বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বের ওপর কোনো ধরনের ভারতীয় আধিপত্যবাদ ও হস্তক্ষেপ আর বরদাশত করা হবে না বলে কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছে জাতীয় বিপ্লবী পরিষদ। বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর ২০২৬) বেলা সাড়ে ১১টায় জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে ‘ভারতীয় আধিপত্যবাদ অবসানের দাবিতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ঘেরাও’ শীর্ষক কর্মসূচি পালনের আগে আয়োজিত এক সমাবেশে এই হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়। সংগঠনের আহ্বায়ক খোমেনী ইহসান তাঁর বক্তব্যে বলেন যে, ভিয়েনা কনভেনশন ও আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক রীতিনীতি লঙ্ঘন করে ভারতীয় হাইকমিশনার যেভাবে বিভিন্ন সরকারি মন্ত্রণালয় ও দপ্তরে অবাধে যাতায়াত করছেন, তা একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্রের প্রশাসনিক স্বাধীনতার প্রতি মারাত্মক অবমাননাকর।
তিনি আরও তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন যে, ভারত সরকারের আশ্রয়ে থাকা জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দায়ে অভিযুক্ত শেখ হাসিনা ও ওবায়দুল কাদেরের মতো ফ্যাসিস্টদের বাংলাদেশের কাছে প্রত্যর্পণ না করে উল্টো বিভিন্ন সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে তাদের হাসোজ্জ্বল দৃশ্যমানতা তৈরি করা দেশের জনগণের সঙ্গে উপহাসের শামিল। অতীতে দীর্ঘ ১৬ বছরের শাসনামলে চলা তাঁবেদারি সংস্কৃতির উল্লেখ করে তিনি বলেন, বিপ্লবী পরিষদ এককভাবে বা দেশের জনগণকে সঙ্গে নিয়ে যেকোনো মূল্যে দেশের প্রতি ইঞ্চি মাটির সার্বভৌমত্ব রক্ষা করবে এবং ভারতীয় আধিপত্যবাদ শক্ত হাতে প্রতিহত করবে। উক্ত সমাবেশে জাতীয় বিপ্লবী পরিষদের সদস্যসচিব ডা. নাবিল আহমদ, সহকারী সদস্যসচিব আব্দুস সালাম, ইসলামী ঐক্যজোটের সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান মুক্তিযোদ্ধা মীর শওকত আমীন, মহাসচিব মাওলানা আবদুল করিমসহ বিভিন্ন সমমনা সংগঠনের শীর্ষস্থানীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।


























