দুবাই থেকে ইসরাইলের তেল আবিবগামী ‘ফ্লাইদুবাই’-এর একটি যাত্রীবাহী বিমানে আকাশে থাকা অবস্থায় আকস্মিক হাইজ্যাকিংয়ের আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, মূলত বিমানটির পাইলটদের নিজেদের মধ্যকার হাতাহাতির ঘটনার জেরেই এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এর ফলে বিমানটি নির্ধারিত গতিপথ পরিবর্তন করে সৌদি আরবে জরুরি অবতরণ করতে বাধ্য হয়।
শতাধিক ইসরাইলি যাত্রী নিয়ে পরিচালিত ওই ফ্লাইটটি আকাশে থাকা অবস্থায় প্রথমে সাধারণ জরুরি অবস্থার কোড পাঠায়, যা পরবর্তীতে অবৈধ হস্তক্ষেপ বা ছিনতাইয়ের সংকেতবাহী কোডে রূপান্তরিত হয়। এই ঘটনার পর ইসরাইলি বিমান বাহিনী যেকোনো জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় যুদ্ধবিমান প্রস্তুত রাখে এবং দেশটিতে বাড়তি সতর্কতা জারি করা হয়। এছাড়া ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী প্রতিরক্ষা কর্মকর্তাদের নিয়ে একটি জরুরি নিরাপত্তাবৈঠকও আহ্বান করেন।
সৌদি আরবে বিমানটি নিরাপদে অবতরণের পর জানা যায় যে এটি কোনো বিমান ছিনতাইয়ের ঘটনা ছিল না, বরং পাইলটদের অভ্যন্তরীণ বিরোধের ফলেই এই জরুরি অবস্থার সৃষ্টি হয়েছিল। অবতরণের পর সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বিমানটির ক্রুদের জিজ্ঞাসাবাদ ও তল্লাশি চালায় এবং এর পরই ইসরাইলি আকাশসীমা পুনরায় উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়।























