যাসের শেল নিক্ষেপ করে। সংঘর্ষের তীব্রতায় সিটি করপোরেশনের তিনটি গাড়িতে অগ্নিসংযোগ করা হয় এবং পুলিশের একটি গাড়ির গ্লাস ভাঙচুর করা হয়। এই আকস্মিক সহিংসতায় কয়েকজন পুলিশ সদস্যও আহত হন এবং কিছু সময়ের জন্য মিরপুর-১০ থেকে ১৪ নম্বর পর্যন্ত সড়কে যান চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ থাকে।

এই ঘটনায় মিরপুর মডেল থানায় তিনটি এবং কাফরুল থানায় একটিসহ মোট চারটি মামলা রেকর্ড করা হয়েছে। মিরপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাফিজুর রহমান জানান, গাড়ি পোড়ানো, পুলিশের ওপর হামলা এবং ট্রাফিক পুলিশের পক্ষ থেকে পৃথক তিনটি মামলা করা হয়েছে, যেখানে চার থেকে পাঁচ শ জনকে আসামি করা হয়েছে। অন্যদিকে কাফরুল থানার ওসি মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম জানান, সিটি করপোরেশনের গাড়ি পোড়ানোর অভিযোগে আরও একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে, যেখানে সমপরিমাণ অজ্ঞাতপরিচয় আসামি রয়েছে। অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারে পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে। উল্লেখ্য, এই উত্তপ্ত পরিস্থিতির মধ্যেও দুপুরের পর ডিএনসিসি কর্তৃপক্ষ পুনরায় উচ্ছেদ অভিযান চালিয়ে মিরপুর-১০ থেকে ১৩ নম্বর পর্যন্ত সড়কের দুই পাশের ফুটপাত অবৈধ দখলমুক্ত করে।

জনপ্রিয়

মোংলা বন্দরে দুটি আধুনিক কন্টেইনার জেটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী

মিরপুরে উচ্ছেদ অভিযানে সংঘর্ষ ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় ৪ মামলা

সর্বশেষ হালনাগাদ : ০৩:৫৫:৫৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর ২০২৬

রাজধানীর মিরপুর-১০ নম্বর এলাকায় ফুটপাত উচ্ছেদ অভিযানকে কেন্দ্র করে সংঘটিত সংঘর্ষ, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় পৃথক চারটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর ২০২৬) সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, এই চার মামলায় মোট এক হাজার জনকে আসামি করা হয়েছে এবং সহিংসতার সঙ্গে জড়িত অভিযোগে এখন পর্যন্ত অন্তত ৩৩ জনকে গ্রেপ্তার করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

ঘটনার বিবরণে জানা যায়, গত বুধবার সকালে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মারুফা বেগম নেলীর নেতৃত্বে মিরপুর-১০ গোলচত্বর থেকে হোপ মার্কেট সংলগ্ন এলাকায় ফুটপাতের অবৈধ দখল উচ্ছেদ অভিযান শুরু হয়। অভিযানের একপর্যায়ে হোপ মার্কেটসংলগ্ন বায়তুল কুদ্দুস জামে মসজিদ মার্কেটের নিচে ভাসমান দোকান সরাতে গিয়ে ভেকুর আঘাতে বৈদ্যুতিক তার ছিঁড়ে আকস্মিক আগুন ধরে যায় এবং মার্কেটের পাঁচটি দোকান পুড়ে যায়। পরবর্তীতে ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

এই অগ্নিকাণ্ডের পরই ক্ষুব্ধ হকার ও দোকানিরা সিটি করপোরেশনের কর্মীদের ওপর চড়াও হলে সংঘর্ষ বাধে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ এগিয়ে গেলে হকার ও বিক্ষোভকারীরা তাদের লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে, যার জবাবে পুলিশ কাঁদানে গ্যাসের শেল নিক্ষেপ করে। সংঘর্ষের তীব্রতায় সিটি করপোরেশনের তিনটি গাড়িতে অগ্নিসংযোগ করা হয় এবং পুলিশের একটি গাড়ির গ্লাস ভাঙচুর করা হয়। এই আকস্মিক সহিংসতায় কয়েকজন পুলিশ সদস্যও আহত হন এবং কিছু সময়ের জন্য মিরপুর-১০ থেকে ১৪ নম্বর পর্যন্ত সড়কে যান চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ থাকে।

এই ঘটনায় মিরপুর মডেল থানায় তিনটি এবং কাফরুল থানায় একটিসহ মোট চারটি মামলা রেকর্ড করা হয়েছে। মিরপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাফিজুর রহমান জানান, গাড়ি পোড়ানো, পুলিশের ওপর হামলা এবং ট্রাফিক পুলিশের পক্ষ থেকে পৃথক তিনটি মামলা করা হয়েছে, যেখানে চার থেকে পাঁচ শ জনকে আসামি করা হয়েছে। অন্যদিকে কাফরুল থানার ওসি মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম জানান, সিটি করপোরেশনের গাড়ি পোড়ানোর অভিযোগে আরও একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে, যেখানে সমপরিমাণ অজ্ঞাতপরিচয় আসামি রয়েছে। অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারে পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে। উল্লেখ্য, এই উত্তপ্ত পরিস্থিতির মধ্যেও দুপুরের পর ডিএনসিসি কর্তৃপক্ষ পুনরায় উচ্ছেদ অভিযান চালিয়ে মিরপুর-১০ থেকে ১৩ নম্বর পর্যন্ত সড়কের দুই পাশের ফুটপাত অবৈধ দখলমুক্ত করে।