Dhaka ০৯:১৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন মজুরি কাঠামো চূড়ান্ত, শ্রমিকদের বেতন জানুয়ারি থেকে কার্যকর বড়দিন উদযাপনে খ্রিষ্টান কল্যাণ ট্রাস্টকে ৩ কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী কারখানা বন্ধের চক্রান্ত ও উসকানিকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ পোশাকশিল্পে টানা অস্থিতিশীলতায় চরম উদ্বিগ্ন উদ্যোক্তারা দেশে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর ৮৪ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত: বিশ্বব্যাংক ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাঁড়াল ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা ডলারের বিনিময় হারে ঊর্ধ্বগতি, ব্যাংকের এমডিদের সতর্ক করলেন গভর্নর উদ্যোক্তাদের অনীহায় বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি কমে ৪.১৭ শতাংশে চার মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৪.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নবায়নযোগ্য জ্বালানি এখন আর শুধু সম্ভাবনা নয়, অনিবার্য বাস্তবতা: প্রধানমন্ত্রী

জাতিসংঘে প্রধানমন্ত্রীর তারেক রহমানের সফল অভিষেক: বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের নতুন অধ্যায়

  • সর্বশেষ হালনাগাদ : ০১:৪২:০৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ১৬ বার দেখা হয়েছে

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে যোগ দেওয়ার মধ্য দিয়ে বিশ্বমঞ্চে আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। গত ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে বিএনপি সরকার গঠনের পর এটিই ছিল আন্তর্জাতিক পরিসরে তার সবচেয়ে বড় পরীক্ষা। ভাষণ, দ্বিপক্ষীয় বৈঠক এবং পার্শ্ব-আয়োজন মিলিয়ে এই সফর থেকে বাংলাদেশের প্রাপ্তি যেমন আছে, তেমনি আছে কিছু প্রশ্নও।

এই সফরের উল্লেখযোগ্য দিক হলো মুসলিম বিশ্বের তিন প্রভাবশালী রাষ্ট্রের শীর্ষ নেতার সঙ্গে বৈঠক। পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ও তুরস্কের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে বৈঠক প্রত্যাশিতই ছিল। তবে ইরানের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে বৈঠক অনেকের ধারণার বাইরে ছিল। এর মধ্য দিয়ে মুসলিম বিশ্বে বাংলাদেশের কণ্ঠস্বর জোরালো করার পথে তিনি এক ধাপ এগোলেন বলা যায়। এখানে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের উত্তরাধিকারের ছায়া স্পষ্ট। ওআইসি গঠিত ইসলামি শান্তি কমিটির সদস্য হিসেবে জিয়াউর রহমান ইরান-ইরাক যুদ্ধ বন্ধের উদ্যোগে সক্রিয় ভূমিকা রেখেছিলেন এবং ওআইসিতে বাংলাদেশের অবস্থান শক্ত করেছিলেন। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সেই ধারাকেই সামনে নিয়ে যেতে চাইছেন বলে মনে হয়।

একই সফরে তিনি প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নৈশভোজে তার সঙ্গে একান্তে কথা বলেছেন। প্রধানমন্ত্রীর যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানকালেই প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বাংলাদেশের বোয়িং কেনার সিদ্ধান্তের প্রশংসা করে ট্রুথ সোশ্যালে বার্তা দিয়েছেন। এর আগে চিঠির মাধ্যমে ধন্যবাদও জানিয়েছেন। মার্কিন ব্যবসায়ী মহলে এই বার্তা ইতিবাচক সাড়া ফেলবে বলেই ধারণা করা হচ্ছে। একদিকে ওয়াশিংটন, অন্যদিকে তেহরান—এই দুইয়ের মধ্যে ভারসাম্য রক্ষা করা কঠিন কূটনৈতিক কাজ। সেই ভারসাম্য কতটা টেকসই হয়, সেটিই এখন দেখার বিষয়।

এই সফরের আরেকটি নতুন দিক হলো পশ্চিমা ধাঁচের ‘ফার্স্ট লেডি’ সংস্কৃতির সূচনা। প্রধানমন্ত্রীর স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান মার্কিন ফার্স্ট লেডির আয়োজিত বিশেষ নৈশভোজে যোগ দেন। পেশায় চিকিৎসক হওয়ায় তিনি নিজের পেশাগত সক্ষমতা থেকে স্বাস্থ্যবিষয়ক জাতিসংঘের একটি উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশি চিকিৎসকদের একটি প্রতিনিধিদলের সঙ্গে মতবিনিময় করেছেন, যেখানে তার স্ত্রী জুবাইদা রহমানকে বেশ সম্পৃক্ত দেখা গেছে।

জনপ্রিয়

মোংলা বন্দরে দুটি আধুনিক কন্টেইনার জেটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী

জাতিসংঘে প্রধানমন্ত্রীর তারেক রহমানের সফল অভিষেক: বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের নতুন অধ্যায়

সর্বশেষ হালনাগাদ : ০১:৪২:০৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে যোগ দেওয়ার মধ্য দিয়ে বিশ্বমঞ্চে আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। গত ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে বিএনপি সরকার গঠনের পর এটিই ছিল আন্তর্জাতিক পরিসরে তার সবচেয়ে বড় পরীক্ষা। ভাষণ, দ্বিপক্ষীয় বৈঠক এবং পার্শ্ব-আয়োজন মিলিয়ে এই সফর থেকে বাংলাদেশের প্রাপ্তি যেমন আছে, তেমনি আছে কিছু প্রশ্নও।

এই সফরের উল্লেখযোগ্য দিক হলো মুসলিম বিশ্বের তিন প্রভাবশালী রাষ্ট্রের শীর্ষ নেতার সঙ্গে বৈঠক। পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ও তুরস্কের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে বৈঠক প্রত্যাশিতই ছিল। তবে ইরানের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে বৈঠক অনেকের ধারণার বাইরে ছিল। এর মধ্য দিয়ে মুসলিম বিশ্বে বাংলাদেশের কণ্ঠস্বর জোরালো করার পথে তিনি এক ধাপ এগোলেন বলা যায়। এখানে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের উত্তরাধিকারের ছায়া স্পষ্ট। ওআইসি গঠিত ইসলামি শান্তি কমিটির সদস্য হিসেবে জিয়াউর রহমান ইরান-ইরাক যুদ্ধ বন্ধের উদ্যোগে সক্রিয় ভূমিকা রেখেছিলেন এবং ওআইসিতে বাংলাদেশের অবস্থান শক্ত করেছিলেন। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সেই ধারাকেই সামনে নিয়ে যেতে চাইছেন বলে মনে হয়।

একই সফরে তিনি প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নৈশভোজে তার সঙ্গে একান্তে কথা বলেছেন। প্রধানমন্ত্রীর যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানকালেই প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বাংলাদেশের বোয়িং কেনার সিদ্ধান্তের প্রশংসা করে ট্রুথ সোশ্যালে বার্তা দিয়েছেন। এর আগে চিঠির মাধ্যমে ধন্যবাদও জানিয়েছেন। মার্কিন ব্যবসায়ী মহলে এই বার্তা ইতিবাচক সাড়া ফেলবে বলেই ধারণা করা হচ্ছে। একদিকে ওয়াশিংটন, অন্যদিকে তেহরান—এই দুইয়ের মধ্যে ভারসাম্য রক্ষা করা কঠিন কূটনৈতিক কাজ। সেই ভারসাম্য কতটা টেকসই হয়, সেটিই এখন দেখার বিষয়।

এই সফরের আরেকটি নতুন দিক হলো পশ্চিমা ধাঁচের ‘ফার্স্ট লেডি’ সংস্কৃতির সূচনা। প্রধানমন্ত্রীর স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান মার্কিন ফার্স্ট লেডির আয়োজিত বিশেষ নৈশভোজে যোগ দেন। পেশায় চিকিৎসক হওয়ায় তিনি নিজের পেশাগত সক্ষমতা থেকে স্বাস্থ্যবিষয়ক জাতিসংঘের একটি উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশি চিকিৎসকদের একটি প্রতিনিধিদলের সঙ্গে মতবিনিময় করেছেন, যেখানে তার স্ত্রী জুবাইদা রহমানকে বেশ সম্পৃক্ত দেখা গেছে।